মেহেন্দিকে উচিৎ শিক্ষা দিলো কৌশিকী মুখার্জী! এঁচোড় কাটতে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ল সে!

এতদিন কেবল রহস্য রোমাঞ্চয় ভরপুর একটা গোয়েন্দা গল্পের স্বাদ পেয়েছেন দর্শক মহল, এইবার এই রহস্য রোমাঞ্চের পাশাপাশি জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) উপহার দিতে চলেছে একটি ঘরোয়া পরিবারের টক ঝাল মিষ্টি গল্প। টিআরপি তালিকায় এই মুহূর্তে বেশ কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে এই ধারাবাহিক। প্রথম থেকে তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছে এই মেগা।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, শকুন্তলা অর্থাৎ মেহেন্দির মা এসে সবার কাছে দাবি করে, তার মেয়েকেও যোগ্য সম্মান দিতে হবে। এই সংসার আর অফিসের দায়িত্ব তার মেয়ের হাতে তুলে দিতে হবে সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে মেনে নেয় কৌশিকী। তবে তার মাথায় কি পরিকল্পনা চলছিল সেটা হয়তো সেই সময় বুঝতে পারেনি শকুন্তলা। কৌশিকী সবটা মেনে নেওয়ায় বেশ অবাক হয়েছে দিব্যা সেন। এত তাড়াতাড়ি সমস্ত কিছু কৌশিকী মুখার্জী হাতছাড়া করতে পারে বলে সে ভাবতেও পারে না।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কৌশিকী মেহেন্দিকে বলছে, “এবার থেকে তোমাকে অনেক কাজ করতে হবে। তোমাকে এই পরিবারের জন্য রান্না করতে হবে, ব্রেকফাস্ট বানাতে হবে সকালবেলা বেডটি দিতে হবে শুধু তাই নয় রাত্রেবেলা সবার ঘরে গিয়ে বিছানাও করে দিয়ে আসতে হবে। এই সমস্ত কাজ জগদ্ধাত্রী করতো। তুমি যখন ওর জায়গা নিতে চাও তখন তোমাকেও সেই কাজগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। আর তারপর রেডি হয়ে অফিসে গিয়ে সেইখানকার দায়িত্বও সামলাতে হবে।” সব শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় মেহেন্দি কিন্তু ক্ষমতার লোভ তাকে গ্রাস করেছে তাই যেভাবেই হোক তাকে সব পারতেই হবে।
ঠিক সেই সময় রাজনাথ এসে বলে তার আজ এঁচোড়ের ডানলা আর সিম বাটা খেতে ইচ্ছা করছে। মেহেন্দি বলে সে এঁচোড় কাটতে পারবে না। তখন রাজনাথ করুন সুরে বলে সে ভেবেছিল তার বৌমার হাতে এসব রান্না খাবে। তার বৌমা কি এইটুকু আবদার রাখতে পারবে না? তখন আর কিছুই বলতে পারে না মেহেন্দি কারণ সে খুব ভালো করেই জানে এখন যদি সে কাজগুলো না করে তাহলে অফিসের দায়িত্ব তাকে দেওয়া হবে না। এই ফাঁকে দেবু আর উৎসবকে বাজারে পাঠিয়ে দেয় কৌশিকী। বাজারের ফর্দ দেখে মাথা ঘুরে যাওয়ার তাদের। এরপর মেহেন্দি চলে যায় এঁচোড় কাটতে আর সেই সময় দিব্যা সেন ফোন করে কৌশিকীকে। তার কাছ থেকে কৌশিকী জানতে পারে জগদ্ধাত্রীকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। এরপর জগদ্ধাত্রীও সেই কথায় সম্মতি জানায়। কৌশিকী তখন বলে, “যা হয়েছে ভালোই হয়েছে। মেহেন্দি উৎসব সবকিছু সামলাবে আর আমরা দুজন মন দিয়ে সংসার করবো।”
আরও পড়ুন: সম্পাদককে ঘুষি মেরে কাজ হাসিল করলো ফুলকি! গো হারান হেরে গেল শালিনী!
এরপর এঁচোড় কাটতে গিয়ে হিমশিম খায় মেহেন্দি। কিছুতেই সে এঁচোড় কেটে উঠতে পারে না। বাড়ির সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মজা দেখতে থাকে। এঁচোড় এর আঠা হতে লাগায় চিৎকার করে ওঠে মেহেন্দি। আর তারপর ছটফট করতে করতে মুখ থুবড়ে পড়ে। তার এই অবস্থা দেখে কৌশিকী বলে, এখন থেকেই শিক্ষা পাওয়া যায় যে, সবাই সব কিছু পারে না। আর জগদ্ধাত্রী বলে, সংসারের কাজ জানতে হয়।

