আবারও কমলিনীকে রক্ষা করলো নতুন! পুলিশের কাছে যথাযথ প্রমাণ দিয়ে আসল অপরাধীকে ধরিয়ে দিল স্বতন্ত্র!

বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলোর (Bengali Serial) মধ্যে দর্শকদের পছন্দের একটি ধারাবাহিক হলো স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha)। বেশ কিছুদিন হল টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television) শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিকটি। ধীরে ধীরে টিআরপি তালিকাতেও বেশ জাঁকিয়ে বসছে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) গল্প। একেবারে অন্যধারার গল্প নিয়ে শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিকটি। আসলে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের গল্প মানেই ধারাবাহিকে একটু নতুনত্বের ছোঁয়া থাকবে। বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে অন্য গল্প ফুটিয়ে তোলা হবে। তেমনটাই হচ্ছে চিরসখার ক্ষেত্রে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পুলিশ অনন্যাকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলে। পুলিশের কাছে অনন্যা বার বার বলে যায় মিঠি এবং কমলিনীকে শাস্তি দিতে। তার ছেলের মৃত্যুর বিচার করতে। অনন্যা জানায় যদি পুলিশ তাড়াতাড়ি মিঠি কমলিনীকে শাস্তি না দেয় তাদের গ্রেফতার না করে তাহলে অনন্যা থানায় এসে ওসি সাহেবের সামনেই আত্মহত্যা করবে। অফিসার অনন্যাকে বুঝিয়ে বাড়ি পাঠান।

এদিকে বাড়িতে এসে কমলিনী মিঠিকে জানা তাকে কাউন্সিলিংয়ের জন্য নিয়ে যাবে। কিন্তু মিঠি যেতে চায় না। উল্টে মাকে মনে আঘাত দিয়ে অনেক কথা বলে ফেলে। তার মা যা খুশি করতে পারে সে তার মায়ের জীবনে হস্তক্ষেপ করবে না তার মায়ের জীবন নিজের মতো করে তিনি গুছিয়ে নিতে পারে এ সমস্ত কথা বলতে থাকে। কমলিনী মেয়ের কথায় প্রথমে কষ্ট পায় ঠিকই কিন্তু মিঠি নিজেই জানায় তার মন মেজাজ কিছুই ভালো নেই তাই সে কি বলছে কি করছে কিছুই ঠিক নেই। তার কোনো কথা যেন কেউ না ধরে। এদিকে সেদিনই বাড়িতে পুলিশ আসে। পুলিশকে দেখে তো বাবিল অবাক হয়ে যায়। পুলিশ জানায় কমলিনী এবং মিঠির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আছে। বাবিল তো এসব শুনে অবাক হয়ে যায়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, পুলিশ এসে কমলিনী এবং মিঠিকে জেরা করতে থাকে। বিশেষ করে কমলিনীর উপরে তারা অভিযোগ নিয়ে এসেছে। কমলিনী নাকি প্লুটোকে মানসিকভাবে চাপ দিয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে। কমলিনী বিষয়টা যতটা শান্ত ভাবে সামলাচ্ছিল, পাশ থেকে বর্ষারা তো কাঠি করার স্বভাব তাই বিষয়টাকে নিয়ে জল ঘোলা করতে থাকে। মিঠি অফিসারকে বলে তার সঙ্গে প্লুটোর সম্পর্ক ছিল প্লুটোর মায়ের সেটা পছন্দ ছিল না তাই তিনি তাদের সম্পর্ক ভেঙে মিঠির মামাতো বোনের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে। এখানে তার মায়ের কোন ভূমিকা নেই।

আরও পড়ুনঃ টিআরপি তালিকায় রাজার হালে জলসা! একেবারে মুখ থুবড়ে পড়লো জি! প্রথম স্থানে অনড় পরশুরাম! দেখে নিন এই সপ্তাহের টিআরপি তালিকা!

তাই বাধ্য হয়ে বাবিল ফোন করে মিটিলকে। সব শুনে মিটিল অবাক হয়ে যায় এবং জানায় সে নতুনকে ফোন করে আসতে বলছে। তার কিছুক্ষণ পরে মিটিল এবং নতুন এসে হাজির হয়। নতুন পুলিশকে জানায় এভাবে কোন ভদ্র মহিলাকে তার বাড়িতে এসে অপমান করার অধিকার পুলিশের নেই। যেখানে ছেলেটি আত্মহত্যা করার আগে একটি সুইসাইড নোট লিখে গেছে সেটা যাচাই না করেই একজনকে গ্রেফতার করতে আসতে পারে না পুলিশ। পুলিশ তো সুইসাইড নোটের কথা কিছুই জানত না। তাই সুইসাইড নোটের কথা জানতে পেরে বেশ অবাক হন পুলিশে তদন্ত না করেই একজনকে গ্রেফতার করে করতে চলে এসেছে দেখে নতুন তো ভীষণ রেগে যায়। এরপর পুলিশ নতুনের কথামতো কমলিনীকে আর গ্রেফতার করতে পারে না কোন প্রমাণ ছাড়া।

Back to top button