বর্ষার নাটকে গোলে গেল রুদ্র! পায়ে ধরে আবারো জায়গা করে নিল বর্ষা! নিজের সর্বনাশ নিজেই ডেকে আনলো কমলিনী!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।

ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

Aparajita Ghosh Das

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে নতুনের বড় বৌদি তো নতুনকে তাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু নতুন জানিয়ে দেয় কমলিনীর মতো সেবা সে আর কারো থেকে পাবে না। তাই যখন তাকে এই বাড়িতে নিয়ে এসেছে। সে বাড়িতেই থাকবে। অন্যদিকে রুদ্র কিছুতেই মানবে না যে নতুন এই বাড়িতে থাকবে। বাকিরা সবাই যখন নতুনকে এ বাড়িতে রাখতে চাইছে সেখানে রুদ্র এরকম কেনো করছে বুঝতে পারে না। রুদ্র জানিয়ে দেয় নতুন যদি বাড়িতে থাকে তাহলে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবে। তখন কমলিনী প্রতিবাদ করে ওঠে জানিয়ে ডেট যতদিন রুদ্র এই বাড়িতে আছে তাকে এই শাসনের মধ্যেই থাকতে হবে কারণ নতুনকে তারা কখনো বাইরের লোক ভাবেনি বাড়ির লোকই ভেবেছে। তাই তার যদি পছন্দ না হয় সে যদি মনে করে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবে তাহলে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে পারে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, নতুনের যত্ন করতে ব্যস্ত বাড়ির প্রত্যেকে। এদিকে সকালবেলা বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় বর্ষা, তার মা আর জেঠিমা। তাদের দেখে তো বাড়ির সবাই অবাক। বর্ষা যে এভাবে সকালবেলা বাড়ির লোকজন নিয়ে হাজির হবে সেটা কেউই কল্পনা করেনি। বাড়িতে এসেই বর্ষা সবার কাছে ক্ষমা চায়। বর্ষার বাড়ির লোকজন বর্ষাকে কমলিনীদের কাছে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করে। বাড়ির সবাই জানায় তারা বর্ষাকে ক্ষমা করতে পারবে না কোনদিন। একমাত্র যদি রুদ্র চায় তাহলে বর্ষা বাড়িতে থাকতে পারবে, আর নয়তো তাদের কিছু করার নেই। কমলিনীও বারবার সুযোগ দিলেও বাড়িতে রাখতে পারবে না।

আর পড়ুনঃ জগদ্ধাত্রীর অস্ত্রোপচার ঘিরে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য! দিব্যা সেনের চালেই কি বদলে গেলো আসল ডাক্তার?

তারপর নতুন এবং মিটিল নিচে নেমে আসে। তাদের দিকে তো অবাক হয় বর্ষার বাড়ির লোকজন কিন্তু যেহেতু এখন বর্ষাকে এই বাড়িতে রাখতে হবে তাই মুখে কিছু বলে না সেভাবে। এরপর রুদ্রকে ডেকে আনা হয় নিচে, সে তো প্রথমে আসতে চায় না কিন্তু পরে এসে বর্ষাদের প্রথমেই বর্ষাদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। কারণ বর্ষা অতীতে যা করেছে সেটা এখনো ভুলতে পারেনি সে। বর্ষা বারবার কাছে ক্ষমা চায় তার হাতে পায়ে ধরে। রুদ্র তাকে ফিরিয়ে না নিলে সে আত্মহত্যা করবে বলে জানিয়ে দেয়। নতুন এবং কমলিনী বারবার করে রুদ্রকে বোঝাতে থাকে যাতে সে বর্ষা কে শেষ বারের মতো সুযোগ দেয়। কারণ বিয়েটা হয়ে গিয়েছে এখন অতীত দেখে আর লাভ নেই। বাড়ির সবার এতবার রিকোয়েস্ট করার পর রুদ্র বর্ষাকে বাড়িতে থাকার অনুমতি দেয়। কিন্তু জানিয়ে দেয় যদি অতীতের কোন ঘটনা আবার বর্তমানে পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে বর্ষাকে আর এক মুহূর্ত সহ্য করবে না রুদ্র। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button