সবসময় টপার হতে ভালো লাগে না! টিআরপিতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে টপার হওয়ানিয়ে কী বললেন অঙ্কিতা?

বর্তমানে বাংলার ধারাবাহিক জগতে প্রথম এবং শেষ কথা বলে টিআরপি। যে ধারাবাহিকের টিআরপি যত বেশি সেই ধারাবাহিকের টিকে থাকার ক্ষমতাও তত বেশি। আরটিআরপি কম হলে যতই মানুষের পছন্দ হোক না কেন সেই ধারাবাহিক টেলিভিশনের স্লট দখল করে থাকতে পারে না। এমন অনেক ধারাবাহিক রয়েছে যেগুলি শুরু হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই টিআরপি কম থাকায় মুখ থুবড়ে পড়েছে এবং বন্ধ হয়ে গেছে।
এক সপ্তাহের অপেক্ষার পর অবশেষে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হল বাংলা মেগা সিরিয়াল ও রিয়েলিটি শোয়ের টিআরপি তালিকা। আর এই সপ্তাহেও ‘অনুরাগের ছোঁয়া’-কে টপকে ফের তালিকার সিংহাসনে আসীন হল ‘জগদ্ধাত্রী’। সূর্য-দীপার রসায়নকে দর্শকরা দিল দ্বিতীয় স্থান। চতুর্থ স্থানে থেকে এবার তৃতীয় স্থানে রইল উঠে এল ‘গৌরী এলো’। চতুর্থ স্থানে নেমে গেল ‘নিম ফুলের মধু’ ধারাবাহিকটি। এই সপ্তাহে ফের পঞ্চম স্থানে উঠে এল ‘রাঙা বউ’ ধারাবাহিকটি। তবে যে যেই স্থানেই থাকুক না কেন জগদ্ধাত্রী সবার উপরে।
এই সিরিয়ালের বৈশিষ্ট্য কী? এই সিরিয়াল যে গল্প নিয়ে শুরু করেছিল, অর্থাৎ নায়িকার অ্যাকশনধর্মী প্লট, তা এখনও পর্যন্ত ধরে রাখতে পেরেছে অবিকল। এ তো গেল এক নম্বর পয়েন্ট। একটা সময় গ্রামে-গঞ্জে মারাপিঠওয়ালা গল্প খুবই চলত। সেই সব গল্পে কিন্তু থাকত মা-বোনেদের কান্না, সংসারের কূটকচালী। ‘জগদ্ধাত্রী’তে নায়িকা অ্যাকশনে।
সে-ই হিরো এই গল্পের। লেখক স্নেহাশিস চক্রবর্তীর গল্পে যেমনটা আরকী লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু এই নায়িকার মধ্যে কান্না কম, আপোশ কম, মারামারি বেশি। জগদ্ধাত্রী তাই জ্যাস হয়ে দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালন করছে। আর তাই মা-কাকিমাদের পাশাপাশি, একটা সময় ‘প্রসেনজিৎ-চিরঞ্জিতের মারামারিওয়ালা’ সিনেমা দেখা বাবা-কাকারাও ‘জগদ্ধাত্রী’ উপভোগ করছেন।

এবার টিআরপি নিয়ে নিজের মনের কথা দর্শকদের সঙ্গে শেয়ার করলেন জগদ্ধাত্রী অর্থাৎ অভিনেত্রী অঙ্কিতা। তার মতে সব সময় টপার হতে থাকলে টপ করার মজাটাই চলে যায়। তাই লড়াই নয় বরং সুস্থ কম্পিটিশন থাকাই একান্ত কাম্য হওয়া উচিত। তার এই কথার সঙ্গে সম্পূর্ণ সহমত দর্শকরাও। সত্যি ই তাই, হারলে তবেই যে তার ইচ্ছেটা বাড়ে। প্রতিবার জিততে থাকলে জেতার মজা চলে যায়।

