মরণ খেলায় মেতে উঠল ভাই বোন! মোহনার মতন প্রতিহিংসার খেলায় নামলো আকাশ, সঙ্কটে আদৃত শুভলক্ষ্মীর জীবন!

স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো গৃহপ্রবেশ (Grihoprobesh)। তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ধারাবাহিকটি দর্শকের মন জিতে নিয়েছে। প্রতি সপ্তাহেই এক থেকে পাঁচের মধ্যে থাকে গৃহপ্রবেশের নাম। ধারাবাহিকের নতুন জুটি উষসী এবং সুস্মিতকে খুব তাড়াতাড়ি আপন করে নিয়েছেন দর্শক। বর্তমানে টানটান উত্তেজনা পর্ব চলছে ধারাবাহিকে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শুভ ফিরে আসার আনন্দে আদির ভাই বোনরা সকলে মিলে রায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এওয়ার্ড অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কিন্তু হঠাৎ করে অনুষ্ঠানের মাঝখান থেকে আদি হারিয়ে যায়। চারদিকে হন্যে হয়ে খুঁজেও আদিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না। আর তাতেই ভয় ধরে যায় শুভর মনে। কারণ যেভাবে একটা বিপদ কাটিয়ে উঠল তারা তাতে সেই বিপদের আঁচ এখনো রয়ে গিয়েছে। তারপরেই হঠাৎ করে দেখা যায় নিজের মাথার সব চুল কেটে হাজির হয়েছে আদি। আদিকে দেখে তো অবাক সকলে।

আসলে আদিও সকলে চমকে দেওয়ার জন্য এমন সেজে এসেছে। সকলেই তো আদিকে দেখে চমকে ওঠে। তারপর সকলে আদি আর শুভকে নিয়ে মেতে ওঠে। আনন্দ উৎসব করতে থাকে। নাচ গান হইহুল্লোড় করে আবারো রায় পরিবার আগের মত হয়ে ওঠে। কিন্তু অন্যদিকে আকাশ তো মোহনাকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিল। ডাক্তার জানায় শারীরিকভাবে মোহনা একেবারে সুস্থ আছে, তার কিছু হয়নি। কিন্তু মানসিকভাবে মোহনা সুস্থ নয়। তার চিকিৎসার প্রয়োজন। অন্য দিকে মোহনা তো নিজের মাকে আঘাত করেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গিয়েছে।
মোহনা আবারও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে আদৃতের জন্য। এটারই ভয় পাচ্ছিল মোহনার মা। কিন্তু আকাশও বোনের পথেই হাঁটছে। প্রতিহিংসার খেলায় মেতেছে সে। রায় পরিবারকে শেষ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়েছে। আদিকে কিভাবে শেষ করা যায় রায় পরিবারকে কিভাবে পথে বসানো যায় সেই প্ল্যান করছে। ঠিক ভুল বিচার করার জ্ঞান হারিয়েছে আকাশ।
আরও পড়ুনঃ “ভাগ্যেই লেখা ছিল সাহেব হওয়া!” “ভাগ্যই আমাকে এত কিছু দিয়েছে!”— সাহেব বলেই ডাকেন সকলে, কিন্তু কেন এই নাম? গান তাঁর প্রেম, অভিনয় ভাগ্য! অভিনেতার নামকরণের পেছনে রয়েছে এক অদ্ভুত কাহিনি!
অন্যদিকে শুভ এবং আদি নিজেদের সাথে একান্তে সময় কাটানোর জন্য বেরোয়। আদি বারবার শুভর কাছে ক্ষমা চায়। আর কথা দেয় এরপরে শুভ যা বলবে আদি সেটাই করবে, আর কোন ভুল হওয়ার সুযোগ দেবে না। কিন্তু শুভ যেন আদিকে কখনো ছেড়ে না যায়। বিশেষভাবে শুভর কাছে ক্ষমা চায় আদি। আর শুভকে বলে যদি এর পরে আদি কখনো ভুল করে তাহলে শুভ যেন পাশে থেকে তার সেই ভুল সংশোধন করে দেয়, কিন্তু কখনো যেন ছেড়ে না যায়। আর এরই মধ্যে সেখানে এসে উপস্থিত হয় মোহনা। নিজেকে আড়াল করে সে ক্ষতি করার প্ল্যান করছে দুজনের। কিছুতেই সে তাদের দুজনকে সুখী থাকতে দেবেনা। মোহনা যেমন আদিকে পায়নি, তেমন শুভ কেও পেতে দেবে না। তাই ধারালো অস্ত্র নিয়ে শুভর ক্ষতি করতে এগিয়ে আসে। দেখা যাক এরপর কোন বিপদ ডেকে আনে মোহনা।

