বাংলার কোকিলা মোদি হল লাবণ্য সেনগুপ্ত! দুই সিরিয়ালের শাশুড়ি তার বৌমাদের আগলে রাখে, আর ভিলেনদের মজা দেখায় বলছে দর্শক

বাংলা টেলিভিশনের এই মুহূর্তে সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ‘অনুরাগের ছোঁয়া’। যেখানে এখন সূর্য দীপার পাশাপাশি তাদের দুই যমজ মেয়ে সোনা রুপা অত্যন্ত পছন্দের হয়ে উঠেছে দর্শকদের মধ্যে। কিন্তু দিনে দিনে মিশকা একের পর এক চক্রান্ত করছে। এবং সূর্য দিবার ভুল বোঝাবুঝিও বেড়ে চলেছে। এত বছর পরেও সূর্যর মন থেকে দীপাকে মিশকা মুছে ফেলতে পারেনি কিন্তু এবার সে দার্জিলিং-এ গিয়ে এমন একটা চক্রান্ত করল যার ফলে সূর্য অত্যাধিক রেগে গেল দীপার ওপার। এমনকি তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিল।

প্রসঙ্গত সম্প্রতি পর্বে দেখা যাচ্ছে সূর্য তার পুরো পরিবারকে নিয়ে দার্জিলিং-এ বেড়াতে গেছে এবং তাদের সঙ্গে গেছে মিশকা। উল্টো দিকে দীপা এবং রুপা তার সঙ্গে দীপার দাদা বৌদি সকলে মিলে দার্জিলিং-এ বেড়াতে গেছে। কিন্তু ট্রেনের মধ্যে তাদের একে অপরের সঙ্গে দেখা হয়েছে। প্রথমে সোনা রুপা একে অপরকে দেখার পরে তারা সকলের চোখ এড়িয়ে একে অপরের সঙ্গে খাবার ভাগ করে খেয়েছে। এরপরেই যখন সোনা তার ফুল মায়ের সঙ্গে দেখা করতে আসে সেখানে সূর্য জানতে পারে যে দীপা এসেছে আর সেও দার্জিলিং-এ যাচ্ছে, এই শুনে সূর্য বাড়ি ফিরে যেতে চায়।

এরপরই দীপা নিজের উপস্থিত বুদ্ধির দ্বারা সূর্যকে দার্জিলিং – এ নিয়ে যায় এবং সেখানে গিয়ে দেখা যায় মিশকা সোনাকে কিডন্যাপ করানোর চক্রান্ত করছে এবং সেই দোষ দেওয়ার চেষ্টা করছে দীপার ওপর। কিন্তু এই সব কিছুর মধ্যেই দর্শকরা একটি চরিত্রকে অত্যন্ত পছন্দ করছে যেটি হলে সূর্যের মা লাবণ্য সেনগুপ্ত চরিত্র। যেটি প্রথম থেকে কিছুটা কড়া হলেও আস্তে আস্তে এত সুন্দর একটি ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছে যা অত্যন্ত পছন্দের হয়ে উঠেছে দর্শকের। একদিকে সূর্যকে সামলানো এবং অন্যদিকে দীপাকে নিজের মেয়ের মতো করে আগলে রাখা এসব কিছুই করেছেন লাবণ্য সেনগুপ্ত। এই চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মৈত্রকে।

মা হওয়ার কম্পিটিশন ছাড়া কি জীবনের আর কোন লক্ষ্য নেই দীপা আর উর্মির? একজন ডাক্তার হয়ে সূর্য কীভাবে এইসব মেনে নিচ্ছে'! কটাক্ষ শুরু হলো ...
সেই সঙ্গে অন্য একটি জনপ্রিয় হিন্দি ধারাবাহিক হল ‘সাথ নিভানা সাথিয়া’। যেটি একটা সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল স্টার প্লাসে। গোপী বহু এবং তার মাজীর জুটি দর্শকের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিল। যা বহু বছর আগে শেষ হয়ে গেছে কিন্তু এখনো পর্যন্ত সেই চরিত্র গুলোকে ভুলতে পারেনি দর্শক। সেখানে নায়ক এহেমের মায়ের চরিত্রের নাম ছিল কোকিলা মোদি। যিনি একেবারেই ওপর থেকে কঠিন এবং ভেতর থেকে নরম একটি চরিত্র ছিল। যে তার বৌমাকে অত্যন্ত পছন্দ করত আর তাকে একেবারে মায়ের মত আগলে রাখত। আর তার চরিত্রের সঙ্গেই এবার লাবন্য সেনগুপ্তের চরিত্রের মিল পেলে দর্শক।

May be an image of 1 person
এই নিয়ে এক নেটিজেন লিখেছেন, “‘সাথ নিভানা সাথিয়া’র কোকিলা মোদী আর ‘অনুরাগের ছোঁয়া’র লাবণ্য সেনগুপ্ত- এই চরিত্রদুটির অদ্ভুত মিল। দুজনকেই বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় কঠিন, রাগী, অহংকারী। কিন্তু দুজনেই মনের দিক দিয়ে খুব ভালো। কিছু কিছু সময়ে এরা নিজেদের ছেলের বৌদের ভুল বুঝে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে কিন্তু যখনই নিজেদের ভুলটা বুঝতে পেরেছে তখনই ছেলের বৌদের কাছে টেনে নিয়েছে ভালোবেসে।
আর রাশির মা ঊর্মিলা আন্টি হোক বা রাশি, বা এদিকে রত্না আন্টি, ঊর্মি, বা মিশকা- সবার শ*য়তানি বুদ্ধি এনাদের সামনে এসে চুপসে যায়।”

Back to top button