ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকতেই খুলে গেল মোহনার মুখোশ! ভয়ংকর সত্যির সম্মুখীন শুভলক্ষ্মী!

স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক গৃহপ্রবেশ (Grihopronesh)। সুস্মিত (Sushmit Mukherjee) উষসীর (Usashi Chakraborty) নতুন জুটির কেমিস্ট্রি দেখতে পাবেন দর্শক। ধারাবাহিকের প্রোমো ভিডিও দেখে বোঝা গিয়েছিল একটি সাধারণ ছাপোসা মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ের বিদেশে আসার গল্প ঘিরেই তৈরি হচ্ছে এই ধারাবাহিক। সেখানেই কোন এক পরিচিতি আত্মীয়র বাড়িতে থাকবে শুভলক্ষী অর্থাৎ গল্পের নায়িকা। আর এই ধারাবাহিকে গল্পের নায়কের নাম হল আদৃত।

ধারাবাহিকটিকে নিয়ে প্রথম দিকে হাসাহাসি, কটাক্ষ চলছিল। বর্তমানে ধারাবাহিকটি কিন্তু টিআরপি তালিকা প্রতি সপ্তাহতেই বাজিমাত করছে। প্রতিদিনই নিত্য নতুন চমক অপেক্ষা করে থাকে দর্শকদের জন্য। তাই জন্য ধারাবাহিকের একটি পর্বও দর্শকরা মিস করতে চান না। বর্তমানে তো ধারাবাহিকের গল্প আরো জমজমাট হয়ে উঠেছে। বেশ কিছুদিন ধরেই ধারাবাহিকের পর্ব গুলি বেশ আগ্রহ সহকারে দেখছেন দর্শক।

Bengali serial

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মোহনা নকল ব্লাড সারা ঘরে ছড়িয়ে হাতে মেখে নাটক করতে থাকে হাত কেটে যাওয়ার। শুভ তো সবটাই দেখতে থাকে খাটের তলে লুকিয়ে। সত্যি একজন ছেলেকে পাওয়ার জন্য একটা মেয়ে কতটা নিচে নামতে পারে সেটা নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাসই করতে পারতো না শুভ। এই ঘটনা দেখার পর শুভ বুঝতেই পারে মোহনা সবটাই নাটক করছে। ওদিকে বাড়িতে সকলেই শুভকে নিয়ে চিন্তিত। ঋদ্ধি ঠিক করেছে নদীয়াতে যাবে শুভকে ফিরিয়ে আনবে। কিন্তু ঠাম্মি বারবার বারণ করে শুভকে আনতে যেতে। তারপরেই বাড়িতে আসে মোহনার দাদা আকাশ। সে এসেছে নিজের বোনের ঠিকঠাক যত্ন হচ্ছে কিনা সেটা দেখতে।

আকাশ তো আদৃতদের বাড়িতে এসে নানান কথা শুনিয়ে যায়ম সকলকে ভয় দেখিয়ে যায়প যদি আকাশ তাদের মাথার উপর থেকে বিজনেসের হাত সরিয়ে নেয় তাহলে তারা পথে বসবে। তাই মোহনাকে যেন সঠিকভাবে যত্ন করা হয়। মোহনা ভাবে আকাশের মাধ্যমেই মোহনা রায় পরিবারের উপর রাজত্ব করবে। আর শুভ সমস্ত কিছু বাইরে দাঁড়িয়ে দেখতে থাকে আর মনে মনে ঠিক করে নেয় আকাশের এই অপমান সুদে আসলে ফেরত দেবে সে।

আরও পড়ুনঃ টিআরপিতে বাজিমাত করলো পরশুরাম! অল্পের জন্য ফুলকির কাছে অধরা সিংহাসন!

অন্যদিকে পরের দিন শুভ মোহনার ডাক্তারের কাছে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। আর সেই মতোই ছদ্মবেশে ডাক্তারের চেম্বারে পৌঁছে যায়। কিন্তু সেখানকার নার্স কিছুতেই অন্য পেশেন্টের আগে শুভকে ডাক্তারের চেম্বারে যেতে দেয় না। তাই বাধ্য হয়ে শুভকে মিথ্যের আশ্রয় নিতে হয়। আর ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে শুভ বোঝার চেষ্টা রয়েছে ডাক্তারের সাথে মোহনার কি যোগাযোগ রয়েছে। কিন্তু শুভ সেখান থেকে কোন প্রমাণই যোগাড় করতে পারে না। সেই মুহূর্তে মোহনায় চলে আসে ডাক্তারের চেম্বারে। তারপর দুজনে মিলে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে যায়। নার্স কেও চেম্বার থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। আর ডাক্তার আর মোহনার এই ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব দেখে বেশ সন্দেহ হয়। একজন ডাক্তারের সাথে কি কথা থাকতে পারে যার জন্য নার্স কেও সেখানে এলাও করা যায় না। আর এই নিয়ে শুভর মনের সন্দেহ শুরু হয়।

Back to top button