রূপের হাত থেকে বেঁচে গেল গিনি! অন্য একটি মেয়ের সর্বনাশ হওয়ার থেকে বাঁচিয়ে রূপকে সকলের সামনে অপদস্থ করল সে!

অন্যায় কখনো চাপা থাকে না। আজ না হোক কাল সত্যিটা ঠিক সামনে আসবেই। যারা ভাবে অন্যায় করে পার পেয়ে গেছে তারা যে কতটা ভুল এবং সেই ভুলের শাস্তি যে কতটা ভয়ংকর সেটাই দর্শকদের সামনে তুলে ধরছে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকটি আরও বেশি রোমহর্ষক হয়ে উঠছে।

বর্তমান প্লট অনুযায়ী, একদিকে নীল এবং তার পরিবার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছে মেঘকে আবারো নিজের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার। অন্যদিকে মেঘের বাবা অনিন্দ্য তার মেয়েকে আর কোন বিপদের মধ্যে পড়তে দিতে চান না বলে শক্ত করে নিজের কাছেই আগলে রেখেছেন। কিন্তু মেঘের মা মেঘকে বোঝায়, যে যেনো নিজের মনের কথাই শোনে। কিন্তু এই নিয়ে কোনো কথা বলতে চায়না মেঘ।

ধারাবাহিকের এই দিনের পর্বে দেখা যায়, গিনির সাথে কথা বলতে বলতে কিছু একটা কারণবশত ওয়াশরুমে যায় দিব্যেন্দু। আর ঠিক তখনি সেখানে এসে হাজির হয় রূপ। গিনি বেশ ভয় পেয়ে যায়। রূপের নোংরা নোংরা কথার পরিপ্রেক্ষিতে সেখানেই রূপকে বেশ করে দু চার কথা শোনায় গিনি। এরপরে দিব্যেন্দু এসে রূপকে দেখে বেশ অবাক হয়। খুব বুদ্ধি করে দিব্যেন্দু এমন ভাব করে যেন রূপ আর গিনিকে দেখেই সে তাদের কাছে এগিয়ে এসেছে।

গিনিও দিব্যেন্দুকে না চেনার ভান করে, দিব্যেন্দুও একজন অপরিচিতের মতোই গিনিকে তার পরিচয় দেয়। আর এরপরেই রূপের সন্দেহ কেটে যায়। এরপর রাগ দেখিয়ে সেখান থেকে চলে যায়, আর রূপের সন্দেহ থেকে বাঁচতে সাথে করে দিব্যেন্দুর ফোনটাও নিয়ে যায় সে। দিব্যেন্দু দেখে আরো একটি বাচ্চা মেয়ের দিকে নজর পড়েছে রূপের।

গিনি বাইরে এসে বুদ্ধি করে ফোনটা তার গাড়ির উপর রেখে দেয়। এরপর তাদের মধ্যে ফোনে কথোপকথন হয় সেখান থেকেই গিনি জানতে পারে আরো একটি মেয়ের সর্বনাশ করতে চলেছে রূপ। গিনি তখন আবারও সেই রেস্টুরেন্টে ফিরে গিয়ে, সেই মেয়েটিকে রূপের স্বরূপ জানায়। মেয়েটি বুঝতে পারে সে কত বড় বিপদে পড়তে চলেছিল, আর তারপর গিনিকে ধন্যবাদ দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। ফলে গিনির উপর রূপের রাগ দ্বিগুণ হয়ে যায়।

Back to top button