সত্যিই অসুস্থ নাকি সবটাই নাটক? নতুনের অনেক বড় ক্ষতি করে দিল মানসিক ভারসাম্যহীন রুদ্র!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।

ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

Chirosokha, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Television, New episode, Chirosokha Today's 6 June Episode, Aparajita Ghosh Das, Sudip Mukherjee, চিরসখা, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, নতুন এপিসোড, চিরসখা ৬ জুন পর্ব, অপরাজিতা ঘোষ দাস, সুদীপ মুখার্জী

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে রুদ্রকে ডেকে আনা হয় নিচে, সে তো প্রথমে আসতে চায় না কিন্তু পরে এসে বর্ষাদের প্রথমেই বর্ষাদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। কারণ বর্ষা অতীতে যা করেছে সেটা এখনো ভুলতে পারেনি সে। বর্ষা বারবার কাছে ক্ষমা চায় তার হাতে পায়ে ধরে। রুদ্র তাকে ফিরিয়ে না নিলে সে আত্মহত্যা করবে বলে জানিয়ে দেয়। নতুন এবং কমলিনী বারবার করে রুদ্রকে বোঝাতে থাকে যাতে সে বর্ষা কে শেষ বারের মতো সুযোগ দেয়। কারণ বিয়েটা হয়ে গিয়েছে এখন অতীত দেখে আর লাভ নেই। বাড়ির সবার এতবার রিকোয়েস্ট করার পর রুদ্র বর্ষাকে বাড়িতে থাকার অনুমতি দেয়। কিন্তু জানিয়ে দেয় যদি অতীতের কোন ঘটনা আবার বর্তমানে পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে বর্ষাকে আর এক মুহূর্ত সহ্য করবে না রুদ্র।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাড়ির সবাই অনেকদিন পর খুব খুশি। নতুন বাড়ি ফিরে এসেছে সবাই আবার একসাথে বসে চা জলখাবার খাচ্ছে। এদিকে বর্ষা নিজে থেকে এসেই চা করে খাওয়াচ্ছে সবাইকে। সবটাই স্বাভাবিক হয়ে চলছে। কিন্তু হঠাৎ করে রুদ্র এসে নতুনকে খাবার টেবিলে দেখে নিজের মেজাজ ধরে রাখতে পারে না। আবারও অকারণে অশান্তি শুরু করে। সবাই মিলে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে, এমনকি নতুন পর্যন্ত তাকে বোঝায় কিন্তু নতুনের কথা শুনতে চায় না।

আরও পড়ুনঃ দাদুর সামনে হাতে হাত রেখে ভালোবাসার অঙ্গীকার! রায়ানের চোখে পারুলই হয়ে উঠল তার ফিনিক্স পাখি!

এদিকে বর্ষাও বারবার তাকে শান্ত হতে বলে। কিন্তু রুদ্রর মন যে কত ছোট, কত নিচু মানসিকতার মানুষ সে তা বারবার প্রমাণ করে দিচ্ছে নিজের ব্যবহার কথাবার্তায়। রুদ্রর ধারণা তার বাবা যদি বেঁচে থাকত তাহলে তিনি কি এসব মেনে নিতেন? রুদ্রর কথায় কোনো মানেই বুঝতে পারে না কেউ। সে যে তার মাকে খুশি দেখতে পারছে না সেটা বোঝাই যাচ্ছে। ওদিকে মিঠির রেজাল্ট বেরিয়েছে সে টপ করেছে। কিন্তু প্লুটোর সাথে তার এতদিনের সম্পর্ক একটা ভুল বোঝাবুঝির জন্য নষ্ট হয়ে গেছে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button