উত্তেজিত হয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে নিল বৈদেহি! জ্যাসের নিশানায় স্বয়ম্ভুর সৎ মা!

অপরাধীর মুখ থেকে কিভাবে কথা টেনে বের করতে হয় সেটা জানা থাকলেই একজন সার্থক পুলিশ অফিসার হওয়া যায়। আর এই গুনটা খুব ভালোভাবেই রয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের নায়িকা জ্যাস সান্যালের মধ্যে। ডিপার্টমেন্টের সব থেকে সেরা অফিসারের তকমাটা তাকেই দেওয়া হয়। নায়িকার দৌলাতে ধারাবাহিকের টিআরপি আকাশ ছোঁয়া।

বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, জগদ্ধাত্রী যেমন একটু একটু করে দোষীদেরকে জালের মধ্যে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলছে ঠিক তেমনি আসল দোষীরা ও একটু একটু করে জগদ্ধাত্রীদের উপস্থিতি অনুভব করতে পারছে। তাই যত দিন যাচ্ছে জগদ্ধাত্রীর কাজটা আরো বেশি শক্ত হয়ে উঠছে। তবে তার উপস্থিত বুদ্ধির কাছে সবার সব প্রচেষ্টায় একেবারে মাঠে মারা যাচ্ছে। এইবার জগদ্ধাত্রী নিশানয় বৈদেহি মুখার্জী।

ধারাবাহিকের এই দিনের পর্বে দেখা যায় উৎসব মেহেন্দি চলে গিয়েছে অফিসে আর সেখানে গিয়ে কৌশিকী মুখার্জীর একজন অতি বিশ্বস্ত স্টাফ হৈমন্তীর সাথে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে সে। এখান থেকে কে ফোন করেছিল সেটা জানার জন্য সিসিটিভি ফুটেজ চেক করতে বাধ্য করলে, হৈমন্তী স্পষ্ট জানায় তাদের উপর এমন জোর খাটানো যাবে না কারণ প্রত্যেকটা স্টাফ মিলে যদি কিছু একটা করে তাহলে সেটা কোম্পানি এবং তাদের মালিকদের জন্য খুব একটা সুখকর হবে না। ভয়েতে আর কিছু করতে পারে না তারা।

এদিকে কৌশিকীর সাথে কথা বলতে থাকে জগদ্ধাত্রী। কৌশিকী সেদিনকার রিসোর্ট এর ফুটেজটা দেখতে দেখতে বোঝার চেষ্টা করছিল এর পেছনে আসল কালপিট কে। হঠাৎ করেই জগদ্ধাত্রীর মনে হলো দিব্যা সেনকে প্রশ্ন করলে হয়তো কিছু বেরিয়ে আসলেও আসতে পারে। তাদেরকে জানতেই হবে বৈদেহিকে কেন ফোন করেছিল দিব্যা? এরপর জগদ্ধাত্রী ফোন করে স্বয়ম্ভুকে। তাকে বলে এক্ষুনি দিব্যা সেনকে ডিপার্টমেন্টে তুলে আনা হোক।

আরও পড়ুনঃ আই কার্ড দেখাতে গিয়েই ধরা পড়ে গেল তরঙ্গ! অন্যদিকে পান খাইয়ে কৃষ্ণাকে বশ করলো ইশা!

দিব্যা সেন ডিপার্টমেন্টে আসতেই স্বয়ম্ভু প্রশ্ন করা শুরু করে। প্রথম প্রশ্ন রিসর্টে সে কেন গিয়েছিল? পরের প্রশ্ন বৈদেহিকে সে কেন ফোন করেছিল? কথাটা শোনা মাত্রই চমকে ওঠে দিব্যা সেন। পুরো বিষয়টা অস্বীকার করার চেষ্টা করলে, তার কাছ থেকে ফোনটা নিয়ে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে বৈদেহিকে ফোন করা হয়। আর তারপর ফোনটা স্পিকারে দেওয়া হয়। দিব্যা সেন ফোন করছে দেখে ফের ভয় পেয়ে যায় বৈদেহি। সে তাড়াতাড়ি ফোনটা ধরে উত্তেজিত হয়ে বলে ফেলে, “তুমি আমায় ব্ল্যাকমেইল করতে পারবে না। কারণ আমি গুলিটা করিনি।” ব্যাস কথাটা শুনে দুয়ে চার করে ফেলে জ্যাস। এরপর স্বয়ম্ভুকে সে বলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বৈদেহি মুখার্জীকে ডিপার্টমেন্টে তুলে আনতে হবে।

Back to top button