বাস কন্ডাক্টরের কথায় সুইটির আসল রূপ জেনে গেল পর্ণা! প্রথমবার নিজের বৌমার পাশে এসে দাঁড়ালো কৃষ্ণা!

সব সময় সমস্ত বিপদের থেকে নিজের স্বামীকে রক্ষা করতে করতে এইবারটা আর শেষ রক্ষা করতে পারল না জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। সে এতদিন অবধি কাউকে নিজের স্বামীর ধারে কাছে ঘেঁষতে দেয়নি। তিন্নি ইশা প্রত্যেকের সমস্ত চেষ্টাকেই ব্যর্থ করে দেখিয়েছে সে। কিন্তু এইবার তার অবর্তমানে একটা অন্য মেয়ের সাথে বিয়ে হয়ে গেল সৃজনের।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন ইশার হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে নতুন বিপদের মধ্যে পড়ে। ছলনার আশ্রয় নিয়ে ঠকানো হয় সৃজনকে। পর্ণার অনুপস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটা ঠক জোচ্চোর মেয়ের সাথে বিয়ে হয়ে যায় নায়কের। কিন্তু এখনো অবধি সেই মেয়েটার নাটক বাজি ধরতে পারেনি পর্ণা। তাই গ্রামবাসীর মিথ্যের নাটকে ভয় পেয়ে সেই মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায় নায়ক নায়িকা। তারা নিজের সাথে করে কত বড় সর্বনাশ বয়ে বেড়াচ্ছে সেটা হয়তো তারা নিজেও বুঝতে পারে না।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা আর সৃজন বাসে উঠে পড়ে। তার কিছুক্ষণ পরে বাসে উঠে যায় সুইটি। এই মেয়েটাকে দেখে বাস কন্ডাক্টার প্রচণ্ড রেগে যায়। সে বলে, এই মেয়েটা এই বাসে চড়তে পারবে না। এর গ্রামের প্রত্যেকে ঠকবাজ। এই মেয়েগুলো প্রচন্ড ভয়ংকর হয়। কিন্তু পর্ণার অনুরোধে শেষ পর্যন্ত এই বিষয় নিয়ে আর জল ঘোলা হয়নি। বাসের মধ্যে সৃজন পর্ণাকে বলে, তাদের বোধহয় আর এই ঝামেলা বয়ে নিয়ে বেড়ানো উচিত হবে না। তাই তাদের উচিত বাস থেকে নেমে ক্যাব বুক করে নিজেদের মতন বাড়ি চলে যাওয়া। কিন্তু সৃজনের সেই গুড়ে বালি।
সুইটি ঘুমোচ্ছে দেখে যখন তারা বাস থেকে নেমে গিয়ে গাড়িতে উঠতে যায় তখনই পর্ণার পা ধরে কান্নাকাটি শুরু করে দেয় সুইটি। সে বলে এই কলকাতা শহরে তার কেউ নেই সে এখানে কাউকে চেনে না। তারা যদি তাকে ফেলে চলে যায় তাহলে সে একেবারে জলে পড়ে যাবে। কথাগুলো শুনে খুব কষ্ট হয় পর্ণার। তাই অবশেষে তাকে সাথে করে বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেয় নায়ক নায়িকা। বাড়ি ফিরতেই সৃজনকে বরের বেশে দেখে এবং ওই মেয়েটিকে অর্থাৎ সুইটিকে বউয়ের বেশে দেখে চমকে যায় বাড়ির প্রত্যেকে।
আরও পড়ুন: জি বাংলার জনপ্রিয় শো-এর স্টুডিও পু’ড়ে ছা’ই! অনির্দিষ্টকালের জন্য ব’ন্ধ শুটিং!
তখন পর্ণা সবাইকে জানাই, তাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। আর সৃজনের সাথে যেটা হয়েছে সেটা চরম অন্যায়। ওই গ্রামের লোকজন জোর করে এই মেয়েটিকে তাদের ঘাড়ে গুছিয়ে দিয়েছে। এই মেয়েটির কোন দোষ নেই। সবাই পরিস্থিতির শিকার। সুইটি এত বড় বাড়ি দেখে একেবারে হা হয়ে যায়। এরপর সে যখন সবাইকে প্রণাম করতে যায় কেউ তার প্রণাম নিতে চায় না। কৃষ্ণা এগিয়ে এসে বলে, এই মেয়েটা যেন এক্ষুনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এই মেয়ের কোন জায়গা নেই দত্তবাড়িতে।

