জেলে গিয়ে উৎসবকে সাবধান বার্তা জগদ্ধাত্রীর! নিজেকে জগদ্ধাত্রী প্রমাণ করতে আরও এক মোক্ষম চাল দুর্গার!

বহু পুরনো ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হল জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)জি বাংলার (Zee Bangla) এই ধারাবাহিক তিন বছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় দর্শকদের মন জয় করে আসছে। ধারাবাহিকের জুটি জগদ্ধাত্রী ও স্বয়ম্ভুকে অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন দর্শক। তবে বর্তমানে ধারাবাহিকে চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব। যার জন্য একটা এপিসোডও মিস করতে চাইছে না দর্শক।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে দুর্গা যে জগদ্ধাত্রী সেজে বসে আছে সেটা এখনো পর্যন্ত কেউ বুঝতে না পারলেও সন্দেহ করছে। তাই জন্য বারবার মেডিকেল রিপোর্ট যাচাই করে দেখতে চাইছে মেহেন্দি। কিন্তু কৌশিকী দুর্গা মিলে এমন সুন্দরভাবে তাদের প্ল্যান সাজিয়েছে যে কোনভাবে মেহেন্দি ধরতে পারবে না কে আসল জগদ্ধাত্রী।

এদিকে মেহেন্দি শ্রীমতি ম্যাডামকে ফোন করে জগদ্ধাত্রীর মেডিকেল রিপোর্ট দেখতে চায়। মেডিকেল রিপোর্টে কি কি এসেছে জগদ্ধাত্রী আদৌ কতটা সুস্থ সেই নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে তাদের মনে। মেহেন্দির শুরু থেকে ব্যাপারটা খটকা লাগছে এত তাড়াতাড়ি কিভাবে সুস্থ হয়ে উঠল জগদ্ধাত্রী সেটাই তাকে বারবার ভাবাচ্ছে।

অন্যদিকে দুর্গা এসে মেহেন্দি এবং শ্রীমতি ম্যাডামকে কথা বলতে শুনে নেয় তখনই দুর্গা ফোন নিয়ে শ্রীমতি ম্যাডামকে জানিয়ে দেয় তার মেডিকেল রিপোর্ট পাঠিয়ে দিতে যাতে মেহেন্দি আর কোনরকম সন্দেহ করতে না পারে। কিন্তু মেহেন্দির মনে অনেক প্রশ্ন উঠে আসে তাই সে দুর্গাকে প্রশ্ন করে বসে আসলেই সে জগদ্ধাত্রী কিনা। কারণ তার ত্বক চোখ মুখ এতটাই সতেজ একেবারে অল্প বয়সী মেয়েদের মত। ঘাবড়ে না গিয়ে খুব শান্তভাবে উত্তর দেয় দুর্গা। এরপরে দুর্গা যায় হাসপাতালে প্রমাণ জোগাড় করতে। সেখানে গিয়েই কৌশিকীকে ফোন করে। কৌশিকী জানিয়ে দেয় কোথায় কি আছে। হাসপাতালের মাথায় কার হাত আছে। দিব্যা সেন এবং তুষার বাবু হাসপাতালের পেছনে অনেক টাকা ঢেলেছে। তাই তাদের দখলে রয়েছে সেই হাসপাতাল। দুর্গাকে সেখানে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হবে। তাই দুর্গা যেন সাবধানে পা ফেলে।

আরও পড়ুনঃ আকাশের গুলিতেই সব শেষ! বোনের ভালবাসায় অন্ধ হয়ে হ’ত্যালীলায় মাতলো আকাশ!

সেই মতই হঠাৎ করে পেছন থেকে একজন ওয়ার্ড বয় এসে দুর্গাকে নানান রকম প্রশ্ন করতে থাকে। দুর্গা জগদ্ধাত্রী সেজে সব প্রশ্নের উত্তর দেয়। তারপরে সেই ওয়ার্ড বয় গিয়ে দিব্যা সেনকে সমস্ত খবর দেয়। দিব্যা সেন জগদ্ধাত্রীকে মেরে ফেলার আদেশ দেয়। আসলে জগদ্ধাত্রী বেশে দুর্গা যে হাসপাতালে রয়েছে সেটা তো কেউ জানেই না। এরপর দুর্গাকে কতগুলো গুন্ডা মারতে আসে। কিন্তু লাভ হয় না। দুর্গা একাই সেই গুন্ডাদের মেরে কুপোকাত করে দেয়। এরপর সেই দুই গুন্ডাকে ডিপার্টমেন্টে নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়। কিন্তু দিব্যা সেনের উকিল এসে তাদেরকে নির্দোষ প্রমাণ করতে থাকে। তবে জগদ্ধাত্রী তো এত সহজে ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়। ওইদিকে জগদ্ধাত্রী জেলে গিয়ে উৎসবকে হুমকি দিয়ে আসে। যেভাবে যে কারণে উৎসবকে জগদ্ধাত্রী কয়েক বছর আগে মেরেছিল এবারও সেই ভাবেই শায়েস্তা করবে তাকে।

Back to top button