কৃষ্ণার যত্নে দম বন্ধ হওয়ার জোগাড় পর্ণার! সুযোগ বুঝে সৃজনের লটারির টিকিট সরিয়ে ফেলল অয়ন!

জি বাংলার (Zee Bangla) চলতি সপ্তাহের টিআরপি টপার নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকটি দর্শকদের মধ্যে মনি হয়ে উঠেছে। ধারাবাহিকের প্রতিটি সদস্যের অভিনয় এবং বিশেষ করে নায়িকার বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতা দর্শকদের নজর কেড়েছে। একটা সহজ সরল গল্প এত আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে যে একদিনও ধারাবাহিকের পর্দা থেকে চোখ সরছে না দর্শকদের। যার ফল মিলেছে টিআরপি তালিকাতেই।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা তার শ্বশুরবাড়িকে একটা দারুন খুশির খবর শুনিয়েছে। মা হতে চলেছে ধারাবাহিকের নায়িকা। তাকে নিয়ে এখন মেতে উঠেছে গোটা দত্ত পরিবার। শুধুমাত্র এই কারণেই এই প্রথমবার নায়িকা পর্ণাকে মেনে নিয়েছে তার শাশুড়ি মা কৃষ্ণা। তাকে বরণ করে আশীর্বাদ করেছেন তিনি। যদিও পর্ণা নয় বরং তার আসন্ন নাতির চিন্তাই তাকে বেশি ব্যাকুল করছে। তবে তার বৌমার প্রতি প্রথমবার এই সহানুভূতি বেশ উপভোগ করছেন দর্শক মহল।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণাকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে সৃজন। প্রথমে তারা দুজন মিলে অনেক ফুচকা খায়। সৃজন বলে, এই সময়ে নাকি টক খেতে ভালো লাগে। তাই সে পেট ভরে ফুচকা খাওয়ায় পর্ণাকে। এরপর তারা চলে যায় একটা লটারির টিকিট কাটতে। সেখানে গিয়ে একটা টিকিট নিয়ে নেয় সৃজন। লটারির দোকানদার তাকে বলে, প্রাইজ জিতলে তার একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দোকানদারের প্রাপ্য তাই টিকিটটা নিয়ে যেন দোকানে আসে তারা। সৃজন সেখান থেকে বেরোতেই ঢুকে পড়ে অয়ন আর জানতে চায় কোন সিরিয়াল নাম্বারের টিকিট কেটেছে সৃজন। কারন সে মনে মনে ফন্দি এঁটেছে ওই লটারির একটা টাকাও ভোগ করতে দেবে না সৃজনকে।
এরপর তারা বাড়ি ফিরতেই কৃষ্ণা বকাবকি শুরু করে। সে আর জেঠি দুজন মিলে বলে এই সময় বেশি লাফালাফি করা এদিক ওদিক বেরোনো এসব একদম ঠিক নয়। কৃষ্ণা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তার নাতির কোন ক্ষতি হতে দেবে না সে। তার নাতিকে সুস্থ ভাবে জন্মাতে হবে। কথাগুলো শুনে আবারও মন খারাপ হয়ে যায় পর্ণার। সে বুঝে উঠতে পারেনা কিভাবে, ঠিক কি করলে নাতি আর নাতনি এই দুজনের মধ্যে যে বিভেদ সেটাকে মুছে ফেলবে তার শাশুড়ি মা তথা গোটা দত্ত বাড়ির মন থেকে। প্রেসক্রিপশন দেখতে দেখতে সৃজন এর হাত থেকে টিকিটটা পড়ে গেলে সেটাকে চুরি করার মতলব করে অয়ন। তবে শেষ পর্যন্ত সেটা আর সফল হয় না।
আরো পড়ুন: মিঠিঝোড়ায় নতুন মোড়, রাইয়ের বিপরীতে আসছে মিঠাই ধারাবাহিকের প্রধান নায়ক!
এর মাঝে অখিলেশ তার বউকে বলে, এইবার যদি চয়নের একটা ছেলে মেয়ে হয়ে যায় তাহলে বেশ ভালই হয়। বুবাইটা তোর বাবা মার মত গাধা হয়েছে, কিন্তু চয়নের বউ বেশ চৌকস। তাদের ছেলে মেয়ে ভালই হবে। জেঠি রুচিরাকে সেই কথাটা জানায়। রুচিরা তার শাশুড়ি মাকে বলে সে অবশ্যই এটা নিয়ে ভেবে দেখবে। এদিকে সৃজন তাদের গাড়িটা আবার ধোয়া মোছা করে বের করে। সেই গাড়ি করেই পর্ণাকে রোজ সৃজন অফিসে দিয়ে আসবে এবং নিয়ে আসবে এমনটাই পরিকল্পনা করে সে। সেই অনুযায়ী বেরিয়ে পড়ে তারা। তবে মাঝ রাস্তায় গাড়ি খারাপ হয়ে যায়। বেশ বিপাকে পরে সৃজন পর্ণা।

