মায়ের সুখ সহ্য হলো না ছেলের! কমলিনীর সঙ্গে সব সম্পর্ক ত্যাগ করল বুবলাই! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বাংলা নানান ধরনের ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ধারাবাহিক হল লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) লেখা চিরসখা (Chirosokha)। প্রথম দিকে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা খুব একটা না থাকলেও, ধীরে ধীরে এই ধারাবাহিক ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বর্তমানে টিআরপি তালিকাতে এক থেকে পাঁচের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে জায়গা করে নিচ্ছে। ধারাবাহিকটি ধীরে ধীরে দর্শকদের ড্রয়িং রুমে জায়গা করে নিচ্ছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, নতুন প্রথম থেকে কমলিনী, তার এবং চন্দ্রর জীবনের গল্প সকলকে শোনাতে থাকে। কেউ তো কিছুই বুঝতে পারে না নতুন কেন এই গল্প আবার বলছে। সকলেরই তো জানা এইসব। প্রথমে কেউ কিছু বুঝতে না পারলেও ধীরে ধীরে নতুন যত গল্প এগিয়ে নিয়েছে সকলেই বুঝতে পারে এটা কার জীবনের গল্প বলা হচ্ছে। সকলেই অবাক হয় নতুনের কথা শুনে। এরপরে নতুন বলে যেদিন কমলিনীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তখনই তাকে নিয়ে রেজিস্ট্রি কাগজের সই করিয়ে নিয়েছিল তার আগের দিন তার বাপের বাড়িতে গিয়েও কিছু ফর্মে সই করে নেওয়া হয়েছিল। কমলিনী নতুনকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে তাই কাগজে কি লেখা আছে সেটা না পড়েই সই করে দেয়।
কিন্তু পার্বতী যখন কাগজে সই করছিল তখন সে জানত সে কোন কাগজে সই করেছিল। সে জেনে শুনে করেছে সবকিছু। আর অজান্তেই সাক্ষী হিসেবে বর্ষা এবং কমলিনীর কাকা সই করেছে। আজ তাদের ম্যারেজ সার্টিফিকেট দেওয়ার দিন। তাই জন্য সকলকে ডেকে নতুন এই ছোট্ট অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সকলেই নতুনের মুখে এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায়। কারোর মুখ থেকে আর কোন কথা বেরোবে না। পায়ের তলা থেকে যেন মাটি সরে যেতে থাকে।
নতুনের এই সিদ্ধান্তে তো বাকিরা সকলে খুশি হলেও খুশি হতে পারেনি কমলিনীর বড় ছেলে। কারণ সে কোনদিনই নতুন এবং তার মায়ের এই সম্পর্কটা মেনে নিতে পারেনি। তাই সেখানেই নতুন এবং মায়ের সাথে সব সম্পর্ক ত্যাগ করে বাড়ি থেকে চলে যায় বর্ষাকে নিয়ে। যদিও বুবলাই যে এই ঘটনা ঘটাবে সেটা সকলেই আন্দাজ করতে পেরেছিল। কিন্তু এই ঘটনার পর কমলিনীর মা-বাবা সকলেই বেশ খুশি হয়। নতুনকে ছোট বড় কথা বলার জন্য তারা ক্ষমাও চেয়ে নেয়।
আরও পড়ুনঃ ‘উত্তমকুমার আমার নাম দিয়েছিলেন “এক্স-রে আইজ”…’ কি কারণে মাধবীকে এই নামে ডাকতেন মহানায়ক? কি এমন দেখে ফেলেছিলেন অভিনেত্রী?
এবার নতুন সকলের সামনে কমলিনীকে জানায় সে তার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিতে চাই সকলের সামনে। এবার থেকে কমলিনীকে কেউ আর অপমান করতে পারবে না। এমনকি কমলিনীর শাশুড়িও কমলিনীকে আশীর্বাদ করে। যদিও তার কিছুটা খারাপ লাগা রয়েছে কারণ কমলিনী ছিল তার ছেলের বউ। আর ছেলের বন্ধুর সাথে এখন তার বিয়ে হচ্ছে তাই সেটা দেখতে অসুবিধা হচ্ছিল তার। তবে তিনিও কমলিনীকে মন থেকে আশীর্বাদ করেন। এরপর সবাই মিলে আবার এক হয় আনন্দে মেতে ওঠে। কমলিনী নিজেও তার জীবনে এত খুশি কখনো আশা করেনি। এবার দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

