নিজের অজান্তেই ছেলেকে বিপদে ফেলে দিল মা! কোর্টে বিচারকের সামনেই চন্দ্রের দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বেফাঁস কমলিনীর শাশুড়ি!

জমে উঠেছে স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha)। ধারাবাহিকের একটি পর্বও এখন আর মিস করতে চাইছেন না দর্শক। নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছে কমলিনী। বিপরীতে তারই স্বামী চন্দ্র। বর্তমানে কোর্টে সেই নিয়ে মামলা চলছে। আর শেষ পর্যন্ত কে লড়াইয়ের ময়দানে টিকে থাকতে পারে, সত্যের জয় হয় কিনা সেটা দেখার জন্যই দর্শক বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। চলুন তাহলে জেনে নাও যাক ধারাবাহিকের আজকের পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হবে কোর্টে দাঁড়িয়ে মিথ্যে বলে যায় কমলিনীর শাশুড়ি। এরপর কমলিনীর উকিল জানায় চন্দ্র নতুন এর কাছে কমলিনীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়েছিল। নতুন সেই প্রস্তাব নিয়ে কমলিনীর বাড়িতে যায়। তারপর কমলিনীর বাবা কাকা এক এক করে এসে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তাদের বক্তব্য পেশ করে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, কমলিনীর শাশুড়িকে একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকে উকিল। চন্দ্র আর কমলিনীর বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে পুরোপুরি মিথ্যে কথা বলেন তিনি। এদিকে যখন তার কাছে জানতে চাওয়া হয় কুড়ি বছর পর চন্দ্র বাড়িতে ফিরে আসার সময় তাদের বাড়িতে চন্দ্রের সঙ্গে একজন মহিলা দেখা করতে এসেছিল তিনি কে, তার পরিচয় কি। সেই সময় আর মিথ্যে বলতে পারেনি তিনি। কারণ সবকিছু শিখিয়ে আনতে পারেননি চন্দ্র নিজের মাকে। তাই জন্য তিনি বিচারকের সামনেই বলে ফেলেন সোহিনী চন্দ্রের দ্বিতীয় স্ত্রী তার সঙ্গে একটি মেয়েও এসেছিল। কিন্তু বিষয়টা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তিনি বলেন চন্দ্রকে ফাঁসানোর জন্য এই সমস্ত ঘটানো হয়েছে। তারপর ওই দিনের মতো কোর্টের কাজ সমাপ্ত হয় এবং পরের দিন কোর্টে মামলার ডেট দেওয়া হয়।
তারপর যে যার মত বাড়িতে চলে আসে। পরের দিন সকাল সকাল কমলিনী তার ফটোগ্রাফি কম্পিটিশনের জন্য ছবি তুলতে বের হবে ঠিক তখনই তার শাশুড়ি বাধা দিয়ে তাকে প্রশ্ন করতে থাকে। এত সকাল বেলা কোথায় যাচ্ছে কমলিনী? কিন্তু কমলিনী কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয় বলে জানিয়ে দেয়। কিন্তু বাবিল যখন কমলিনীকে এসে জিজ্ঞাসা করে কমলিনী কোথায় যাচ্ছে তখন কমলিনী জানায় সে কম্পিটিশনের জন্য ছবি তুলতে যাচ্ছে। নতুনের ঠিক করে দেওয়া জায়গাতেই ছবি তুলে আবার সন্ধ্যেবেলা ফিরে আসবে। এই কথা শুনে তো আবার কমলিনীকে অপমান করার সুযোগ পেয়ে যায় তার শাশুড়ি, চন্দ্র আর বর্ষা, তিনজনে জোট বেঁধে কমলিনীকে বিঁধিয়ে বিঁধিয়ে কথা বলতে থাকে। যদিও এখন আগের কমলিনী এবং এখনকার কমলিনীর মধ্যে অনেক তফাৎ। তাই কমলিনী কোন কথার উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না। বাড়ির কাউকেই তো অপমান করতে ছাড়ছে না চন্দ্র। যারা কমলিনীর হয়ে কথা বলছে তাদের সবাইকে অপমান করছে।
আরও পড়ুনঃ ডিভোর্সের ছলে বাজিমাত করলো শুভ! নিজের মায়ের মাথা ফা’টিয়ে জেগে উঠলো ৬ বছর আগেকার সেই মোহনা! কি হয়েছিল ৬ বছর আগে?
কিন্তু চন্দ্রকে ছেড়ে দেয় না কমলিনী, যোগ্য জবাব দেয় তার কথার। ছেলেমেয়েদের কাছ থেকেও সমানে অপমানিত হচ্ছে চন্দ্র। কিন্তু তার কোন লজ্জাসরম নেই। এদিকে কমলিনী তার শাশুড়িকে জানিয়ে দেয় আগে তার শাশুড়ির জন্য যতটা মায়া-দয়া, মমতা ছিল এখন আর কিছুই নেই। তিনি যখন শুধু তার ছেলের কথাই ভাবছে একবারও কমলিনীর ভাবছে না তখন কমলিনীরও কোন দায় নেই তার কথা ভাবার। সাথে কমলিনী এটাও জানিয়ে দেয় যে এভাবেই চলতে থাকলে কমলিনী কোর্টে আর একটা মামলা করবে তার উপরে মানসিক নির্যাতনের। তাই সকলে যেন সাবধানে থাকে। এই বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় কমলিনী। এবারে দেখার অপেক্ষায় আগামী পর্বে কি হয়।

