‘২০০৭ এর পর আমি পুরোপুরি ঘরবন্দী, আজও বাবার পায়ের ছাপ…’- বাবার মৃ’ত্যুতে থমকে গিয়েছিল জীবন! নিরবে হারিয়ে গিয়েছিলেন চুমকি চৌধুরী! আজও সেই কথা মনে করে চোখে জল অভিনেত্রীর!

টলিউড ইন্ডাস্ট্রির (Tollywood) ৯০ দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন ছিলেন চুমকি চৌধুরী (Chumki Chowdhury)। ৯০ দশকের শুরুর সময় থেকেই অভিনয় জগতে পা রাখেন চুমকি চৌধুরী (Chumki Chowdhury)। বাবা অঞ্জন চৌধুরীর (Anjan Chowdhury) হাত ধরে এই প্রথম অভিনয় জগতে আসেন অভিনেত্রী। একাধিক বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করে অভিনেত্রী দর্শকের মন জয় করে নিয়েছিলেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাবার পরিচিতির বাইরেও নিজের পরিচিতি তৈরি করেছিলেন দর্শক মহলে। শেষ কয়েক বছর ধরে বড় পর্দায় কাজ না করলেও টেলিভিশনের পর্দায় কাজ করেছেন।

শুধুমাত্র নিজের অভিনয় নয়, নিজের ব্যবহার কথাবার্তা সবকিছুর জন্য সকলের প্রিয় পাত্রী ছিলেন অভিনেত্রী। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সকলের মন জয় করতে পারতেন। সেই সময় বাবার পরিচালিত ছবিতেই শুধু কাজ করে সকলের ভালোবাসা পেয়েছিলেন।

৯০ এর দশকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর অভিনেত্রী মাঝে দীর্ঘ কয়েকবছরের জন্য বিরতি নিয়েছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর নিজেকে অভিনয় জগৎ থেকে পুরোপুরি সরিয়ে নিয়েছিল চুমকি। বাবার ন্যাওটা ছিলেন, তাই বাবার মৃত্যুটা তার কাছে শাস্তির মতন। বাবার স্টুডিওতে ঢুকতে পারতেন না তার মৃত্যুর পর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেইসব দিনের কথা ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

অভিনেত্রী বলেন, ‘২০০৭ এর পর আমি পুরোপুরি ঘরবন্দী করে ফেলেছিলাম নিজেকে। আর কোনদিনও কাজ করবো না ঠিক করেছিলাম। বাবার স্টুডিওতে যেখানে বাবার সাথে সময় কাটিয়েছি, যেখানে বাবার পায়ের ছাপ আছে সেখানে আমি পারবো না করতে। আমার অনেকগুলো বছর লেগেছে ফিরতে। সেইসময় আমার স্বামী, বোন, ভাই ভাইয়ের বৌ সকলেই আমাকে সামলেছে।’

আরও পড়ুনঃ ‘ইন্দ্রপুরীর সেট থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে আসতে হয়েছিল!’ জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকেও কাজ চাইতে গিয়ে অপমানিত মাস্টার রিন্টু!

আসলে বাবার হাত ধরেই দুই বোন ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলেন। তবে চুমকি চৌধুরীর প্রাণ ছিল তার বাবা। বাবার চলে যাওয়া তিনি আজও মেনে নিতে পারেননি। সেই কারণে আজও বাবার প্রসঙ্গ উঠলেই অভিনেত্রীর চোখের কোণে জল চলে আসে। যদিও বর্তমানে ধীরে ধীরে কাজ ফিরেছেন। বিভিন্ন ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রীকে।

Back to top button