চন্দ্রের বিরুদ্ধে মোক্ষম প্রমাণ নিয়ে হাজির কমলিনী! আর পালিয়ে বাঁচলো না চন্দ্র, অবশেষে এই মিথ্যে সম্পর্ক থেকে কমলিনী মুক্তি!

ধারাবাহিক (Bengali Serial) হলো সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার রসদ। আর এই ধারাবাহিকগুলি দেখার জন্য বাংলা বিনোদন জগতে একাধিক জনপ্রিয় চ্যানেল রয়েছে। স্টার জলসা (Star Jalsha), জি বাংলা (Zee Bangla), কালারস বাংলার মতো একাধিক চ্যানেলে বিভিন্ন ধরনের একাধিক বাংলা ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হয়।
আর সেই জনপ্রিয় কিছু বাংলা ধারাবাহিকের মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো স্টার জলসার চিরসখা। লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের কলমে এই ধারাবাহিকটি দর্শকের সামনে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিদিন রাত নটায় টিভির পর্দায় সম্প্রচারিত হয় এই ধারাবাহিকটি। বর্তমানে ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব। ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্বেই থাকছে নতুন নতুন টুইস্ট।

ধারাবাহিকে কমলিনী এবং চন্দ্রের ডিভোর্সের মামলা দেখানো হচ্ছে। চন্দ্রের মত একজন জাল জোচ্চোর মানুষের হাত থেকে রেহাই পেতে ডিভোর্সের মামলা করেছে সে। কিন্তু কমলিনীকে কোনোভাবে ডিভোর্স দেবে না চন্দ্র। তাই নানান রকম ভাবে কমলিনীকে এবং নতুন এর সম্পর্ক নিয়ে কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ির চেষ্টা চলছে। কিন্তু এবারে কমলিনী আদালতের সামনে এমন এক মোক্ষম প্রমাণ পেশ করল যা দেখে কার্যত সকলেই অবাক। কমলিনী এমন কিছু প্রমাণ দেবে সেটা দর্শক কল্পনাও করতে পারেননি।
কমলিনীর এই প্রমাণে বেকায়দায় পড়েছে প্রতিপক্ষ উকিল। তার এই প্রমাণের পরে আর কিছুই বলার থাকে না কারো। কারণ এই প্রমাণই বলে দিচ্ছে চন্দ্র এবং তার ডিভোর্সটা ঠিক কতটা জরুরী। ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো ভিডিওতে দেখানো হয়েছে যখন কোর্টে কমলিনী এবং নতুনের সম্পর্ক নিয়ে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি হচ্ছে তখন চন্দ্রর উকিল বলে নতুন এবং কমলিনী যা করছে তা দন্ডনীয় অপরাধ। কমলিনীর স্বামী থাকা সত্ত্বেও অন্য একজনের সাথে কমলিনী সম্পর্ক রাখছে, তার সাথে ঘুরতে যাচ্ছে। কিন্তু কমলিনী তখন কোর্টে বিচারককে জানান ৫৫ বছর বয়সে কমলিনী কার সাথে, কোথায় যাবে কি করবে সেটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আর এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তার রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ পারুলের কাছে দ্বিগুণ ঘৃণা নিয়ে ফিরে এলো রায়ান! এবারে নিজের জায়গা ফিরে পেতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নামল দাদুর নাতি!
ধারাবাহিকের প্রোমো দেখে বোঝা যাচ্ছে আর কয়েক দিনের মধ্যে চন্দ্রর হাত থেকে মুক্তি পাবে কমলিনী। ডিভোর্স কেসে জিতবে সে। কমলিনীর হাতে এমন কিছু প্রমাণ রয়েছে যা চন্দ্রর সব সত্যি ফাঁস করে দেবে। আর কমলিনী ডিভোর্স কেসে জিতে যাবে। আপনাদের কি মনে হয় এর মধ্যে কি কমলিনী প্রমাণ পেশ করতে পারবে আদালতে? আর যদি এর মধ্যেই চন্দ্রের হাত থেকে মুক্তি পায় কমলিনী তাহলে আপনাদের কেমন লাগবে?

