অবশেষে বদলে গেলো সার্থক, ক্ষমা চেয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরলো সে, রাইকে নিয়ে সন্দেহ বাসা বাঁধলো অনির্বানের মনে!  

শুধুমাত্র স্পষ্টভাবে কথা বলার অভাবে অনেক সম্পর্কের মধ্যে বহুদিন ধরে চলতে থাকা বিবাদের মীমাংসা হয় না। কিন্তু এইবার সমস্ত বিবাদ মিটিয়ে আবার এক হল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের অন্যতম প্রধান দুই চরিত্র সার্থক এবং তার বাবা উজ্জ্বল সেনগুপ্ত। সম্প্রতি চ্যানেলে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকে নায়িকা রাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বহুদিন ধরে অসুস্থতায় কষ্ট পাচ্ছে সার্থক স্যারের বাবা ডক্টর উজ্জ্বল সেনগুপ্ত। তার বাঁচার ইচ্ছেটাই যেন হারিয়ে গিয়েছে। সে এই শেষ সময় এসে বারবার শুধু স্রোতকে দেখতে চাইছে আর স্রোতের হাতে নিজের ছেলের দায়িত্ব তুলে দিয়ে যেতে চাইছে। সার্থক কিন্তু এত কিছুর পরেও সব সময় প্রত্যেকটা মুহূর্তে স্রোতকে প্রতিনিয়ত অপমান করে চলেছে এবং পাশাপাশি নিজের বাবাকেও কথা শোনাতে ছাড়ছে না। আর এই নিয়েই এবার বেঁধে গেল দক্ষযজ্ঞ।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ১ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 1 July)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্রোতকে সবার সামনে অপমান করায় বিছানা থেকে উঠে সার্থকের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তার কৃতকর্মের জবাব চাইলো উজ্জ্বল সেনগুপ্ত। সে স্পষ্ট করে বলে, “এতদিন আমাকে মিথ্যে দোষারোপ করে গিয়েছো তুমি। আমি কিছু বলিনি। আমি নিজেকে অপরাধী ভেবে এসেছি। কিন্তু আজ তুমি যেটা করলে সেটা আমি আর মেনে নিতে পারছি না। আমার যদি কিছু হয়ে যায় জানবে তার জন্য তুমি দায়ী।” এই বলেই নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয় স্রোতের আঙ্কেল। আর অন্যদিকে এসব দেখে নিজের ঘরে চলে যায় সার্থক।

নিজেকে বদলে ফেললো সার্থক

এরপর স্রোত সার্থকের ঘরে গিয়ে তাকে বলে, “কেন আপনি বারবার ওই মানুষটাকে অপমান করেন? আমি ভাবতাম আপনি ভুল ধারণা নিয়ে বেঁচে আছেন কিন্তু এখন বুঝতে পারছি আপনি মিথ্যে নিয়ে বেঁচে আছেন। আর যদি ওই মানুষটার কিছু হয়ে যায় পারবেন আপনি নিজেকে ক্ষমা করতে?” সার্থক তাড়াতাড়ি নিজের বাবার কাছে গিয়ে ক্ষমা চায়। এরপর উজ্জ্বল সেনগুপ্ত দরজা খুলে বেরিয়ে আসে। তারপর বাবা ছেলের মধ্যে মধুর মিলন ঘটে। সার্থককে জড়িয়ে ধরে তার বাবা। এই ঘটনায় এতদিন ধরে জমে থাকা সমস্ত রাগ অভিমান সবকিছু গলে জল হয়ে যায়

রাইকে সন্দেহ করলো অনির্বাণ

অন্যদিকে অনির্বাণের মা সৌর্যর মায়ের নাম্বার চাই অনির্বাণ এর কাছ থেকে। অনির্বাণ সৌর্যকে ফোন করে এবং তাকে ফোনে না পেয়ে টিকলুদা-কে ফোন করে। টিকলু বলে সৌর্য নাকি বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়েছে আর আজ বাড়ি ফিরবে না। অন্যদিকে রাইকেও ফোনে পায়না অনির্বাণ। কিছুক্ষণের জন্য তার মনে হতে থাকে তবে কি ওরা দুজন একসাথে আছে! নিজের মনের সন্দেহ করে নিজেই নিজেকে ধিক্কার জানার অনির্বাণ। কারণ সে রাইকে প্রতিজ্ঞা করেছে যে আর কোনদিনও তাকে অবিশ্বাস করবে না।

Back to top button