জগদ্ধাত্রীর জীবনে পুরনো শ’ত্রু! সন্তানকে বাঁ’চাতে একি করল জগদ্ধাত্রী!

দীর্ঘ সময় ধরে চলা জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো জগদ্ধাত্রী (Jogotdhatri)। জি বাংলার পর্দার আরো একটি অন্যতম পুরনো ধারাবাহিক যা দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। কিন্তু দর্শকের মনে এখনও এই ধারাবাহিক নিয়ে টানটান উত্তেজনা রয়েছে। ধারাবাহিকটি প্রতি সপ্তাহে ভালোই ফলাফল করছে।
ধারাবাহিকে শেষ কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছিল জগদ্ধাত্রী আ’শঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এদিকে জগদ্ধাত্রীকে নিয়ে চিন্তা করছে স্বয়ম্ভু। আর ডাক্তার সেদিনই জগদ্ধাত্রীর ব্রেনের বড় অ’সুখের কথা জানায়। স্বয়ম্ভু এর আগে এই বিষয়ে কিছুই জানতো না, জগদ্ধাত্রী পুরোটাই গোপন করে গিয়েছিল স্বয়ম্ভুর কাছে। স্বয়ম্ভু জানতে পেরে তো ভীষণ ভ’য় পেয়ে যায় সে। এর কিছুক্ষণ পরেই আবার ডাক্তার কেবিনে ডেকে আনে স্বয়ম্ভুকে। জানায় তার স্ত্রী একেবারেই বি’পদমুক্ত এবং স্ত্রী সন্তান দুজনই ভালো রয়েছে। তাই চিন্তা করার কোন দরকার নেই। এ সমস্ত কথা শুনে স্বয়ম্ভু একটু হলেও চিন্তামুক্ত হয়। অন্যদিকে উৎসবকে পুলিশ অ্যারেস্ট করেনি তাকে খোলা ছেড়ে দিয়েছে। কারণ স্বয়ম্ভু তাকে এন’কাউনটার করতে চায়। এদিকে মেহেন্দি এ কথা জানার পর উৎসবকে রক্ষা করার দায়িত্ব নিয়েছে।

জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ৬ অক্টোবর (Jogotdhatri Today Episode 6 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে জগদ্ধাত্রীর কাছে হঠাৎ একটি অজানা নাম্বার থেকে ফোন আসে। ফোনটা ধরার পরে ওপার থেকে একজন পুরুষ কন্ঠ কথা বলতে থাকে। জানায় সে ফিরে আসছে। কিন্তু কার কণ্ঠস্বর কিংবা কে কথা বলছে সে কথা বুঝতে পারেন না জগদ্ধাত্রী। জগদ্ধাত্রী বারবার জানতে চায় কিন্তু তিনি তার পরিচয় অজ্ঞাত রাখে।
এরপর দেখা যায় একজন কথাকলি নৃত্য শিল্পীদের মত সেজে জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে ফোনে ভয় দেখাচ্ছে রীতিমত। আসলে এর আগেও জগদ্ধাত্রীর সঙ্গে এরকম একজন ব্যক্তির আলাপ হয়েছিল। যিনি কথাকলি নাচে পারদর্শী। তার সঙ্গে জগদ্ধাত্রীর পুরোনো শ’ত্রুতা রয়েছে। তিনিই আবার নতুন করে জগদ্ধাত্রীর জীবনে ফিরে আসছেন কিনা সেটাই প্রশ্ন।
আরও পড়ুনঃ শ্যামলীর হাতে এল বিরাট প্রমাণ! তীর্থঙ্করের খেলা শেষ!
অন্যদিকে উৎসবকে বাইক নিয়ে কয়েকজন তা’ড়া করে। তার মধ্যে একজন হল স্বয়ম্ভু। ব’ন্দুক হাতে নিজের ভাই উৎসবকে টা’র্গেট করে। এরপর স্বয়ম্ভু ব’ন্দুক ঠেকায় উৎসবের মাথায়। ঠিক তখনই সেখানে এসে হাজির হয় মেহেন্দি। মেহেন্দি এসে স্বয়ম্ভুর কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ করে উৎসবকে না মা’রার জন্য। মেহেন্দি বলতে থাকে তার সংসারটা সে সবে ফিরে পেয়েছে। উৎসবকে সে ফিরে পেয়েছে নতুন করে। তাই উৎসবের যেন কোনরকম ক্ষ’তি না করে স্বয়ম্ভু। মেহেন্দি কথা শুনে স্বয়ম্ভু ছেড়ে দেয় উৎসবকে। যদিও স্বয়ম্ভু আসলে কোনদিনই উৎসবের ক্ষ’তি করত না। উৎসব তার নিজের রক্তের ভাই তার ক্ষ’তি করার কথা স্বয়ম্ভু ভাবতেও পারে না।

