গলায় কালি পটকা ঝলাতেই গড় গড় করে সব স্বীকার করলো ইশা, হাঁ হয়ে গেলো গোটা দত্ত পরিবার!

একেবারে জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিক। বহুদিন ধরে ধারাবাহিকের ভক্তরা অপেক্ষা করে বসে ছিলেন এই দিনটির জন্য। তারা চাইছিলেন কবে ইশার সমস্ত জারি জুড়ে শেষ হবে আর সবার সামনে সে ধরা পড়বে। এইবার ঠিক সেটাই হলো। আরো একবার বাজিমাত করলো পর্ণার বুদ্ধি।

ধারাবাহিকের বর্তমান পর্বগুলি এত বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে যে তার প্রভাব পড়ছে টিআরপিতেও। বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সৃজন একসাথে ফাঁদ পাতে ইশার জন্য। তারা জানত একবার যদি তাদের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয় তাহলে ওই ফাটল বেয়ে উঠে আসার চেষ্টা করবে ইশা আর ঠিক সেটাই হলো। এই সুযোগটা কে কাজে লাগালো ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনুভব সৃজনের হাতে চিঠিটা দিয়ে কোন রকমে টেবিলের নিচ থেকে বেরিয়ে আসে। চিঠিতে পর্ণা লিখে পাঠিয়েছিল, হীরের হাড়ের লোভ দেখিয়ে ইশাকে অন্য ঘরে নিয়ে যেতে হবে। এই কাজটা করতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি সৃজনকে। গিফটের নাম শুনেই ইশা লাফাতে শুরু করে আর সৃজনের সঙ্গে অন্য ঘরে যেতে রাজি হয়ে যায়। সেই ঘরটা এত সুন্দর করে সাজানো ছিল যে কোন সন্দেহই হয় না ইশার, উল্টে সে খুব খুশি হয়। তারপর সৃজন ইশাকে গিফট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে একটা চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে ফেলে।

তারপর ইশার গলায় পরিয়ে দেওয়া হয় কালী পটকার মালা। ইশা প্রথমে ভেবেছিল ওটা হয়তো কোনো ডায়মন্ড নেকলেস, কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি তার এই ভুল ধারণা ভেঙে যায়। কারণ সেখানে চলে আসে পর্ণা আর সৃজনকে বলে ইশার চোখের বাধনটা খুলে দিতে। চোখ খুলতে নিজের গলায় এত বড় একটা কালিপটকা আর মালা ঝুলতে দেখে ভয় পেয়ে যায় ইশা। এরপর একে একে দত্ত বাড়ির প্রত্যেকে চলে আসে সেই ঘরে। প্রথম চটকে কৃষ্ণা ইশার হয়ে খুব কথা বললেও পরবর্তীতে সে বুঝতে পারে এখন যদি বেশি দরদ দেখাতে যায় তাহলে সে নিজেই বিপদে পড়বে।

এরপর সলতেতে আগুন লাগিয়ে দেয় পর্ণা। ইসার হাতে এখন মাত্র কয়েকটা মিনিট মাত্র। এর মধ্যে যদি সে সব কিছু স্বীকার না করে, তাহলে চরম সর্বনাশ ঘটবে তার। আর কোন উপায় না পেয়ে একে একে ছবি বিকৃত করা, শাড়ির গোডাউনে আগুন লাগানো, জেঠুর দোকানে কেমিক্যাল মেশানো, তরঙ্গ নাতাশাকে ধরিয়ে দেওয়ার প্ল্যান করা, অনুভবকে সৃজন এর মতন একই দেখতে টুপি গিফট করা এবং অনুভবের সাথে পর্ণার কলেজ টাইমে ছবি পাঠানো এই সবকিছু নিজের মুখে স্বীকার করে নেয় সে। অবশেষে জারিজুরি শেষ হলো ইশার।

Back to top button