“এক চোখ কানা, বাঁদুরে দেখতে মেয়ে হয়েছে! কেঁদে ফেলেছিলেন মা”- ছোটবেলার বাঁদর বলা মেয়েটি একসময় দাপিয়ে কাজ করেছে ইন্ডাস্ট্রিতে!

টলিউড ইন্ডাস্ট্রির (Tollywood Industry) ৯০ দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম একজন। ৯০ দশকের শুরুর সময় থেকেই অভিনয় জগতে পা রাখেন অভিনেত্রী। বাবার হাত ধরে এই প্রথম অভিনয় জগতে আসেন অভিনেত্রী। একাধিক বাংলা ধারাবাহিকে অভিনয় করে অভিনেত্রী দর্শকের মন জয় করে নিয়েছিলেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাবার পরিচিতির বাইরেও নিজের পরিচিতি তৈরি করেছিলেন দর্শক মহলে।
মা বাবার হাত ধরেই নাচ গান অভিনয়ের জগতে পরিচয় তার। ১৯৯০ সালে তার প্রথম ছবি মুক্তি পায়। এরপর একে একে অভাগিনী, শ্রদ্ধাঞ্জলি, মেজবৌ, মায়ামমতা মতন ছবিতে অভিনয় করেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করতে পেরেছিলেন অভিনেত্রী। পেয়েছিলেন অসংখ্য দর্শকের ভালোবাসা।
তবে জন্মের সময় অনেক অপমানিত হতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। অভিনেত্রীর মা পর্যন্ত তাকে নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। অভিনেত্রীর জীবনের সেই কথা এক সাক্ষাৎকারে ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী যা শুনে চোখে জল চলে এসেছে ভক্তদের। মা হয়েও যে এমন কাজ করা যায় সেটা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।
বর্তমানে অভিনেত্রীকে দেখা যাচ্ছে স্টার জলসা জনপ্রিয় ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে। অভিনয় জগৎ থেকে মাঝে বেশ কয়েক বছর দূরেই ছিলেন। দীর্ঘ কয়েক বছর পর ছোট পর্দার ধারাবাহিকের মাধ্যমে ফিরেছেন অভিনেত্রী। তবে জন্মের সময় অভিনেত্রীর মা অভিনেত্রীকে দেখে কেঁদে উঠেছিলেন। কি এমন ঘটেছিল অভিনেত্রীর সাথে যার জন্য অভিনেত্রীর পরিবারের লোকজনও দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন তাকে?
আরও পড়ুনঃ সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল অ’র্ধনগ্ন বি’কৃত ছবি! স্ত্রীর অপমানে ক্ষুব্ধ অভিনেতা! কে করলেন এমন কাজ?
জনপ্রিয় সেই অভিনেত্রী হলেন চুমকি চৌধুরী। সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান তিনি যখন হয়েছিলেন হাসপাতালে তার মা তাকে দেখে কেঁদে উঠেছিলেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন “আমি যখন হয়েছিলাম তখন খুব রোগা চেহারা ছিল, আমার মুখটা লম্বাটে ছিল কপালের কাছে একটা জরুল ছিল। এক চোখ বোজা ছিল। আর সেটা দেখে আমার মা ভেবেছিলেন আমি হয়তো কানা হয়েছি। আমার পিসিমা আমাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে বাড়িতে এসে ঠাম্মাকে বলেছিলেন মেজদার একটা বাঁদরের বাচ্চা হয়েছে। এরপর নার্সের সঙ্গে কথা বলে মা জানতে পারেন আমার চোখে আলো লাগার জন্য আপনা আপনি চোখটা বুঝে আসতো।”

