কমলিনীর বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ল নতুন! পুলিশের সামনে পেশ করল মোক্ষম প্রমাণ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) লিখিত স্টার জলসার (Star Jalsha) বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো চিরসখা (Chirosokha)। ধারাবাহিকটি মূলত এগিয়ে চলেছে নতুন এবং কমলিনীর জীবন নিয়ে। এছাড়াও ধারাবাহিকের গল্পকে আকর্ষণে করে তোলার জন্য প্রতিদিনই থাকছে ধারাবাহিকে টানটান উত্তেজনা পর্ব। টিআরপি তালিকাতেও বেশ ভালো ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বহুদিন বাদে এই ধারাবাহিকের হাত ধরে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। অভিনেত্রীর বিপরীতে রয়েছেন অভিনেতা সুদীপ মুখার্জি (Sudip Mukherjee)।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শাশুড়ির গয়নার বাক্স খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না শুনে কমলিনী অবাক হয়ে যায়। কারণ এখন তো কমলিনী তার কোন জিনিসে হাতই দেয় না, তার ঘরেও যায় না তাই এই বিষয়ে তার কিছুই জানার কথা নয়। তখনই সেখানে উপস্থিত সোহিনী বলে পুলিশে খবর দিতে। সোহিনী গয়না চুরির বিষয়ে কিছু জানে না। কারণ চন্দ্র তাকে জানায়নি সবটা। এরপরে বাবিল পুলিশে ফোন করে সমস্ত ঘটনা জানায়। আর বাড়িতে পুলিশ আসবে তাই জন্য সবাইকে সাবধান করে দেয় বাড়ি থেকে না বেরোনোর জন্য। আর যেখানের জিনিস সেখানেই রাখার জন্য। কমলিনীর প্রথম সন্দেহ চন্দ্রের ওপরই হয়। কিন্তু কমলিনী জানেনা তার সাথেই কত বড় ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, বাড়ির প্রত্যেকে চন্দ্রকে সন্দেহ করলেও চন্দ্র তো বাড়িতে পুলিশ ডাকার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আর সেই নিয়েই সকলের মনে একটু খটকা লাগছে। এদিকে বাড়ির আর কেউ চুরি করতে পারে বলে কারোর সন্দেহ হচ্ছে না। চন্দ্রকে এতটা স্বাভাবিক দেখেই মিঠির মনে খটকা লাগে। তাই মিঠি মিটিলকে খবর দেওয়ার জন্য যায়। তখনই বাধা দেয় তার বড় দাদা। রুদ্র বাইরের লোককে বাড়ির ঘটনায় জড়িত না করতে বলে। কিন্তু মিঠি বড় দাদার কথার কোনো গুরুত্বই দেয় না এখন। বাড়ির প্রায় কেউই রুদ্রর কথায় বিশেষ পাত্তা দেয় না। কারণ রুদ্র যেভাবে পাল্টে গেছে তাতে তাকে বিশেষ কেউ একটা পছন্দ করে না।
মিঠি ফোন করে মিটিলকে তাড়াতাড়ি তাদের বাড়িতে আসতে বলে। হঠাৎ করে মিঠির ফোন পেয়ে ঘাবড়ে যায় মিটিল। তারপর মিঠি জানায় ঠাম্মির গয়না চুরি হয়ে গেছে আলমারি থেকে। মিটিল এই কথা শুনে খুব একটা বেশি অবাক হয় না। কারণ এখন মিঠিদের বাড়িতে নিত্যনতুন ঝামেলা লেগেই রয়েছে। আর মিটিলও প্রথমে ভাবে হয়তো চন্দ্র ঠাম্মির গয়না চুরি করেছে। কিন্তু মিঠি জানায় চন্দ্র চুরি করলে এত সহজে পুলিশ ডাকার কথা বলতে পারত না। তার মনে কোন ভয় নেই বরং নিজেই পুলিশ ডাকার তাগিদ দেখাচ্ছে। আর সেটা শুনে সন্দেহ হয় মিটিলের। হতেই পারে এটা কমলিনীকে ফাঁসানোর জন্য তাদের নতুন কোন চাল।
মিঠি মিটিলকে তাড়াতাড়ি পুলিশ আসার আগেই তাদের বাড়িতে আসতে বলে। সে মায়ের এই অপমান আর সহ্য করতে পারছে না। মিটিল তখন নতুনকে খবর দেওয়ার জন্য বলে। কিন্তু নতুনকে এসবের মধ্যে জড়ানো নিয়ে মিঠির মনে দোটানা চলতে থাকে। কিন্তু মিটিল জানায় সে নিজেই নতুনকে খবর দিচ্ছে এই সময় তার পাশে থাকা দরকার, আর তাদের বাড়িতে এত বড় একটা ঘটনা ঘটেছে বাড়িতে পুলিশ আসবে এটা তো নতুনের অবশ্যই জানা দরকার।
আরও পড়ুনঃ নেই র’ক্তের টান, তবুও ৫০ বছর বয়সে এসে পুত্র সন্তানের মা হলেন জোজো! নিজের সিদ্ধান্তে গর্বিত গায়িকা!
এরপর মিটিল আসে কমলিনীদের বাড়িতে। মিটিলকে রুদ্র পছন্দ করেনা, কারণ মিটিল এখন তাদের চোখের বিষ হয়ে গেছে। এখন মিটিলকে বাইরের লোক বলে সব সময় অপমান করে রুদ্র। যদিও মিটিল এসবের কোন কিছুতেই পাত্তা দেয় না। এরপর পুলিশ এসে তল্লাশি শুরু করে। সকলের আলমারির চাবি নিয়ে আলমারি সার্চ করা হয়, প্রত্যেকের ঘর সার্চ করা হয়। আর অবশেষে বর্ষা এবং চন্দ্রর প্ল্যান মত কমলিনীর আলমারি থেকে উদ্ধার হয় কমলিনীর শাশুড়ির গয়নার বাক্স। এবারে দেখার অপেক্ষা নতুন কিভাবে কমলিনীকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করে।

