প্রমাণ সহ হাতেনাতে কমিলিনীকে ধরল মধুবনী! ধারাবাহিকে বিরাট ধামাকা!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kachhe Esechhi)। এই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে,অমৃতা সেনগুপ্ত দোষী নয়, ছোট কাকিকে ফাঁসানো হচ্ছে, এটা পুরোপুরিভাবে বুঝতে পারে মধুবনী। সেই কারণে সে এই বিষয়টার তদন্ত করতে শুরু করে এবং অমৃতা সেনগুপ্ত নির্দোষ এই বিষয়টার অনেক প্রমাণ পেয়ে যায় মধুবনী। সে বলে, সে ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টকে ডেকে এনে তার ঘরের ড্রয়ারে টেস্ট করাবে,তাহলেই তার ঘরের ড্রয়ারে সেই তৃতীয় ব্যক্তির হাতের ছাপ পাওয়া যাবে যে তার ঘর থেকে হারটা চুরি করে সিকিউরিটি গার্ড অজিতকে দেয় ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগার বিষয়টা চেপে যাওয়ার জন্য।
কে প্রথম কাছে এসেছি ৮ সেপ্টেম্বরের পুরো পর্ব (Ke prothom kache esechi Today Episode 8 September)
আজ এই ধারাবাহিকের শুরুতেই দেখা যায়, কমলিনী নিজেকে নিরাপদ রাখবার জন্য একটা ক্লিনজার নিয়ে মধুবনীর ঘরে ঢুকে পড়ে, ড্রয়ারটা পরিষ্কার করে নিজের হাতের ছাপ মুছে দেবে বলে। সে ঠিক করে নেয়, সে কিছুতেই নিজের আসল রূপটা সকলের সামনে আসতে দেবে না। কিন্তু কমলিনী যখন ড্রয়ারটা মুছতে যাবে তখন কমলিনীর হাত ধরে নেয় মধুবনী।

মধুবনী পুরো হাতে নাতে ধরে নেয় কমলিনীকে আর কমলিনীর সব উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে যায় আর বলে, আপনি যেই শুনলেন ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টকে আমি ডেকে পাঠাবো, অমনি ড্রয়ারটা মুছতে চলে এলেন প্রমাণ লোপাট করতে! তখন কমলিনী রীতিমত কান্নাকাটি শুরু করে দেয় এবং নিজে নাটক করতে থাকে আর বলে, সে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে ভালোবাসে সেই কারণে সে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে এসেছিল।
এরপর সে কাঁদতে কাঁদতে মধুবনীকে বলে, সে প্রথম দিন থেকে পাবলোর স্ত্রী হিসেবে মধুবনীকে মেনে নিয়েছিল আর মিহিকাকেও ভালোবেসে মেনে নিয়েছিল! পরিবারের সবার বিরুদ্ধে গিয়ে সে পাবলো আর মধুবনীর পাশে দাঁড়িয়ে ছিল তার এই প্রতিদান? সে দোষী , সে প্রফেশনাল ক্রিমিনাল এটা কি করে ভেবে নিল মধুবনী? কমলিনী কাঁদতে কাঁদতে বলে, যাও তুমি পাবলো সহ বাড়ির সবাইকে ডেকে আনো আর বল তার মনি মা দোষী আর পুলিশকেও ডেকে দাও।
কমলিনী আরও বলে, তোমার আমাকে এতটাই অপছন্দ ছিল আগে বলতে পারতে, আমার ছেলে আর ছেলের বউয়ের কথা ভেবে আমি চুপচাপ এখান থেকে চলে যেতাম, চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকো না, বাড়ির সকলকে ডাকো। কমলিনী বলে, আমি জানি তুমি ডাকবে না, কারণ তুমি আমাকে অপরাধী প্রমাণ করতে পারবে না কিন্তু তুমি যা করলে তা আমি সারা জীবন মনে রাখব। মধুবনী চুপ থাকে আর কমলিনী ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।

মধুবনী ভাবে, আমি কি সত্যিই কমলিনী ম্যাডামকে ভুল বুঝলাম? নাহ, একটা মানুষ আজকেই আমার ঘর পরিষ্কার করতে এলো আর এই ড্রয়ারের হাতলটাই মুছতে এল? এতটা কাকতালীয় কী করে হতে পারে ঘটনাটা? ডাহা মিথ্যা কথা বলে চলেছেন তাও আবার এতটা কনফিডেন্সের সাথে কী করে? এতটুকুও ভয় নেই!
আরও পড়ুনঃ অনির্বাণকে ত্যাগ করল রাই, নিজের দায়িত্ব নিজেই নেবে সে! প্রকাশ্যে মিঠিঝোরার নতুন প্রোমো
কমলিনী এইবার মধুবনীর প্রাক্তন প্রেমিকের সাথে দেখা করে মধুবনীর সারোগেসির বিষয়টা জেনে যায় আর মধুবনী অমৃতাকে কোর্ট থেকে নির্দোষ প্রমাণ করে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। কিন্তু বাড়ির লোকেরা কেউ অমৃতাকে বিশ্বাস করে না। ওদিকে কমলিনী অমৃতাকে ছেড়ে দিয়েছে দেখে নিজে চিন্তায় পড়ে যায় এরপর রুমি বলে দেয় মধুবনী কি কি তথ্য দিয়েছে আদালতে? সেই সব তথ্য অনুযায়ী ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগার দিন এবং হার চুরি যাওয়ার দিন তার মা বাড়িতে ছিল সেটা রুমির ভিডিও ব্লগে ধরা পড়ায় অমৃতা নির্দোষ প্রমাণ হয়েছে যেটা শুনে সকলে অমৃতা ও মধুবনীকে বিশ্বাস করে। মধুবনী আড়ালে কমলিনীকে চ্যালেঞ্জ করে সে সত্যি সামনে নিয়ে আসবেই আর কমলিনী ঠিক করে তার মিহি আর ঠাকুমার কী অবস্থা করবে সেটা মধুবনীর কল্পনারও বাইরে।

