শাশুড়ির মুখ চেয়ে নরম হলো কমলিনী! আবেগের বশে বিরাট ভুল করে বসলো নায়িকা!

স্টার জলসার (Star Jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলোর (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা। মাসখানেক আগেই শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিক। শুরুর দিন থেকে একটু একটু করে দর্শকদের মন জয় করে নিচ্ছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে টিআরপি তালিকাতেও (TRP List) বেশ ভালো ফলাফল করছে। প্রতি সপ্তাহে এক থেকে পাঁচের মধ্যে নিজেদের জায়গা দখল করে নিচ্ছে। দর্শকদের আকর্ষণ ধরে রাখতে প্রতিদিনই গল্পে থাকছে নতুন নতুন টুইস্ট।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, আইবুড়ো ভাতের অনুষ্ঠান শুরু করার আয়োজন করা হয়। সকলে ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্লুটো মিঠিকে আবারো বলে সে মিঠিকে ভালোবাসে। এই এই অপমান সহ্য করতে না পেরে মিঠি চিৎকার করে ওঠে, মিঠির চিৎকার শুনে সকলেই ছুটে আসে। মিঠি জানায় প্লুটো কিভাবে তাকে অপমান করছে। এদিকে প্লুটোর মা, মৌয়ের মা সকলে মিঠি মকে অপমান করতে থাকে। মিঠি সকলের মুখের উপর যোগ্য জবাব দিয়ে বেরিয়ে যায় সেখান থেকে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, মিঠি বাড়িতে এসে কান্নাকাটি করতে থাকে। কারোর সাথে কথা বলতে চায় না। তখনই কমলিনী আর মিঠির পিসি এসে মিঠিকে জিজ্ঞাসা করতে থাকে তার কি হয়েছে, কেনো কান্নাকাটি করছে মিঠি জানাতে চায় না। মিঠি প্রথমে কিছুতেই বলতে চায় না। কিন্তু কমলিনী জানতে চায় তার কি হয়েছে ঠিক আছে কিনা, কেউ তাকে অপমান করেছে কিনা। মিঠি বারবার বলতে থাকে তাই কিছু হয়নি। কমলিনী বুঝতে পারে নিশ্চই মিঠিকে অপমান করা হয়েছে, তার মামি হয়তো অপমান করেছে তাকে।
মিঠি বলে তার মামি কিছু করেনি, তখন তার পিসি আন্দাজ করে হয়তো অনন্যা মানে প্লুটোর মা হয়তো অপমান করেছে কথাবার্তা বলেছে। মিঠি বলে দেয় সে অনন্যার কোনো কথা ধরে না। সে অপমান করলে মিঠি যোগ্য জবাব দিতে জানে। কিন্তু মিঠি বলে এবারে প্লুটো তাকে আইবুড়ো ভাতের অনুষ্ঠানে সকলের আড়ালে আই লাভ ইউ বলেছে। মিঠি এই অপমান একেবারেই সহ্য করতে পারেনি। যেখানে পরের দিন তার বোনের সঙ্গে প্লুটোর বিয়ে হবে সেখানে দাঁড়িয়ে সেই মিঠিকে এত বড় অপমান করেছে যেটা করার অধিকার নেই।
আরও পড়ুনঃ অভিনয়টা কম, বসেই থাকি বেশি, সিনেমা থেকে কেউ আমায় ডাকে না, ভাবে পারব না…’- আক্ষেপে ভরা অভিনেত্রী জীবন! কষ্টে কেঁপে উঠলো কল্যাণী মন্ডলের কন্ঠ
সেই নিয়ে মিঠি কান্নাকাটি করতে থাকে। কমলিনী বুঝতে পারে আগের প্লুটো আর এখনের প্লুটোর মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। কমলিনী চায় না তার মেয়ে প্লুটোর সাথে যোগাযোগ রাখুক বা তাদের বিয়েতে মিঠি যাক। মেয়েকে অনেকক্ষণ বুঝানোর পর অবশেষে মিঠি কান্নাকাটি থামায়। আর অন্যদিকে বাড়িতে তো চন্দ্রর মাকে রান্না করে দেওয়ার কেউ নেই। নতুন বউ কাজই করেনা। চন্দ্রের মাকে এই বয়সে এসে রান্না করে খেতে হচ্ছে। সেই নিয়ে রুদ্র তার ঠাকুমাকে জানায় তার পিসি যখন এই বাড়িতে থাকে তাহলে নিজের মাকে একটু রান্না করে দিতে পারে। কিন্তু এই কথা শুনতে পেয়ে পিসিমনি জানিয়ে দেয় কোনভাবেই সে তাদের দাসী হয়ে থাকবে না। কমলিনী বুঝতে পারে যে শাশুড়ি বেশ বিপদে পড়েছে। তাই জন্য চন্দ্র এবং তার স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিজের শাশুড়ির জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতে বলে। আর নয়তো কমলিনী জানিয়ে দেয় তাদের খাবার থেকে সে তার শাশুড়ির জন্য খাবার পাঠিয়ে দেবে। কিন্তু এভাবে একজন বয়স্ক মানুষের অপমান সে সহ্য করতে পারবে না। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

