বনলতাই প্রমিতা জেনে গেলো জ্যাস! জগদ্ধাত্রীদের জন্য মা,’র’ন ফাঁ’দ পাতলো বনলতা!
এখন টেলিভিশনের পর্দায় মেস জনপ্রিয় একটি চ্যানেল হচ্ছে জি বাংলা (Zee Bangla)। আর এই চ্যানেলের নাম্বার ওয়ান গোয়েন্দা ধারাবাহিক হলো জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। প্রতিটি পর্বেই এই ধারাবাহিক রহস্যে পরিপূর্ণ থাকে। সেই রহস্যের জট খুলতে খুলতে এক পা এক পা করে এগিয়ে যায় ধারাবাহিকের নায়িকা। আর নায়িকার সাথে এগিয়ে চলে দর্শক মহল। আর এই বিষয়টি এই ধারাবাহিকটিকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, একদিকে জগদ্ধাত্রীর ননদ গরিমার বিয়ে আর অন্যদিকে দীপন বসুর খুনিকে ধরার প্রচেষ্টা এই দুই মিলিয়ে ভীষণ ব্যস্ত রয়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা জগদ্ধাত্রী ওরফে জ্যাস সান্যাল। তবে আসল অপরাধী অনেকটাই কাছে পৌঁছে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী। আর কয়েক পা এগুলোই আসল খুনির নাগাল পেয়ে যাবে সে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পুলিশের নাকের ডগা দিয়ে প্রমিতা বাসুর অনেক বড় ক্ষতি করে চলে যায় অপরাধী। সেই ঘটনাই জগদ্ধাত্রীকে ফোন করে বলে সাধুদা। সাধুদার কথা শুনে জগদ্ধাত্রীর সন্দেহ আরো বেড়ে যায়। জগদ্ধাত্রী সাধুদাকে বলে, “আমার মনে হচ্ছে যাকে হাসপাতালের বেডে শুইয়ে রাখা হয়েছে, সে আসল প্রমিতা নয়। বনলতাই হলো আসল প্রমিতা বসু। আমি যদি ভুল না হই তাহলে এটাই আসল সত্যি।” সাধুদা শুনে চমকে যায়।
জগদ্ধাত্রী তাড়াতাড়ি ফোন রেখে রেডি হয়ে তদন্তের উদ্দেশ্যে বেরোতে যাবে এমন সময় তাকে বাধা দেয় স্বয়ম্ভু। সে কিছুতেই জগদ্ধাত্রীকে ওই মুহূর্তে বাড়ি থেকে যেতে দিতে চায়না। জগদ্ধাত্রী তার স্বামীকে বোঝায়, সে যেমন বাড়ির বউ তেমনি একজন পুলিশ অফিসার। তাকে তার দায়িত্ব পালন করতে যেতেই হবে। এই বলে সে পাঁচিল টপকে চলে যায় গুঞ্জনের কাছে। কারণ গুঞ্জনের থেকে তার অনেক কিছু জানার ছিল। এদিকে তার শাশুড়ি মা অর্থাৎ বৈদেহি তাকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করে সে কোথায়? জগদ্ধাত্রী বলে সে বাথরুমে আছে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে আসবে।
আরো পড়ুন: মা নাকি সন্তান! কাকে বাঁ’চা’বে সৃজন? স্বামীর সাথে সম্পর্ক ভে’ঙে পর্ণাকে দেখতে এলো বর্ষা!
গুঞ্জনের কাছে গিয়ে জগদ্ধাত্রী একবার সেই মহিলার ফটো দেখায় যেই মহিলা হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। গুঞ্জন বলে এই মহিলাকে সে চেনে না। এরপর যখনই সে বনলতার ছবি দেখায় গুঞ্জন বলে এটাই নাকি তার দিদি প্রমিতা বসু। আর এনার স্বামী হচ্ছে দীপন বসু। জগদ্ধাত্রীর গণনা হুবহু মিলে যায় নিলে যায়। এইবার আর জগদ্ধাত্রীকে কেউ আটকাতে পারবেনা। গুঞ্জন এর থেকে জগদ্ধাত্রী জানতে পারে প্রমিতা এখন তার মায়ের সঙ্গেই রয়েছে। জগদ্ধাত্রী বুঝে যায় তার মা হলো কল্যাণী। এদিকে বনলতা অর্থাৎ আসল প্রমিত বসু জগদ্ধাত্রীকে মারার পরিকল্পনা করতে থাকে।

