বিয়ের পিঁড়ি ছেড়ে উঠে গেলো রাই! নায়িকাকে ভুল বুঝে চলে গেলো অনির্বাণ! নিলুর আসল উদ্দেশ্য জেনে গেলো স্রোত!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বেশ কিছু ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হচ্ছে যেগুলি প্রায়শই দর্শকদের চর্চায় উঠে আসছে। ঠিক এমনই একটি ধারাবাহিক হলো মিঠিঝোড়া (MithiJhora)। যত দিন যাচ্ছে এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধারাবাহিকে নায়িকা রাই চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি। বর্তমানে জমে উঠেছে ধারাবাহিকের গল্প।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, খুব তাড়াতাড়ি চার হাত এক হতে চলেছে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার। নিজের হাতে নায়িকা রাইকে হলুদ মাখিয়ে, স্নান করিয়ে বিয়ের জন্য সাজিয়ে গুছিয়ে তৈরি করে দিয়েছে তার বোন নীলাঞ্জনা। তবে এতদিনে দর্শকদের কাছে এটা স্পষ্ট যে কোন ভালো উদ্দেশ্যে এই কাজ করেনি নিলু। রাইয়ের বিয়ে ভেস্তে দেওয়ার অনেক বড় পরিকল্পনা করে ফেলেছে সে। সেটা পূরণ করতেই এইবার নিজের সেস দানটা দিলো নীলাঞ্জনা।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ৪ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 4 July)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাইকে সম্প্রদান করার জন্য বিয়ের মন্ডপে আসে বিক্রম। সে কোনোভাবেই এই কাজ করতে চায় না। কিন্তু সে ছাড়া এই কাজটা করার মতন আর কেউ নেই। তাই জন্য বাধ্য হয়ে বিক্রমকেই এগিয়ে আসতে হয়। অন্যদিকে অনির্বাণের বাড়ির লোকজন রাই এবং তার পরিবারের অবস্থা দেখে সবাইকে অপমান করতে থাকে। সোহিনীকে এসব করতে বারণ করে অনির্বাণের বাবা। অনির্বাণ অপেক্ষা করতে থাকে রাইয়ের জন্য।
নিলুর কান্ডে ভেঙে গেলো রাইয়ের বিয়ে
অন্যদিকে নিলু, ঘরের দরজাটা এমন ভাবে বন্ধ করে যাতে দুবার ধাক্কা মারলেই খুলে যায়। টেবিলের ওপর ঘুমের ওষুধের শিশিটা উল্টে রাখে। যাতে সহজেই যে কারুর চোখে সেটা পড়ে। ঘুমের ওষুধ গুলো খাওয়ার পর তার চিন্তা শুরু হয়। যদি তার দিদি ঠিক সময় না আসে তাহলে? কিন্তু এখন আর কোন উপায় নেই। এটাই এই বিয়েটা ভেস্তে দেওয়ার তার শেষ অস্ত্র। ওদিকে নিলু বিয়ের মন্ডপের নেই বলে বেশ অস্থির হয়ে ওঠে রাই।
আরও পড়ুন: রুবেলকে ছেড়ে নতুন সম্পর্কে পা রাখলেন শ্বেতা! সব জেনেও পাশে আছেন রুবেল! নিজেই সেই কথা জানালেন অভিনেতা!
এরপর শুরু হয় বিয়ে। একে একে শুভদৃষ্টি মালা বদল সাত পাকে ঘোরা সবটাই সম্পন্ন হয়। বাকি থাকে শুধুমাত্র সিঁদুর দান। নিলুর ঘরে গিয়ে তাকে বিছানায় অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে এবং ঘুমের ওষুধের শিশিটা ফাঁকা দেখে সবটা বুঝে যায় নন্দিতা। সে তাড়াতাড়ি নিচে এসে ঠিক সিঁদুর দানের সময়ই নিলুর এই কাণ্ডের কথা সবার সামনে বলে। ফলস্বরূপ সব ছেড়ে উঠে পড়ে রাই। এরপর সবাই মিলে নিলুকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। যদিও এই ঘটনায় রায়ের পাশে থাকে অনির্বাণ। স্রোত বুঝতে পারে নিলু ইচ্ছে করে বিয়েটা বন্ধ করতে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।

