‘টলিপাড়ার একটাই স্বর, জাস্টিস ফর আরজিকর’, তিলোত্তমা কান্ডের প্রতিবাদে এবার রাস্তায় নামলেন ছোটপর্দার তারকারা!

বর্তমানে সারা বাংলার মানুষ পথে মেনেছে আরজি করের (RG Kar Hospital) বি’চারের আর্জি জানিয়ে। বাংলার জেলায় জেলায় শোনা যাচ্ছে প্রতিবাদের গ’র্জন। রাস্তায় রাত দখল নেমেছেন বাংলার মা বোনেরা। সকলের মুখেই শোনা যাচ্ছে একটাই স্বর ‘জাস্টিস ফর আরজিকর’ (Justice For RG Kar)। তিলোত্তমার সঙ্গে ঘটে যাওয়ার ন’ক্কারজনক ঘটনার বিচার চাই। এই প্রতিবাদী ভাষায় শোনা যাচ্ছে প্রতিটি মানুষের মুখে।

তিলোত্তমার বি’চার চেয়ে রাস্তায় নেমেছেন ডাক্তার, নার্স এমনকি উকিলরাও। শুধু তাই নয়, বাদ পড়েননি বিনোদন জগতের তারকারাও। অভিনেত্রী শ্রুতি দাস থেকে শ্রীলেখা মিত্র, দুলাল লাহিড়ী থেকে শুরু করে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, এই ঘটনার তীব্র নি’ন্দা করেছেন সকলেই। দাবি তুলেছেন তিলোত্তমার বিচার এবং নারী সুরক্ষার। প্রশ্ন তুলেছেন পুলিশ এবং প্রশাসনের দায়বদ্ধতার ওপরও।

আরজিকর কান্ডের প্রতিবাদে রাস্তায় নামল ছোটপর্দার তারকারা

এবার এই পথেই হাঁটলেন ছোটপর্দার তারকারাও। রাস্তায় নেমে তিলোত্তমার বি’চার চাইলেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় তারকারা। গীতা এলএলবির ভজন মিত্তির অর্থাৎ অভিনেতা আদিত্য রায়, কে প্রথম কাছে এসেছির নায়ক সায়ন বসু, স্বাগতা মুখার্জী, শ্রুতি দাস, শুভজিৎ কর, সোমা চ্যাটার্জী, ওঙ্কার ভট্টাচার্য্য, মৈনাক ব্যানার্জী, কমলিকা বন্দোপাধ্যায়, অনিন্দ্য ব্যানার্জী, ইন্দ্রনীল মল্লিক, ভাস্বর চ্যাটার্জী, সুমন ব্যানার্জী সহ টলিপাড়ার একঝাঁক তারকারা আজ রাস্তায় নেমেছেন বি’চারের দাবিতে। প্রতিবাদী কণ্ঠ সকলে বলে উঠলেন “টলিপাড়ার একটাই স্বর, জাস্টিস ফর আরজিকর।”

আরজিকরের বিরুদ্ধে প্রতিবা’দের মিছিলে কি বলেছেন শ্রুতি দাস

সকলের মুখেই আজ শোনা গেল একস্বর। অভিনেত্রী স্বাগতা মুখার্জী জানালেন তাদের দাবি স্পষ্ট। তিনি চান তিলোত্তমার সঙ্গে যে ঘটনাটি ঘটেছে তাই বিচার হোক, যত দ্রুত সম্ভব। তিনি চান দোষীরা সকলেই যেন শা’স্তি পায়। এই একই প্রতিবাদের দাবি তুলেছেন অভিনেত্রী শ্রুতি দাসও। অভিনেত্রী জানিয়েছেন এই ধরনের ঘটনা যে কারুর সঙ্গেই হতে পারে।

আরও পড়ুন: পর্ণার দৌলতে পাল্টে গেল দত্ত বাড়ির ভোল! বিবাহ বার্ষিকীতে জেঠিকে রেঁধে বেড়ে খাওয়ালেন জেঠু! বর্ষাকে বিয়ের প্রস্তাব দিল পিকলু!

অভিনেত্রী এও বলেছেন ‘আমি নিজে শুটিং শেষ করে মেকআপ রুমে বসে থাকেন তখন একজন গার্ড এসেও তো আমাদের রে’প করে খু’ন করে দিয়ে যেতে পারে। আমরা দিনের পর দিন ১৮ ঘণ্টা করে শুটিং করি। আমাদের সুর’ক্ষা কোথায়? মেয়েরা কি বাড়িতে বসে থাকবে? আমরা এখন রাত দখল করছে এবার দিন দখল করব। কেউকে যেতে দেব না না খেতে পেয়ে ম’রব সকলে। কিন্তু বি’চার চাই।’

Back to top button