পারুলের কাছে দ্বিগুণ ঘৃণা নিয়ে ফিরে এলো রায়ান! এবারে নিজের জায়গা ফিরে পেতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নামল দাদুর নাতি!

বর্তমান সময়ে দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে একটি হল পরিণীতা (Parineeta)। জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত এই ধারাবাহিক দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে প্রথম দিন থেকেই। তাইতো টিআরপি তালিকাতেও (TRP List) প্রতি সপ্তাহে দারুন ফলাফল করে ধারাবাহিকটি। প্রতিদিন রাত আটটায় জি বাংলার পর্দায় এই ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হয়। রায়ান পারুলের জীবনের গল্প নিয়েই এগোচ্ছে ধারাবাহিকের পর্ব।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ইউনিভার্সিটির টিচাররা মিলে সিদ্ধান্ত নেয় পারুল এবং রায়ানের মধ্য যে কম্পিটিশন হয়েছিল সেটা আবার হবে। তারপর প্রিন্সিপাল শিরিনের থেকে জানতে চায় সে কাগজটা কোথায় ফেলেছে। শিরিন সত্যি কথা না বললে তাকে সারা জীবনের মতো সাসপেন্ড করে দেওয়া হবে। শিরিন ভয়ে সত্যি কথা বলে দেয়। ইউনিভার্সিটির এক ডাস্টবিনে শিরিন সেটা ফেলেছিল। তারপর সেই ডাস্টবিন নিয়ে এসে পারুলের লেখা খুঁজে বার করা হয়। পারুলের লেখা পড়ে কলেজের প্রিন্সিপাল এবং বাকি শিক্ষকরা তো বুঝতেই পারে এই লেখার সাথে রায়ানের লেখার কম্পিটিশন হওয়াটা দরকার। ওদিকে রায়ান শিরিনকে যা নয় তাই বলে। শিরিনের জন্য তাকে ছোট হতে হলো পারুলকে অপমান করলো রায়ান। সবকিছু হলো শিরিনের জন্য।

এরপরে আবার নতুন করে পারুলের লেখা সেই গানের মাধ্যমে কম্পিটিশন শুরু হয়। ইউনিভার্সিটির বাকিদের ডেকে আনা হয়। পারুল নিজেই তার লেখা গান সকলের সামনে পড়ে শোনায়। ইউনিভার্সিটির বাকি ছাত্র-ছাত্রীদের উপরে দায়িত্ব দেওয়া হয় পারুল কেমন লিখেছে সেটা জানানোর জন্য। বিশেষ করে রায়ানের কাছে জানতে চাওয়া হয় পারুলের লেখা তার কেমন লেগেছে। রায়ান পারুলের লেখা শুনে বলে পারুল নিঃসন্দেহে তার থেকে অনেক ভালো লিখেছে। কম্পিটিশনটা হলে হয়তো পারুলই জিততো। রায়ানের মুখে এই কথা শুনে প্রিন্সিপাল স্যার খুবই খুশি হন। এবং পারুলকে এবছরের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে।
তারপরেই রায়ানের নাম বোর্ড থেকে সরিয়ে দিয়ে পারুলের নাম সেখানে রাখা হয়। রায়ান দূর থেকে দাঁড়িয়ে সবকিছু দেখছিল। দুদিন আগে সবাই রায়ানকে নিয়ে মাতামাতি করছিল তাকে নিয়ে সেলিব্রেশন হচ্ছিল। আজ তার নামটাই সরিয়ে পারুলের নাম রাখা হয়েছে। রায়ান খুবই ভেঙে পড়েছে, কিছুতেই মন থেকে পারুলের জয় মেনে নিতে পারছে না। অন্যদিকে সবাই তো পারুলকে নিয়ে সেলিব্রেশনে মেতে ওঠে। হই হুল্লোড় করতে থাকে। রায়ান দূরে দাঁড়িয়ে শুধু দেখতে থাকে আর নিজের কথা মনে করতে থাকে।
আরও পড়ুনঃ হাতের নাগালে আসল অপরাধী! খুনি’কে ধরতে কথায় রওনা দিল রোহিত ফুলকি?
পারুল বুঝতে পারে রায়ানের কিছু একটা হয়েছে। সবাই চলে যাবার পর রায়ানকে নিজেই জিজ্ঞাসা করে তার কি হয়েছে। তাকে দেখে মনে হচ্ছে সে পারুলের জয়ে খুশি নয়। কিন্তু রায়ান বলে সে পারুলের জয়ে খুবই খুশি কিন্তু এতদিন পর্যন্ত ইউনিভার্সিটিতে রায়ান রাজত্ব করেছে আজ পারুল তার জায়গাটা কেড়ে নিল। বাড়িতে তো কেউ রায়ানের কদর করেই না, ইউনিভার্সিটিতেও পারুল রায়ানের জায়গাটা নিয়ে নিল। তবে এটা চুপ করে মেনে নেবে না সে। ফিরে আসবে সে পারুলকে হারাতে। ওইদিকে বাড়িতে সবাই পারুলকে নিয়ে মেতে ওঠে। কিন্তু পারুলের মন মেজাজ কিছুই ভালো নেই। কারণ রায়ান আবার তাকে ভুল বুঝছে, ইউনিভার্সিটিতে সবকিছুতে এগিয়ে থাকে রায়ান কিন্তু পারুল এই পুরস্কারটা ডিজার্ভ করে তাই তাকে দেওয়া হয়েছে। পারুল সবটা পিসিমণির সাথে ভাগ করে নেয়। পিসিমণি জানায় রায়ানের ইগোতে লেগেছে, তাই রায়ান এবারে দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে আঁচড়ে পড়বে পারুলের উপরে। পারুল যেন সেই ঝড় সামলানোর জন্য তৈরি থাকে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

