আর ভালো লাগছে না সূর্য দীপার ভুল বোঝাবুঝি ট্র্যাক, এবার গল্প বদলানো হোক না হলে বন্ধ করা হোক! ‘অনুরাগের ছোঁয়া’র গল্প দেখে তিতবিরক্ত দর্শক

বর্তমানে টিআরপি তালিকার দিক থেকে বাংলা ধারাবাহিকের মধ্যে সেরার সেরা ধারাবাহিক হল স্টার জলসার ‘অনুরাগের ছোঁয়া’। নতুন বছর পরার পর থেকেই টিআরপি তালিকাতে শীর্ষস্থান দখল করে রয়েছে এই ধারাবাহিকটি। শুরু থেকেই ধারাবাহিকের গল্প দর্শকদের কাছে ভীষণ প্রিয়। এছাড়া সূর্য দীপার রসায়ন নিয়ে কখনোই কেউ খারাপ বলেনি। তবে বহুদিন হয়ে গেছে তাদের দুজনকে একসাথে দেখা যায় না।
সূর্যর বন্ধু মিশকার জন্য তাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়েছে। চক্রান্ত করে সূর্যর মনের মধ্যে সন্দেহের বীজ বুনে দিয়েছে মিশকা। আর তার ফলে বহু বছর তারা একসাথে আর নেই। তবে তাদের দুজনের দুই যমজ মেয়ে হয়েছে। একজন রয়েছে দীপার কাছে এবং অন্যজন রয়েছে সূর্যর কাছে। বর্তমানে গল্পে দেখা গেছে দুই মেয়েই মা-বাবার সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক স্থাপন করেছে। কিন্তু একে অপরের পরিচয় নিয়ে এখনো সত্যির সম্মুখীন হয়নি কেউ।

তবে এতদিন ধারাবাহিকের গল্প দেখে দর্শকরা প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছিল। তাছাড়া দিনে দিনে দর্শকদের মধ্যে থেকে এই আবেদন মাথাচারা দিচ্ছিল যে অনেকদিন হয়ে গেল এবার যেন সূর্য দীপাকে এক করে দেওয়া হয়। কিন্তু ধারাবাহিক নির্মাতারা গল্প বাড়িয়ে চলেছে এবং সূর্য দীপার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিও বাড়িয়ে চলেছে। তাই সেভাবে আর পছন্দ করছে না দর্শক এটিকে।
এখন সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই অনুরাগের ছোঁয়া নিয়ে দর্শকদের বিরক্তি প্রকাশ পাচ্ছে। তাদের মতে অনেকদিন হয়ে গেল সূর্য দীপার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি দেখে যাচ্ছে আর এই একই ট্র্যাক ভালো লাগছে না। এবার মিশকার পর্দা ফাঁস হোক আর সূর্য দীপার মধ্যে সব ভুল বোঝাবুঝি মিটে যাক না হলে আর দর্শক পছন্দ করবেনা।
আসন্ন পর্বে দেখা যাবে দীপা স্কুলের চাকরি ছেড়ে দিচ্ছে এবং উল্টোদিকে সোনা চায় না বলে সূর্য মিশকাকে বিয়ে করবে না। কিন্তু বলেছে সে বাড়ি ছেড়ে অনেক দূরে চলে যাবে সোনাকে নিয়ে। আবার অন্যদিকে তবলার কাছে যে প্রমাণটা ছিল সেটাও হারিয়ে গেছে। আর দীপা তাকে বলেছে এইসবের মধ্যে আর না থাকতে।
এই নিয়ে এক নেটিজেন সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “এবার বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে।ঝামেলা মিটমাটের কোনো দিকই দেখছি না উল্টা আরও বাড়ছে। দীপা বলছে আর ওই স্কুলে চাকরী করবে না আর এইদিকে সোনা চায় না বলে সূর্য মিশকাকে বিয়ে করবে না; এখন থেকে সূর্যই সোনার মা-বাবা; সোনাকে এই স্কুলে আর পড়াবে না অনেক দূরে নিয়ে যাবে! তবলার প্রমাণটাও হারিয়ে গেছে।দীপাও বলে দিয়েছে আর এই সবের মধ্যে ও নিজেও থাকবে না আর তবলাও যেন না থাকে।”

