কমলিনীর ঘাড়ে চেপে বসলো চন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী! সম্পত্তি আদায় করতে ভয়ংকর পথ অবলম্বন করলো চন্দ্র!

স্টার জলসাতে (Star jalsha) কয়েকমাস আগে একঝাঁক নতুন ধারাবাহিক (Bengali Serial) শুরু হয়েছে। তারমধ্যেই অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। ধারাবাহিকে অপরাজিতার বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, চন্দ্র তো টাকা পয়সা সম্পত্তি এগুলো দখল করতে এসেছে। তাই যতক্ষণ না কমলিনীর থেকে সেসব আদায় করতে পারছে ততদিন এখান থেকে যাবে না চন্দ্র। তাই এত অপমানের পরেও চন্দ্র এই বাড়িতেই রয়ে গিয়েছে। কারোর কোনো অপমান তার গায়ে লাগছে না। এখনো একইভাবে মিথ্যে কথা বলে যাচ্ছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, চন্দ্র যখন এত অপমানের পরেও বাড়ি ছাড়ছে না তখন মিটিল তাকে ক্রিমিনাল বলে অপমান করে। আর তখনই চন্দ্রের ভয়ংকর রূপ সকলের সামনে বেরিয়ে আসে। মিটিলের উপর রীতিমতন চিৎকার করে ওঠে চন্দ্র। সকলেই বুঝতে পারে এটাই চন্দ্রর আসল রূপ। বিষয়টা হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে আবার চন্দ্র পুরো বিষয়টা ম্যানেজ করার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনভাবে কোন কাজ হয় না। যাদের বোঝার তারা ঠিকই বুঝে গেছে চন্দ্র মানুষটা আসলে কেমন।

এরপর কমলিনীর জন্মদিনে এসে উপস্থিত হয় তার শাশুড়ি, বর্ষা এবং বুবলাই। বর্ষা আর বুবলাই চন্দ্রের কষ্ট দেখতে না পেরে তাকে সেখান থেকে নিতে এসেছে। তাদের মনে হয় চন্দ্রকে কমলিনীরা অপমান করছে। বাবার কষ্ট আবার বুবলাই দেখতে পারে না। কিন্তু নিজের মাকে অপমান করতে এসে নিজেই অপমানিত হয় বুবলাই। এরপর হঠাৎ করে আনন্দ উৎসবের মাঝে এসে উপস্থিত হয় চন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং সন্তান। সোহিনী জানায় তারা হোটেলের সমস্ত বিল মিটিয়ে দিয়ে পাকাপাকিভাবে এই বাড়িতে চলে এসেছে। চন্দ্র যেখানে থাকবে সেখানেই তারা থাকবে। কারণ এই অচেনা শহরের রাস্তায় রাস্তায় নিজের মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে পারবেনা সে। আর দরকার হলে চন্দ্রের বিরুদ্ধে গিয়ে পুলিশে অভিযোগ করবে।

আরও পড়ুনঃ বিচারকের সামনে মোক্ষম চাল চাললো ফুলকি! নিজের পাতা ফাঁদে নিজেই পড়লো ছোট রানী!

এদিকে চন্দ্র আবার সোহিনীকে দেখে নাটক শুরু করে। সকলের কাছে টাকা চাইতে থাকে। কিন্তু কেউই যখন চন্দ্রকে সাহায্য করতে চায় না তখন চন্দ্র সকলের চোখের আড়ালে নিজের মাকে নিয়ে কমলিনীকে হুমকি দিতে আসে। বাড়ির একটা ভাগ তার নামে লিখে দিতে হবে বলে দাবি করে। কিন্তু কমলিনী জানিয়ে দেয় সে কিছুতেই বাড়ির ভাগ দেবেনা। তখন চন্দ্র ভয় দেখাতে থাকে যে সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুল বাঁকাতে সে জানে। এবার দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button