উৎসবকে বের করে কৌশিকী জ্যাসকে নতুন চ্যালেঞ্জ দিব্যার! অস্মিতাকে জেরা করে নতুন রহস্য পেল জ্যাস!

যেদিন থেকে শুরু হয়েছে সেদিন থেকেই জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক হিসেবে রাজ করছে জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। ৮ থেকে ৮০ সমস্ত বয়সী দর্শকদের কাছেই ধারাবাহিকের নায়িকা একজন রোল মডেল হয়ে উঠেছেন। তার সাহস বীরত্ব সবকিছুই দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। পূর্বে এমন ধারাবাহিকের নিরদর্শন হয় তো দর্শকরা পাননি। সম্প্রতি টিআরপিতে বেঙ্গল টপার হিসেবে একেবারে শীর্ষ অবস্থান করছে জগদ্ধাত্রী।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, বর্তমানে জগদ্ধাত্রী ব্যস্ত এক আমলার ছেলের হারিয়ে যাওয়ার রহস্য উদঘাটন করতে। যেহেতু ঘটনাটা অনেক উপর মহলের তাই সমস্ত বিষয়টাকে গোপনে রাখতে হয়েছে তাকে। এই নিয়ে পেপারে লেখা বের করলে শত্রুতার সৃষ্টি হয় বিজয়লক্ষী এবং কৌশিকীর মধ্যে। প্রত্যেকবার জগদ্ধাত্রীর জিজ্ঞাসাবাদে বাধা দিচ্ছে অনিন্দিতা। তবে এবার আর সেই বাধা শুনল না জগদ্ধাত্রী।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বিজয়লক্ষীকে দেখে জগদ্ধাত্রী তাকে স্পষ্টভাবেই জিজ্ঞাসা করে তিনি এখানে কেন এসেছেন। বিজয়লক্ষ্মী তখন জগদ্ধাত্রী থেকে অনুসন্ধান কতদূর এগুলো সেটাই জিজ্ঞাসা করে। জগদ্ধাত্রী বলে অনেকটাই এগিয়েছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সে চেষ্টা করছে বাকিটা খুঁজে বের করার। বিজয়লক্ষ্মী বলে সে সাত দিনের সময় দিচ্ছে জগদ্ধাত্রীকে। যদি এর মাঝে রহস্যের মীমাংসা না হয় তাহলে অস্মিতাকে তুলে নেবে বিজয়লক্ষ্মী। কারণ তার দৃঢ় বিশ্বাসের পেছনে অস্মিতারই হাত রয়েছে।

অন্যদিকে, অনিন্দিতার ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে তার বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চলে যায় জগদ্ধাত্রী। সেখানে গিয়ে প্রথমে অস্মিতা সঙ্গে একটু বন্ধুত্ব করার চেষ্টা করে সে। এরপর সেদিন কি হয়েছিল সেই নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে জগদ্ধাত্রী। অস্মিতা বলে সে সবার সামনে ওই ঘটনাটা ঘটার পর পাঁচ সাত মিনিটের মধ্যে ক্যাব বুক করে চলে এসেছিল। কিন্তু জগদ্ধাত্রী এর কাছে যে সমস্ত তথ্য রয়েছে তার সাথে অস্মিতার কথার কোন মিল পায় না সে। পুনরায় জিজ্ঞাসা করার আগেই সেখানে চলে আসে অনিন্দিতা আর আবারো গোটা জিজ্ঞাসাবাদ করবে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। জগদ্ধাত্রী অনিন্দিতাকে বলে আজ সে চলে যাচ্ছে ঠিকই কিন্তু প্রত্যেকদিন এইভাবে বাধা দিতে পারবে না অনিন্দিতা।

আরো পড়ুন: ‘সোহম আমার…’ বিবাহ বিচ্ছেদের পর এবার সোহম মজুমদারের সঙ্গে গোপন প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন শোলাঙ্কি!

এদিকে উৎসব অন্ধকার জেলে ভাবতে থাকে কবে তাকে এখান থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে তার বাবা মা। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে দিব্যা সেন এবং উত্তরবঙ্গের দেবু। তখনই কৌশিকীর সাথে ফোনে কথা বলে দিব্যা। কৌশিকী বলে, “চুনোপুটিরা আমাদের মতন বড়সড়ো মানুষদের নিয়ে প্রায়ই লিখে থাকে, তা এসব লিখে পেপারের বিক্রি বাড়লো?” কথাগুলো শুনে প্রচন্ড রেগে যায় দিব্যা সেন। এরপর কৌশিকী বলে, “উৎসবকে ছাড়াতে গেছে তো? পারবে না। ধরা পড়লে অনেক বড় কেসে ফেঁসে যাবে।” ভয়েতে মুখ শুকিয়ে যায় দিব্যার।

Back to top button