নিজের হাতেই ছেলের খুনিদের শাস্তি দিলো বিজয়লক্ষ্মী! বাধা দিতে গিয়ে চাকরি হারালো জগদ্ধাত্রী!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিকের তকমাটা হারিয়ে ফেলেছে জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। প্রথম থেকে দুই সপ্তাহ ধরে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই মেগা। তবে ধারাবাহিকের আকর্ষণীয় প্লট দেখে দর্শকদের ধারণা খুব তাড়াতাড়ি আবারো বেঙ্গল টপারের জায়গা ছিনিয়ে নেবে। জগদ্ধাত্রী। এই ধারাবাহিকের নায়িকাকে প্রচন্ড পছন্দ করেন দর্শক মন্ডল। ফলে ৮ থেকে ৮০ প্রত্যেকেই এই ধারাবাহিকের ভক্ত হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি এক অনেক বড় বিপদের সম্মুখীন হয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা জ্যাস।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বহুদিন ধরে এক জটিল কেসের সুরাহা করার চেষ্টা করে চলেছে জগদ্ধাত্রী। তার সঙ্গে কেউ সেভাবে সহযোগিতা করেনি, আর উপমহলের ঘটনা হওয়ায় এই বিষয়গুলো নিয়ে খুব বেশি কথাবার্তাও কারো সঙ্গে বলতে পারেনি জগদ্ধাত্রী। কিন্তু তারপরেও নিজের অন্তর্দৃষ্টিকে কাজে লাগিয়ে এবং বুদ্ধির জোরে সমস্যার সমাধান করে ফেলেছে সে। এতদিনকার অমীমাংসিত জট ছাড়িয়ে অপরাধীদের সামনে এনেছে নায়িকা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জগদ্ধাত্রীর জেরার মুখে পড়ে নাজেহাল অবস্থা হয়েছে রাহুলের। কোন কিছুই স্বীকার করতে চাইছে না সে। তাই নিজেই তাদের কৃতকর্ম তাদের সামনে খুলে বললো জগদ্ধাত্রী। যা শুনে ভয় গুটিয়ে গেল অপরাধীরা। জগদ্ধাত্রী ঠিক যেভাবে অনিন্দিতাকে সবটা খুলে বলেছিল ঠিক তেমন করে রাহুলকেও বলে। অনিন্দিতার চলে যাওয়ার পর ঋষির মাথায় আরো একবার আঘাত করেছিল রাহুল আর যার ফলস্বরূপ তখনই মৃত্যু ঘটে তার। সত্যি বলায় এর কোন প্রতিবাদ করতে পারে না কেউই। জগদ্ধাত্রী বলে, তাহলে সমস্ত রহস্যের সমাধান হয়ে গিয়েছে এবার সে বিজয়লক্ষীকে সবটা জানাতে চলেছে। শুনে খুব ভয় পেয়ে যায় অনিন্দিতা আর রাহুল। অনিন্দিতা বলে উনি সব জানলে তাদেরকে মেরে ফেলবেন। কিন্তু জগদ্ধাত্রীকে তো তার ডিউটি পালন করতেই হবে।

বিজয়লক্ষ্মী এসে অনিন্দিতা আর রাহুলকে বলে, “কেন এমনটা করলে তোমরা? কী শান্তি পেলে আমার ছেলেটাকে মেরে? তোমরা তো আইনি সহায়তা নিতে পারতে। পুলিশের কাছে যেতে পারতে। কেন মেরে ফেললে ওকে? নিজের হাতে তোমাদের মেরে ফেলবো। তোমাদেরকে শাস্তি দেবো আমি।” এসব শুনে জগদ্ধাত্রী বিজয়লক্ষীকে বলে “দয়া করে আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। আমি চোখের সাথে এসব দেখতে পারবো না।” এসব শুনে বিজয়লক্ষী বলে, “আপনার চাকরিটা কিন্তু আমার হাতে। বেশি কথা বললে আপনার চাকরিটা কিন্তু থাকবে না। আর সেই ক্ষমতা আমার আছে ভুলে যাবেন না।” এসব শুনে জগদ্ধাত্রী আর কিছু বলতে পারে না।

আরো পড়ুন: পর্ণাকে বাঁচাতে তার সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ালো কৃষ্ণা, কায়দা করে অয়নকে দিয়েই সত্যি বলালো সে!

অন্যদিকে, চন্দ্রবদন বেশ উত্তেজিত হয়ে ছুটে আসে কৌশিকী মুখার্জীর কাছে। কারণ সে জানতে পেরেছে বৈদেহি মুখার্জীর ব্যাংক একাউন্ট থেকে সব টাকা অন্য কোনো একাউন্টে ট্রান্সফার হয়ে গেছে। আর সেটা নাকি করেছে স্বয়ম্ভু। এই নিয়ে তর্ক বিতর্ক সৃষ্টি হয় স্বয়ম্ভু আর তার কাকার মধ্যে। কৌশিকী কিছুই বুঝে উঠতে পারে না। সে বলে, অফিসে গিয়ে সবটা খতিয়ে দেখবে কৌশিকী। চন্দ্রবদন আর স্বয়ম্ভুকে এভাবে ঝামেলা করতে বারণ করে সে।

Back to top button