‘মেয়েদের বিয়ে দিয়ে ঠিক যেমন বাবা মা নিশ্চিন্ত হয়, ঠিক তেমনই কষ্ট হয় মায়াও হয়’ ! ‘গাঁটছড়া’তে তিন মেয়েকে একসঙ্গে বিয়ে দিয়ে খড়ির বাবা মায়ের দুঃখে কাতর দর্শক

স্টার জলসার (Star Jalsha) একসময়ের টিআরপি টপার সিরিয়াল হল ‘গাঁটছড়া’ (Gaatchora)। শুরু থেকেই এই ধারাবাহিক মন কেড়েছিল দর্শকদের। ধীরে ধীরে ‘খড়িদ্ধি’ জুটি দর্শকের কাছে হয়ে ওঠে জনপ্রিয়। এই ধারাবাহিকে আছে মূল তিনটি জুটির প্রেমকাহিনী। সিংহরায় বাড়ির তিন ছেলে ও ভট্টাচার্য বাড়ির তিন মেয়ে। ঋদ্ধিমান, রাহুল, কুনাল আর দ্যুতি, খড়ি, বনিকে নিয়ে শুরু হয়েছিল গাঁটছড়ার পথচলা।

গল্পের খাতিরে একসাথে বাঁধা পরে ঋদ্ধি ও খড়ি। তারপর হাজারো ঝড়ঝাপ্টা পেরিয়ে দেড় বছরের বেশি সময় ধরে দর্শক মনে বিরাজ করছে গাঁটছড়া সিরিয়ালটি। সময়ের সাথে সাথে টিআরপি কমলেও জনপ্রিয়তা কমেনি ধারাবাহিকের। অনুরাগীদের কাছে আজও গাঁটছড়াই সেরা। মানুষ খড়ির চরিত্রে অভিনয়কারী সোলাঙ্কিকে বড্ড ভালোবাসেন। পাশাপাশি গল্পের বুনন নজর কেড়েছে বারংবার দর্শকের।

সম্প্রতি, গাঁটছড়ার প্রতিটি পর্ব এখন জমজমাট। খড়ি এক দুর্ঘটনার পর ফিরে আসলেও তার স্মৃতি এখনও ধীরে ধীরে ফিরছে। তবে এরই মাঝে খড়ি আর ঋদ্ধির নতুন করে লেখা প্রেমের গল্প মন কেড়েছে দর্শকের। বনির বিয়েকে কেন্দ্র করে সিংহরায় আর ভট্টাচার্য বাড়ি জুড়ে পড়েছিল হৈচৈ। কুনালের মা কিছুতেই বনিকে নিজের বৌমা হিসাবে মেনে নিতে চায়নি। তবে ছেলের ভালোবাসার কাছে তাকে হার স্বীকার করতে হয়েছে। গাঁটছড়া পরিবারে এখন বাজছে বিয়ের সানাই।

একটা দুটো নয় একেবারে তিন জোড়া বিয়ে। আসলে সকলেরই বিয়েটা হয়েছিল অন্যরকম ভাবে তাই সুস্থ ভাবে আবার বিয়ের পিঁড়িতে তিন বোন তিন ভাই। তবে এত আনন্দের মাঝেও বিষাদের সুর খড়ির মনে। বিয়ের পর সব বাবা মারি কোল খালি করে পরের বাড়িতে চলে যায় নিজের সন্তান। এবার তিনজনে একসাথে গোটা বাড়িকে শূন্য করে চলে গেল শ্বশুর বাড়ি।

মেয়েদের বিয়ে করিয়ে দিলে বাবা মারা যে শুধুমাত্র নিশ্চিন্ত হন সেটা কিন্তু নয়। তার পাশাপাশি তার ঘরবাড়ি কোল সবকিছুই শূন্যতায় ভরে যায়। এমনটাই দেখা গেল গাঁটছড়ার এ দিনের পরবে। এক ভক্ত খড়ির বাবা মায়ের দুঃখে দুঃখ প্রকাশ করে বললেন – ‘মেয়েদের বিয়ে দিয়ে ঠিক যেমন বাবা মা নিশ্চিন্ত হয় ঠিক তেমনই কষ্ট হয় মায়াও হয়। বাড়িটা কেমন কেমন ফাঁকা ফাঁকা হয়ে যায়। সারাক্ষণ বাবা মায়ের সাথে হাসি, খুনসুটি, রাগ, অভিমান, ভালোবাসা দিয়েই তো একটা পরিবারের সম্পর্ক গঠিত হয়। তখন যে মা বাবার মনের ভিতর কি চলে সেটা শুধুমাত্র তার বাবা মাই জানে।’

Back to top button