পর্ণার কথা শুনে খুশি হয়ে গেলো সৃজন, সুটকেসে ভরে বর্ষাকে পাচার করে দিলো অর্ণব! তাদের কুকীর্তি ধরে ফেললো পর্ণা!

বর্তমানে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় অন্যতম জনপ্রিয় একটি ধারাবাহিক হিসেবে নিজেকে দর্শক মহলের কাছে প্রতিষ্ঠিত করেছে নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu)। এই ধারাবাহিকে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন পল্লবী শর্মা। তার অভিনয়ে প্রত্যেকদিন মুগ্ধ হচ্ছে দর্শক মহল। গত সপ্তাহে টিআরপি তালিকা অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিকের নাম।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ধারাবাহিকের নায়ক সৃজন এর বোন বর্ষা ভালো নেই। বর্ষার কথাগুলো শুনে খুঁতখুঁত করতে থাকে নায়িকার মন। তাই পর্ণা আর সৃজন দুজনে বর্ষা আর অর্ণবকে জামাইষষ্ঠীর নেমন্তন্ন করতে যায়। বর্ষা বাড়িতে না থাকায় তার সাথে দেখা না করেই ফিরতে হয় পর্ণা আর সৃজনকে। পর্ণা খুব ভালো করেই বুঝতে পারে, সমস্যা কোথাও একটা নিশ্চয়ই আছে।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১৬ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 16 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সৃজন পর্ণার জন্য চা নিয়ে আসে এবং ফু দিয়ে ঠান্ডা করে পর্ণাকে খাইয়ে দেয়। যেটা ভীষণ ভালো লাগে পর্ণার। পর্ণা বলে, এই বাড়ির প্রত্যেককেই তার খুব আপন লাগে। সবার সঙ্গেই যেনো তার কোন একটা অজানা সম্পর্ক রয়েছে। সবার প্রতি একটা টান অনুভব করে সে। আর এই বাড়িতে এসে সব থেকে যাকে মিস করবে সে হলো পুঁটি। এরপর সৃজনের গাড়িতে উঠে পর্ণা বলে, পুঁটির পর যদি সে কাউকে মিস করে তাহলে সেটা সৃজন। কথাটা শুনে ভীষণ খুশি হয়ে যায় সে।
বর্ষাকে পাচার করে দিল অর্ণব
এদিকে বর্ষার দেহটা নিয়ে কি করবে কিছুই ভেবে উঠতে পারে না অর্ণব। সোহিনী অর্ণবকে বলে, এখন বর্ষা অজ্ঞান অবস্থায় রয়েছে। তাই যা করার এখনই করতে হবে। বর্ষার মুখে বালিশ চাপা দিয়ে ওকে মেরে ফেলতে হবে। এই সমস্ত ঝামেলায় জড়াতে চায় না অর্ণব। সে বলে, মেরে ফেলে লাশ লোকাতে সমস্যা হবে। তাই ওকে এমন জায়গায় পাঠিয়ে দিতে হবে যেখান থেকে ও আর কখনো ফিরতে পারবে না।
আরও পড়ুনঃ মেহেন্দির পাঠানো ছবি মাথা ঘুরিয়ে দিল বৈদেহির! ডিএনএ টেস্টের জন্য উঠে পড়ে লাগলো কৌশিকী!
এরপর তাড়াতাড়ি বর্ষাকে সুটকেসে ভরে ফেলে অর্ণব। এদিকে দত্ত বাড়িতে ফিরে গিয়ে সৃজনরা দেখতে পায় সেখানে বর্ষা নেই। এদিকে তার ফোনটাও বন্ধ। বেশ চিন্তায় পড়ে যায় পর্ণা। সৃজন তখন অর্ণবকে ফোন করতে যায় আর ঠিক তখনই অর্ণব নবনীতা এবং সোহিনী দত্ত বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়। নবনীতা বলে বর্ষা নাকি দুপুর থেকে বাড়িতে ফেরেনি তাই তার মনে হয়েছে বর্ষা এই বাড়িতে এসেছে। বর্ষার কোন খোঁজ নেই জানতে পেরে দত্ত বাড়ির প্রত্যেকে চিন্তায় পড়ে যায়।

