মেয়ের বিয়ের মন্ডপে প্রাণ হারালো হরিপদ বাবু! একটা ভুল বোঝাবুঝিতেই ওলট-পালট হয়ে গেল নিশা উজির জীবন! প্রকাশ্যে নতুন প্রোমো

বিনোদন জগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ধারাবাহিক (Bengali Serial)। আর এই ধারাবাহিক হলো সাধারণ মানুষের ভালো থাকার অন্যতম মাধ্যম। আর এই ধারাবাহিকগুলোর জন্যই বিকেল বেলাটা জমজমাট হয়ে ওঠে। ধারাবাহিকতে প্রতিদিন থাকে নতুন নতুন চমক। আর দর্শক তা ভালোভাবে উপভোগ করেন। টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television) এখন নানান ধরনের ধারাবাহিক হয়।
বর্তমানে বেশিরভাগ ধারাবাহিকগুলি হয় নারীকেন্দ্রিক। নারীদের ঘিরে ধারাবাহিকের নানান গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়। সেরকমই আরও একটি নারীকেন্দ্রিক ধারাবাহিক শুরু হয়েছে জি বাংলার পর্দায়। ধারাবাহিকের নাম জোয়ার ভাঁটা। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি এবং অভিনেত্রী শ্রুতি দাসকে। কিছুদিন হলো ধারাবাহিকের প্রথম পর্ব সম্প্রচারিত হয়েছে টিভির পর্দায়।
এই ধারাবাহিকের হাত ধরে দীর্ঘ কয়েক বছর পর টেলিভিশন জগতে ফিরছেন শ্রুতি দাস। গত দেড় বছর ধরে অভিনেত্রীকে টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যাচ্ছে না। শেষবার থেকে রাঙ্গা বউ ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছিল জি বাংলার পর্দায় অন্যদিকে আরাত্রিকা কিছুদিন আগেই তার মিঠিঝোরা ধারাবাহিক শেষ করেছে।
বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে অনেক কষ্ট করে হরিপদ বাবু নিজের বড় মেয়ের বিয়ের জোগাড় করেছে। নিজের স্ত্রী এর নামে রাখা জমি বিক্রি করে বড় মেয়ে নিশার বিয়ের আয়োজন করেছেন তিনি। ছেলের বাড়ির সমস্ত দেনা পাওনার কথা হয়ে গিয়েছে, কিন্তু ঋষির অনুপস্থিতিতেই তার জামাইবাবু এবং মেসোমশাই নিশার বাবার পাওনা টাকা মেটায়নি। বিয়ের আগের মুহূর্তে টাকা না পাওয়া নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলেন হরিপদ বাবু। কিন্তু তাও তিনি ঋষির উপরে আশ্বাস রেখেছিলেন। এদিকে ঋষি তো এ সমস্ত বিষয়ের কিছুই জানেনা।
আরও পড়ুনঃ শারদ উৎসবে উপস্থিত গোটা জি বাংলা পরিবার! কিন্তু অনুপস্থিত জিতু! বেছে বেছে জিতু কামালকেই বাদ দিলো জি! কিন্তু কেন?
এরইমধ্যে ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে ছেলের বাড়ির লোক বিয়ের মন্ডপে এসে উপস্থিত হয়েছে। পাত্রের বাবা নিশার বাবাকে জানিয়ে দেয় আগে দেনা পাওনার হিসেবে তিনি মেটাবেন তারপরে পাত্র বিয়ের মন্ডপে পা রাখবে। তারপরই বাইরে বেরিয়ে তিনি সকলকে চিৎকার করে বলতে থাকেন হরিপদ বাবু একজন ঠকবাজ। আর বাবার নামে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে শুনে রাগের মাথায় বেরিয়ে আসে নিশা এবং পাত্রের বাবার কলার চেপে ধরে। সেই পরিস্থিতিতে নিশার বাবার বুকে অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়। কিন্তু তার টাকাকে মেরেছে সেটা জানতে চাওয়া হলে প্রথমে ঋষির নামে উচ্চারণ করেন হরিপদ বাবু। তবে কি একটা ভুল বোঝাবুঝিতে ওলটপালট হয়ে যাবে নিশা উজির জীবন? দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

