শ্রোতাকে চুলের মুঠি ধরে বের করে দেওয়ার হু’মকি! বাংলা গানের অপমান মানতে নারাজ ইমন চক্রবর্তী!

ইমন চক্রবর্তী (Iman Chakraborty), যাকে নিয়ে বর্তমানে মেতে রয়েছে গোটা বাংলার মানুষ। যার গান পৌঁছে গিয়েছে দেশের বাইরে। এতদিনে নিশ্চয়ই আপনার প্রত্যেকে জানতে পেরেছেন ইমন চক্রবর্তীর বাংলা গান মনোনীত হয়েছে অস্কার পুরস্কারের (Oscar Award) জন্য। এই প্রথম কোন বাঙালি গায়ক বা গায়িকার গান মনোনীত করা হয়েছে অস্কার পুরস্কারের জন্য।
সম্প্রতি ইমন চক্রবর্তী একটি বিচ্ছিরি ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন। যা একেবারেই আশা করা যায় না বাংলার মানুষের থেকে। জনপ্রিয় গায়িকা হওয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে অনুষ্ঠানে গান গাইতে হয় ইমন চক্রবর্তীকে। সেই তালিকা অনেকেই রয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এর আগেও গান গাইতে গিয়েছেন ইমন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠে যখন গান করেন তখন হামেশাই একটা আবদার আসে হিন্দি গান করার জন্য।

ভরা মঞ্চে সপাটে জবাব দিলেন ইমন
শুক্রবার রাজারহাটের আরেক অনুষ্ঠানেও সেই রকম একই অন্যায় আবদার করা হয় ইমনের কাছে। ‘বাংলা গান শুনব না, হিন্দি গান করুন।’ অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই ইমন চক্রবর্তী বললেন, “জোরের সঙ্গে বলা যে, আমি বাংলা গান শুনব না- এটা অন্য কোন জায়গা হলে চুলের মুঠি ধরে ক্যাম্পাস থেকে বার করে দিত। বাংলায় থাকছ। বাংলায় রোজগার করছ। বাংলা গান শুনবে না বলছ? এই রাজ্যের নাম বাংলা। পাঞ্জাবি গান হোক বা মারাঠি গান কিংবা ইংরেজি গান, যা শোনার নিজের বাড়িতে শোনো। কিন্তু তোমার সাহস হল কী করে, আমায় বাংলা গান গাইতে না বলার? এই সাহস কে দিল? এই ভন্ডামিগুলো কোরো না। সাহস থাকলে স্টেজে এসো।”
View this post on Instagram
ইমনের এই বক্তব্য শুনে তার সমর্থকরা প্রত্যেকেই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। গায়িকার এক ভক্ত এই মুহূর্তের ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে। সেই ভিডিও এখন ভাইরাল। এর আগে বহুবার ট্রোল, সমালোচনায় শিকার হয়েছেন গায়িকা। কখনো সারেগামার মঞ্চে আমার কখনো নিজের পোশাকের কারণে।
আরও পড়ুনঃ জাদু করলো শুভলক্ষীর হতে তৈরি ভোগ! নাক কাটা গেল জিনিয়ার! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
এই ঘটনার পর ভরা কনসার্টের মাঝেই মেজাজ হারিয়ে ফেললেন গায়িকা সোশ্যাল মিডিয়ায় বর্তমানে ভাইরাল সেই ভিডিয়ো। প্রত্যেক রাজ্যে নিজের ভাষাকে যথেষ্ট সম্মান করা হয়। তাঁর কথায়, “চেন্নাই হোক বা দিল্লি— যে কোনও শহরেই প্রত্যেকে নিজের ভাষায় কথা বলেন। সেই জন্যই ওদের ছবি, সংস্কৃতি উচ্চ স্তরে পৌঁছে গিয়েছে। এটা কিন্তু নিজের ভাষার প্রতি সম্মানের জন্যই সম্ভব হয়েছে। আর কারও যদি বাংলা গান শুনতে ইচ্ছেই না করে, তা হলে বাঙালি শিল্পীর অনুষ্ঠানে আসছেন কেন? এসে এগুলো করার তো কোনও অর্থ নেই।”

