প্রমাণসহ হাজির কমলিনী! বিপাকে পড়ে কমলিনীকেই মিথ্যেবাদী প্রমাণ করলো চন্দ্র!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।

ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

Chirosokha, Star jalsha, Bengali Serial, Bengali Television, New episode, Chirosokha Today's 22 June Episode, Aparajita Ghosh Das, Sudip Mukherjee, চিরসখা, স্টার জলসা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, নতুন এপিসোড, চিরসখা ২২ জুন পর্ব, অপরাজিতা ঘোষ দাস, সুদীপ মুখার্জী

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে কমলিনীকে কিছুতেই এই বাড়ি ছেড়ে যেতে দেবে না তার ননদ। কিন্তু কমলিনী কোনো কথা শোনে না। উল্টে তার ননদকে বাধ্য হয়ে বহু বছর পুরোনো একটি চিঠি দেখায়। সেই চিঠিটা চন্দ্রর প্রেমিকার। বিয়ের কয়েকবছর পর পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে চন্দ্র। সেই চিঠিতে তার প্রেমিকা সোহিনী চন্দ্রকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। তারপরই বাড়ি থেকে চলে যায় চন্দ্র আর তার পরের দিন তার মৃত্যুর খবর আসে। ওইদিকে মিথিল মেঘালয়ের সমস্ত হোমে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে কোথাও কোনোদিন চন্দ্রের মতন দেখতে কেউ ছিলই না। এবারে সব সত্যি ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে যায়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, পরের দিন আবারো কমলিনীর বাপের বাড়ির লোক আর শ্বশুর বাড়ির লোক একসাথে মিলে আলোচনায় বসে। চন্দ্র জানায় সে আগামীদিনে বাড়ি থেকে চলে যাবে। আর এই কথা শোনার পর সকলেই কমলিনীর উপর ক্ষেপে ওঠে। তার জন্য আজকে চন্দ্র এতদিন পর ফিরেও বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে। সকলে তো তাকেই সমানে দোষ দিতে থাকে। কমলিনীর ছেলে মেয়ে মা বাবা কেউ তার পাশে নেই।

আর পড়ুনঃ ফিরে এলো তূর্য! এবার দ্বিগুণ প্রতিহিংসা নিয়ে রায়ান পারুলের সর্বনাশ করবে সে!

এতদিন পর্যন্ত সবকিছু সহ্য করলেও আর চুপ করে থাকতে পারে না। ঘর থেকে চন্দ্রর সেই চিঠি নিয়ে আসে। তারপর সকলের সামনেই সেই চিঠি পড়েতে থাকে। কমলিনী যত চিঠির গভীরে যায় তত শুনে অবাক হয়ে যায় সকলে। কিন্তু চন্দ্র নির্বিকার। কমলিনীর চিঠি পড়া শেষ হলে চন্দ্র অট্টহাসি হাসতে থাকে। কমলিনীকেই সকলের সামনে মিথ্যে প্রমাণিত করে বলে এটা তার কাজের জায়গায় গুপ্ত চিঠি। কিন্তু আদৌ কি সেটা সত্যি দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button