ফুরিয়েছে ভালোবাসা, তাই সংসার ত্যাগ করল কমলিনী! চন্দ্রকে সে কথা জানিয়ে বাড়ি ছাড়লো সে!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।
ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে কমলিনীর মা-বাবা বুঝতে পারে না কেন কমলিনী এমন ব্যবহার করছে। চন্দ্র ফিরে এসেছে এটা তো অনেক খুশির খবর তাহলে কেন মন থেকে খুশি হতে পারছে না কমলিনী। এরপর সকলে মিলে আসে কমলিনীদের বাড়িতে চন্দ্র এবং কমলিনীর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে। কিন্তু কমলিনী জানায় সে নিজের সিদ্ধান্তে বজায় থাকবে কারো জন্য নিজের সিদ্ধান্ত বদলাবে না। এদিকে সবাই বুঝতে পারলেও কেউ মুখ ফুটে বলতে চাইছে না নতুন এবং কমলিনী সম্পর্কের কথা। এদিকে নতুন যে এই সময় কমলিনীর হয়ে কথা বলার বদলে কমলিনীর পাশে দাঁড়ানোর বদলে চুপচাপ এক জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। উল্টে যেন দায় সারা ভাব। নিজের উপর থেকে সমস্ত দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলতে চাইছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, বাড়িতে এখনো কমলিনী এবং চন্দ্রের সম্পর্ক নিয়ে অশান্তি শেষই হয়নি। যতদিন দিন যাচ্ছে ব্যাপারটা যেন আরো জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। কমলিনী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে সে চন্দ্রর সাথে থাকবে না। তাকে ডিভোর্স দিতে চায়। কিন্তু বাড়ির লোক তাকে কিছুতেই রেহাই দিচ্ছে না। কেন সে চন্দ্রকে ডিভোর্স দেবে কেন তার সাথে থাকবে না সেই একই প্রশ্ন করেই যাচ্ছে। কমলিনী বারবার সবাইকে বলছে সে কারোর প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়। নিজের জীবনটাকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিতে পারে।
আরও পড়ুনঃ মায়ের সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালো দুর্গা! মেয়ের হাত ধরেই নতুন করে হাঁটবে জগদ্ধাত্রী!
এদিকে শুধুমাত্র বাড়ির আত্মীয়-স্বজনই নয়, কমলিনীর নিজের ছেলেমেয়েরাও এবার কমলিনীকে প্রশ্ন করছে। আসলে নতুনের সঙ্গে এমনভাবে জড়িয়ে পড়েছে কমলিনী। আর নতুন কমলিনীকে কোনভাবেই সাপোর্ট করছে না। তাই কমলিনী ব্যাপারটা কিছুতেই মানতে পারছে না। আর তার ওপরে কমলিনী সবার সামনেই চন্দ্রের মুখের উপর জানিয়ে দেয় সে আর চন্দ্রকে ভালোবাসে না। তার সঙ্গে থাকতে পারবে না। এই কথা শুনে কমলিনীর শাশুড়ি তাকে যা নয় তাই বলে অপমান করে। আর চন্দ্রও জানিয়ে দেয় কমলিনী ডিভোর্স ফাইল করে তাহলে চন্দ্র সেই মামলা লড়বে।

