জগদ্ধাত্রীর ওপর রেগে গেল কৌশিকী! আসল সত্যিটা বলে দিল তুষার তীর্থ তলাপাত্র!

প্রত্যেক সপ্তাহে টিআরপিতে বাজিমাত করছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিক। একটা সময় ছিল যখন নিয়ম করে স্টার জলসার সাথে জি বাংলার জগদ্ধাত্রী ধারাবাহিকটির লড়াই চলত। এই মুহূর্তে সেই লড়াই থেকে প্রতিপক্ষকে বের করে নিজেই প্রতি সপ্তাহে টিআরপি টপার হচ্ছে এই ধারাবাহিক। প্রত্যেকদিন ধারাবাহিকের আকর্ষণীয়তা আরো বেশি করে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, জট ছাড়াতে গিয়ে অনেক গোপন সত্যির সম্মুখীন হচ্ছে জগদ্ধাত্রী। উঠে আসছে পারিবারিক কেচ্ছা থেকে শুরু করে সম্পত্তির লালসার করা জঘন্য অপরাধ সব কিছুই। ইতিমধ্যে অনেকখানি সমস্যার সমাধান করে ফেলেছে জগদ্ধাত্রী। আর একটা প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলেই কেল্লাফতে। কৌশিকীকে দ্বিতীয় গুলিটা কে করেছিল? এই উত্তরটা জানতে পারলেই খেলা শেষ করবে জগদ্ধাত্রী।
ধারাবাহিকের এই দিনের পর্বে দেখা যায়, তুষার তীর্থ তলাপাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে জগদ্ধাত্রী। গোটা ডিপার্টমেন্ট এবং কৌশিকী প্রত্যেকেই তার পাশে দাঁড়িয়ে। তুষার কিছুই বলতে চায় না। সমস্ত বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়ার ভান করে সে। কিন্তু জগদ্ধাত্রী এত সহজে ছাড়ার পাত্রী নয়। তাকে জানতেই হবে সেদিন ঠিক কি হয়েছিল। জগদ্ধাত্রী তুষারকে বলে, যদি ভালোয় ভালোয় সে সবকিছু না বলে তাহলে এখানেই এনকাউন্টার করে দেবে। আর তুষার খুব ভালো করেই জানে, জগদ্ধাত্রী হলো তার ডিপার্টমেন্টের এনকাউনটার কুইন।
অবশেষে মুখ খোলে তুষার। সে বলে, “সেদিন গুলি দুটো চলার পর আমি বৈদেহি মুখার্জীকে ছুটে যেতে দেখেছিলাম। ঠিক কোথায় বা কার সাথে দেখা করতে গিয়েছিল সেটা খেয়াল নেই কারণ আমি মুখটা ভালোভাবে দেখতে পাইনি। তবে যতদূর দেখেছি জিন্স আর সোয়েটার পরেছিল।” সবটা শুনে জগদ্ধাত্রী বলে, এইতো তাহলে সবকিছুই মনে আছে। এই বলে তুষারকে কিছুদিনের জন্য আন্ডারগ্রাউন্ড করে দেওয়ার অর্ডার দেয় জ্যাস। অন্যদিকে স্বয়ম্ভুকে নিজের হাতে ভাত খাইয়ে দিতে থাকে বৈদেহি মুখার্জী।
আরো পড়ুন: “সেই সময় আমি ছিলাম রোগা আর তৃণা ছিল মোটা”- পুরনো স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে তৃনাকে নিয়ে বিস্ফোরক নীল!
স্বয়ম্ভু বুঝতে পারে সবটাই তার চালাকি। এরপর সে জানতে পারে তার সৎ মা কিছুদিন ধরে প্রেসারের ওষুধ খাচ্ছেন। কিসের জন্য প্রেসার বেড়েছে তার এই প্রশ্ন করতেই ভয় পেয়ে যায় বৈদেহি মুখার্জী। এরপর ঘুরিয়ে একাধিক প্রশ্ন করলে স্বয়ম্ভুকে ঠাস করে চড় মেরে দেয় সে। স্বয়ম্ভু থেমে থাকার পাত্র নয়, সে আরো পুলিশ সহ গোটা বাড়ি সার্চ করতে ঢুকে পড়ে। কৌশিকী কথাটা জেনে জগদ্ধাত্রীর উপর বেশ রাগারাগি করে তবে জগদ্ধাত্রী তাকে বোঝায় এটা না করলেই নয়। এরপর স্বয়ম্ভু নিজে রাজনাথ আর বৈদেহি মুখার্জীর আলমারি সার্চ করতে থাকে।

