ঋকবেদের অফিসে আগুন লাগিয়েছে কমলিনী! কে প্রথম কাছে এসেছির দুর্দান্ত পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kachhe Esechhi)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায়, অবশেষে ঋকবেদের অফিসে কে আগুন লাগিয়েছে সেই সত্য অবশেষে সামনে এলো আর সত্যি জেনে অবাক হয়ে গেল পরিবারের সকলে আর মাথায় হাত পরলো কমলিনীর! তার সাজানো সব পরিকল্পনা এইভাবে ভেস্তে যাবে সেটা বুঝতেই পারে না কমলিনী।
কে প্রথম কাছে এসেছি ৫ সেপ্টেম্বরের পুরো পর্ব/ke prothom kache esechi 5 September full episode
আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায় ছোট কাকি বলে, এই তালের বড়া গুলো না কোনটাই আমি বানাইনি এগুলো সব কলকাতার টপ ক্লাস দোকান থেকে কিনে আনা তালের বড়া। কিন্তু আপনারা ভাবুন আপনারা মধুবনী করতে করতে এমনই অন্ধ হয়ে গিয়েছেন যে দোকানের তালের বড়ার থেকেও মধুবনীর হাতের তালের বড়া আপনাদের কাছে বেশ ভালো লাগছে। মধুবনী বিষয়টি ম্যানেজ করে। মিহি বলে, এই ছোট্ট কৃষ্ণ ঠাকুরটাও খেয়েছে ,খুব ভালো লেগেছে,হেব্বি হয়েছে। তোমরা ঝগড়া করো না।

এইসময় দেখা যায় বাড়িতে পুলিশ এসেছে। মধুবনী জিজ্ঞেস করে, অফিসার অপরাধী ধরা পড়েছে? পুলিশ তখন এসে বলে, আপনাদের সিকিউরিটি গার্ডকে জেরা করে আপনাদের অফিসে আগুন লাগা সম্পর্কে একটা ভয়ংকর তথ্য ধরা পড়েছে। আপনাদের ফ্যাক্টরিতে যিনি আগুন লাগিয়েছেন তিনি আপনাদের পরিবারেরই সদস্য। মধুবনী জিজ্ঞেস করে, কে অফিসার?
অন্যদিকে ঋকদেবের মা কমলিনী ভাবে,এত চেষ্টা করার পরেও অজিত সব বলে দিল এত দামি হার দিলাম,এত কিছু বললাম তা সত্ত্বেও মুখ খুলে দিল। অন্যদিকে ঋক বলে, আপনার কথা আমরা বিশ্বাস করি না। কিন্তু অফিসার বলে, শুনুন আপনাদের পরিবারের সদস্য হওয়ার পরেও তিনি এই কাজটা করেছেন এবং সবথেকে বড় কথা তিনি আজ এই মুহূর্তে আপনাদের সবার সাথে আছে-এই কথা শুনে সবাই চমকে যায়।
ছোট কাকি তখন বলে, সিরিয়ালের মত টেনশন বাড়াচ্ছেন কেন? পেঁয়াজের খোসা একটা একটা করে না ছাড়িয়ে বলে দিন না নামটা কে? ঠাকুমাও তখন বলে,দাদুভাই অবাক হওয়ার কিছু নেই, সর্ষের মধ্যে ভূত থাকতে পারে অফিসার আপনি নামটা বলে দিন। পুলিশ অফিসার তখন বলে শুধু নামটা বলবই না তাকে হাজতে ভরবো। ঋকদেবের মা কমলিনী তখন ভয় পেয়ে যায়।
এরপর পুলিশ অফিসার হারটা বার করে কিন্তু সেই হারটা হল ছোট কাকি অমৃতার হার। ছোট কাকি হারটা দেখে বলে আরে এটা তো আমার হার। পুলিশ অফিসার বলে, প্রমাণ আছে? ছোট কাকি তখন নিজের মোবাইল থেকে ছবি বার করে প্রমাণ দেখায় যে সেটা তার হার। ঋকের ঠাকুমা তখন বলে,হারটা আমার শাশুড়ির, আমি ছোট বৌমাকে দিয়েছিলাম। এরপর পুলিশ ছোট কাকিকে দোষী সাব্যস্ত করে আর বলে, পূর্ণেন্দু বাবু আপনার ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগিয়েছে আপনার পুত্র বধূ অমৃতা সেনগুপ্ত। অন্যদিকে কমলিনী হাসতে থাকে আর বলে আমার ভাগ্য খুব ভালো।
আরও পড়ুন: জিতে গেল জলসা! ভয়ংকর ভাবে পিছিয়ে গেল জি বাংলা! টিআরপি তালিকায় বিরাট চমক!
অমৃতার মেয়ে রুমি বুঝতে পারে না যে মাতো হারটা রেখেছিল মধুবনীর ঘরে? তাকে চোর হিসেবে সাজাবে বলে কি থেকে কি হয়ে গেল! শেষমেষ অমৃতা সমস্ত কথা স্বীকার করে সে নিজে মধুবনীকে ফাঁসাতে চেয়েছিল কিন্তু ফ্যাক্টরিতে সে আগুন লাগায়নি কিন্তু কেউ তার কথা বিশ্বাস করে না। কমলিনী আবার নিজের কানের চুরির দায়টাও অমৃতার উপর চাপিয়ে দেয় যে কানের পাওয়া যায় সিকিউরিটি গার্ড অজিতের কাছ থেকে।

