কঠিন সময়ে হাত ছাড়ল নতুন! এবার নিজের লড়াই নিজেই লড়বে কমলিনী! ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।
ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে চন্দ্র ইচ্ছে করে হারিয়ে যায়নি বা পরিবার ছেড়ে থাকেনি সেটা সকলেই মানতে পারলেও মিটিলের মনে সন্দেহ রয়েছে চন্দ্রকে নিয়ে। এদিকে চন্দ্র কমলিনীর এই অপমান মেনে নিতে পারে না। তাই জানিয়ে দেয় যদি কমলিনী তার সঙ্গে সংসার করতে না চায় তাহলে সে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে। কুড়িটা বছর যখন বাড়ি থেকে আলাদা ছিল তখন মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আর কয়েকটা বছর বাইরে কাটিয়ে দিতে পারবে সে। আর এই কথা শুনে তো কমলিনীর শাশুড়ি কমলিনীকে যা নাই তাই বলে অপমান করে। কমলিনী নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, কমলিনীর শাশুড়ি কিছুতেই বিশ্বাস করতে চাইছে না যেটা বাকিরা আলোচনায় করছে। কমলিনী আর নতুনের মধ্যে যে অন্যরকম সম্পর্ক রয়েছে সেটা তিনি মন থেকে কিছুতেই মানতে পারছেন না। তাই নিজের দিদির পরামর্শের কমলিনীর বাপের বাড়িতে ফোন করে কমলিনীর নামে অনেকগুলো কথা শুনিয়ে দেয় তার মা-বাবাকে। তাই শিক্ষা ভালো না, তারা ঠিকমতো মানুষ করতে পারেনি তারা যেন কমলিনীকে এসে বুঝিয়ে যায় এই সমস্ত নানার কথা বলতে থাকে।
আরও পড়ুনঃ রাস্তার মাঝে পারুলের সম্মান নিয়ে টানাটানি! রক্ষা করতে ঝাঁপিয়ে পড়ল রায়ান! একে অপরের বিপদে হাতে হাত রেখে লড়ে চলেছে রায়ান-পারুল!
এদিকে কমলিনীর মা-বাবা বুঝতে পারে না কেন কমলিনী এমন ব্যবহার করছে। চন্দ্র ফিরে এসেছে এটা তো অনেক খুশির খবর তাহলে কেন মন থেকে খুশি হতে পারছে না কমলিনী। এরপর সকলে মিলে আসে কমলিনীদের বাড়িতে চন্দ্র এবং কমলিনীর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে। কিন্তু কমলিনী জানায় সে নিজের সিদ্ধান্তে বজায় থাকবে কারো জন্য নিজের সিদ্ধান্ত বদলাবে না। এদিকে সবাই বুঝতে পারলেও কেউ মুখ ফুটে বলতে চাইছে না নতুন এবং কমলিনী সম্পর্কের কথা। এদিকে নতুন যে এই সময় কমলিনীর হয়ে কথা বলার বদলে কমলিনীর পাশে দাঁড়ানোর বদলে চুপচাপ এক জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। উল্টে যেন দায় সারা ভাব। নিজের উপর থেকে সমস্ত দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলতে চাইছে। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

