আইবুড়োভাতে মালাকে জন্মের খাওয়া খাইয়ে দিল জগদ্ধাত্রী! পালাতে পারলে বাঁচে মালা!
একটা ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করে মালা উৎসবকে বিয়ে করে মুখার্জী বাড়িতে বউ হয়ে ঢুকে এবং মেহেন্দিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এরপর তাদের ধুমধাম করে বিয়ের আয়োজন করা হয়, কিন্তু এই বিয়ের মন্ডপেই মালাকে জব্দ করার পরিকল্পনা করে কৌশিকী আর জগদ্ধাত্রী মিলে। তারা মালার মেহেন্দিতে বিচুটিপাতা মিশিয়ে দিয়ে তাকে জব্দ করে।
জগদ্ধাত্রী ৮ ই সেপ্টেম্বর আজকের পর্ব (Jagaddhatri Today Episode 8 September)
আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায় যে, কাকুলি দেবী দেবুর সাথে দেখা করতে জেলে গেছে সেটা কীভাবে জানতে পেরে গেছে কৌশিকী মুখার্জী আর কৌশিকী মুখার্জী কাকুলিকে ফোন করে বলে আপনি এতটা নীচে কী করে নামতে পারলেন? আপনি জেলে চলে গেলেন দেবুর সাথে দেখা করতে? কিন্তু দেবুর মুখ থেকে আপনি এখন আর কোন কিছুই বার করতে পারবেন না। কারণ দেবু এখন আর কোনও বাড়ির জামাই নয়, দেবু এক মেয়ের বাবা আর তার মেয়ের সাথে কী হয়েছিল তা সে খুব ভালো করেই সে জানে।

এরপর কৌশিকী মুখার্জী বলে তার গোটা অফিসে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো আছে, তাই দীপেন শাস্ত্রী যে তার সাথে দেখা করতে গিয়েছিল সেটা সে খুব ভালো করেই জানে আর এটা শুনে ভয় পেয়ে যায় কাকুলী। দিব্যা কী হয়েছে জিজ্ঞেস করলে কাকুলি তাকে সবটা বলে তখন সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দেবু বলে, বলে, বলেছিলাম না তোমরা যখন ছক সাজাবে ততক্ষণে কৌশিকী মুখার্জী আর জগদ্ধাত্রীর প্ল্যান রেডি হয়ে গেছে।
অন্যদিকে দেখা যায় যে মালার আইবুড়ো ভাত। মালা আর উৎসব আইবুড়ো ভাত খেতে আসবে অনেক রকম রান্না বান্না করা হয়েছে এবং সেই সকল খাবার গুলো মালা আর উৎসবের সামনে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। কৌশিকী মুখার্জী বলছে একবার খালি মালা তুমি খাবারটা খাওয়া শুরু করো তারপর দেখো তোমার কি হাল হয়! জগদ্ধাত্রী বলছে, বড়দি আপনি আর বলেন না হাসি থামতে পারছি না। এরপর জগদ্ধাত্রীকে কৌশিকী বলে কিগো, ঠিকঠাক মতো জোলাপটা কাজ করবে তো?

জগদ্ধাত্রী বলে,হ্যাঁ। এরপর দেখা যায় মালা খেতে খেতে উঠে পড়েছে এবং সে বাথরুমে ছুটে যায়। বৈদেহী, উৎসবকেও বুঝতে পারে না কী ব্যাপার হচ্ছে! কিন্তু মালা তো একবার ঘর আর একবার বাথরুম করছে , তার হাতের জল শুকাচ্ছে না। তার অবস্থা রীতিমতো কাহিল হয়ে গেছে! কৌশিকী বলে অনেকক্ষণ তো হয়ে গেল! কাকিমনি দেখো নাম মালার কি হলো!
আরও পড়ুনঃ গণেশ চতুর্থীর দিন একি করলো মিহি! তার অসাধারণ প্রতিভায় মুগ্ধ টলিপাড়া!
অন্যদিকে সাধু বটব্যাল দীপেন শাস্ত্রীকে ধরে এনেছে এবং দীপেন শাস্ত্রীকে জিজ্ঞেস করছে, বল কেন তুমি কৌশিকী মুখার্জির বাড়ি গিয়েছিলে? দীপেন বুঝতে পারছে না কী করবে! সে যদি না বলে তাহলে সামনে পুলিশ তাকে ছাড়বে না আর যদি বলে দেয় তাহলে কাকুলি তাকে ছাড়বে না কিন্তু দীপেন কিছুতেই মুখ খুলছে না। তখন সাধু দা জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে বলে জ্যাশ তুমি এটা দেখো। জ্যাশ তখন বলে, যেভাবেই হোক স্পেশাল ট্রিটমেন্ট করে হলেও ওর মুখ খোলাতে হবে।

