আকাশের গুলিতেই সব শেষ! বোনের ভালবাসায় অন্ধ হয়ে হ’ত্যালীলায় মাতলো আকাশ!

স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় বেশ কয়েক মাস আগে শুরু হওয়া একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো গৃহপ্রবেশ (Grihoprobesh)। এই ধারাবাহিকে সুস্মিত (Sushmit Mukherjee) উষসীর (Usashi Ray) দারুণ কেমিস্ট্রি দেখতে পাচ্ছেন দর্শক। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মনে এই ধারাবাহিক নিজেদের জায়গা তৈরি করে নিচ্ছে। বর্তমানে তো টিআরপি তালিকাতেও বেশ ভালো ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে, এক থেকে পাঁচের মধ্যে উঠে আসছে এই ধারাবাহিকের নাম।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শুভ এমন এক প্রমাণ মোহনার সামনে এনে হাজির করে যেটা শোনার পর মোহনা আর নিজের কথা বলার মত জায়গায় থাকে না। শুভ ডক্টর দময়ন্তীর কাছে গিয়েছিল মোহনার সত্যি জানার জন্য। শুভলক্ষ্মী পুলিশের ভয় দেখিয়ে তার পেট থেকে কথা আদায় করে। পুলিশের ভয়ে শুভকে সব সত্যি জানিয়ে দেয় দময়ন্তী। সে মোহনার খুব ভালো বন্ধু, তাই মোহনার মিথ্যে প্রেগনেন্সির নাটকে তাকে সাহায্য করেছে। সব মিথ্যে রিপোর্ট তাকে বানিয়ে দিয়েছে। আর এই সমস্ত বয়ান নিজের ফোনে রেকর্ড করে নেয় শুভ। সেই রেকর্ডিং বাড়ির সকলের সামনে তুলে ধরে শুভ। এরপরই বাড়িতে এসে হাজির হয় আকাশ।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, আকাশ তো বোনের ভালবাসায় অন্ধ হয়ে সবকিছু ধ্বংস করতে চলে আসে। সবাইকে ভয় দেখাতে থাকে, মেরে ফেলার হুমকি দেয়। সকলেই আকাশকে শান্ত করতে চেষ্টা করে। কিন্তু আকাশ কোন ভাবেই শান্ত হয় না। তার মাথায় রাগ উঠে গিয়েছে। এদিকে মোহনা আকাশকে আরো রাগিয়ে তোলার জন্য উস্কানি দিচ্ছে। আকাশ যখন বন্দুক বার করে আদির উপর গুলি চালানোর হুমকি দেয় তখনই সামনে এসে দাঁড়ায় শুভ। শুভ জানিয়ে দেয় তার পরিবারের কোনো ক্ষতি করতে হলে আগে শুভকে পেরিয়ে যেতে হবে।
কিন্তু আকাশ শুভর কোন ক্ষতি চায় না তাই বারবার শুভকে সরে যেতে বলে। আর এটাও জানিয়ে দেয় শুভর সামনেই তার পরিবারের প্রত্যেককে গুলি করবে আকাশ। নিজের বোনের ভালোবাসায় আকাশ এতটাই অন্ধ হয়ে গিয়েছে যে শুভর কোন কথা শুনছে না। সত্যি মিথ্যে বিচার করছে না। কোনটা ঠিক কোনটা ভুল সেটা বোঝার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছে আকাশ। এরপর আকাশের সাথে শুরু হয় আদৃত এর হাতাহাতি। আর সেই হাতাহাতিতেই হঠাৎ করে গুলি ছিটকে যায় শুভলক্ষ্মীর দিকে। ভাগ্যক্রমে শুভলক্ষ্মীর কোন ক্ষতি হয় না। গুলি গিয়ে লাগে কাচের জানলার উপরে। শুভ ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। সেটাই সহ্য করতে না পেরে আকাশের সাথে হাতাহাতি শুরু করে আদি। কোন রকমে দুজনকে থামায় আকাশের মা।
আরও পড়ুনঃ কমলিনীর ঘাড়ে চেপে বসলো চন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী! সম্পত্তি আদায় করতে ভয়ংকর পথ অবলম্বন করলো চন্দ্র!
এরপর কোনরকমে ছেলেকে শান্ত করেন তিনি। তারপর শুভ আকাশকে বলে মোহনা এতদিন সকলকে বোকা বানিয়েছে। মিথ্যে প্রেগন্যান্সির নাটক করে সবাইকে মিথ্যের জালে জড়িয়েছে। নিজের স্বার্থসিদ্ধি করার জন্য আকাশকে পর্যন্ত অন্ধকারে রেখেছে। আকাশ তো প্রথমে বোনের এই সমস্ত কুকীর্তির কথা বিশ্বাসই করতে চায় না। এর পর বাড়ির সকলে মিলে আকাশ এবং মোহনাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলে। তখনই আকাশের মা শুভর কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চায় সব কিছুর জন্য। নিজের ছেলে মেয়েকে তিনি জেলে দেখতে পারবেন না কোনোভাবেই তাই শুভর কাছে ভিক্ষে চায়। যাতে শুভ পুলিশে খবর না দেয়। শুভ মায়ের চোখের জল দেখতে না পেরে এবারের মতো ক্ষমা করে দেয়। কিন্তু মোহনা যেন তাদের বাড়িতে আর কোন ভাবেই আসতে না পারে সেই ব্যাপারে সাবধান করে দেয়। আকাশের মা কথা দেয় মোহনা কোনদিনও আর তাদের বাড়ির আশেপাশেও আসবে না। এদিকে মোহনা অজ্ঞান হয়ে আছে দেখে আকাশ তড়িঘড়ি করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু আসলে সবটাই মোহনার নাটক। অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকার নাটক করছিল সে। আবার ফিরে এসে সবকিছু শেষ করে দেওয়ার কথা ঠিক করে নেয় মনে মনে।

