আরো একবার সবাইকে তা’ক লাগিয়ে দিল শ্যামলী! তার অভিনব আইডিয়ায় পা’কা হল কো’টি টা’কা’র ডিল!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিক গুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে অপেক্ষাকৃত নতুন একটি ধারাবাহিক বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই ধারাবাহিকটি হলো কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। শুরু থেকেই দর্শকদের নজর কেড়েছে ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী। এই ধারাবাহিকে নায়িকাকে দুটি ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে। টিআরপি তালিকায় তৃতীয় স্থানীয় অবস্থান করছে এই মেগা।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ব্যবসায় পা রাখতে না রাখতেই এক অনেক বড় চোরের মুখোশ টেনে ছিড়ে দিয়েছে শ্যামলী। অরুণাভ একটু একটু করে দা বেঙ্গল ক্যাটারারকে ভিতর থেকে খোকলা করে দিচ্ছিল। শ্যামলী বুদ্ধি খাটিয়ে সবটাই ধরে ফেলেছে। তবে ধরা পড়ার পর নতুন নাটক শুরু করেছে সে। ব্লাড ক্যান্সারের বাহানায় আবার নতুন করে সব কিছুর মধ্যে ঢুকতে চাইছে অরুণাভ।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনিকেত আর সূর্য শ্যামলীর উপস্থিতিতে তৃষাকে ডেকে পাঠায়। একজন অনেক বড় মন্ত্রীর একটা অনুষ্ঠান রয়েছে, যেখানে অনেক ভালো ভালো খাবার লাগবে। বাংলার সমস্ত বড় বড় ক্যাটারার এর অফিসেই সেই খবর জানিয়েছে তাদের লোকজন। তারা যদি এই ডিলটা পায় তাহলে অনেক টাকা লাভ করতে পারবে। এরপর অনিকেত শ্যামলীকে বিভিন্ন খাবারের ছবি দেখাতে থাকে। কিন্তু শ্যামলী বলে, এতে কোন প্রাণ নেই এসব দেখে আবার বোঝা যায় নাকি খেতে কেমন? অনিকেত সেই সময় এই কথাগুলোকে তেমন পাত্তা দেয়নি।
শ্যামলী বাড়ি ফিরে ভাবতে থাকে তাকে একটা নতুন কিছু তো করতেই হবে। সে যদি নতুনত্ব কিছু না আনে তাহলে আর পাঁচটা ক্যাটারারের সাথে তাদের অমিল কোথায় হবে? আর এমনটা না হলে তারা এগোবেই বা কি করে? তাই সে ঠিক করে এবার যা করবে সে নিজেই করবে। শ্যামলী তার মহেশ্বরকে বলে, সে যেন সবসময় তার পাশে থাকে। এরপর সে অফিসে না গিয়ে রান্না বান্না করতে থাকে। কারণ সে যে পরিকল্পনা করেছে সেটা সফল করতে গেলে তাকে নিজেকে রান্না করতেই হবে।
আরো পড়ুন: “মনে ক’লু’ষ’তা রেখে…” আদৃত-কৌশাম্বির বিয়ের মরশুমের এটা কী বলে দিলেন সৌমিতৃষা!
এদিকে অনিকের সূর্য সবাই মিলে খাবারের প্রেজেন্টেশন দিতে চলে আসে। সবকিছু ভালোভাবে দেখানোর পর কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে তাদেরকে জানানো হয়, এতে নতুনত্ব কিছু নেই। এরকম ছবি দেখে কি সব বোঝা যায়? অনিকেতের তখন শ্যামলীর বলা কথা খুব মনে পড়ে। কারণ সেই একই কথার শ্যামলীও বলেছিল। এর কিছুক্ষণ পরে শ্যামলী এবং গোটা জোড়া বাড়ি সেখানে খাবার হাতে সোলো আনা বাঙালি বেশে এসে উপস্থিত হয়। যা দেখে চমকে যায় অনিকেত।

