ইশার প্ল্যান মাটি করে বাজুরিয়াকে তাড়ালো পর্ণা, টাকা দিয়েছে অনুভব জানতে পেরে তুলকালাম দত্ত বাড়িতে!

ভাগ্য করে পর্ণার মতন একজন লক্ষী বউ পেয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের দত্ত পরিবার। যত রকম বিপদই আসুক না কেন, সেই সমস্ত রকমের বিপদ থেকে নায়ক সৃজন এবং তার গোটা পরিবারকে উদ্ধার করে চলেছে পর্ণা। তবুও তার ওপরে যত রাগ তার শাশুড়ির। আরো একবার এক চরম বিপদ থেকে সবাইকে বাঁচালো ধারাবাহিকের নায়িকা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, কৃষ্ণার মুর্খামির জন্য ভাঙতে বসেছিল দত্ত বাড়ি। সে বাজুরিয়ার মতন একটা জোচ্চোর প্রোমোটারের থেকে ১৫ লাখ ঢাকা ধার করে। পরে তার কিছুটা শোধ দেওয়া হলেও যেটুকু অংশ বাকি থাকে সেটা সুদে-আসলে হয়ে যায় সাড়ে সাত লক্ষ টাকা। আর সেই টাকা একদিনের মধ্যে না দিতে পারলেই বাড়ি ভেঙে ফেলার হুমকি দেয় বাজুরিয়া। এরপর ইশার প্ল্যান মাফিক বাড়ি ভাঙতে চলেও আসে তারা। ঠিক তখনই মেশিনের সামনে এসে রুখে দাঁড়ায় পর্ণা। এরপর আধ ঘণ্টার সময় নিয়ে টাকা যোগাড় করতে চলে যায় সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা চলে যাওয়ার পর ফের একটু একটু করে তার নামে কু কথা বলা শুরু করে কৃষ্ণা। সবার সামনে তাকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দেয় সৃজনের বাবা। তিনি স্পষ্ট বলেন, আজ এই বাড়ি ভাঙ্গনের মুখে দাঁড়িয়েছে শুধুমাত্র তার জন্য তাই তার কথা বলার সাজেনা। এদিকে বাজুরিয়া বসে রয়েছে আধঘন্টা পর বাড়ি ভাঙার জন্য আর অন্যদিকে ইশা গাড়ির মধ্যে ৩০ মিনিট পর যে সেলিব্রেশন হবে সেটার অপেক্ষা করে চলেছে।

পর্ণা তার চেনা এক ব্যক্তির কাছে যায় যে এমন সুদে টাকা ধার দেয়। কিন্তু সে এখন এই ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে। আর কোন উপায় না পেয়ে অনুভবের কাছে গিয়ে সে এমন এক লোকের খোঁজ করে যে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অনুভব তখন পর্ণাকে বলে, সে তার একটা কাজের জন্য দশ লক্ষ টাকা তুলে রেখেছিল। তার মধ্যে থেকেই সাড়ে সাত লক্ষ টাকা সে ধার দিচ্ছে। পর্ণা অনুভবের কাছে অনেক কৃতজ্ঞতা জানায়। এরপর অনুভব তাকে তার বাইক করে দত্ত বাড়ির কাছাকাছি নামিয়ে দেয়।

হাতে সময় শেষ দেখে বাজুরিয়া মেশিন চালানোর প্রস্তুতি নেয়। ইশাও এই মুহূর্তটার জন্যই এতক্ষণ ছটফট করছিল। কিন্তু পর্ণা টাকাটা এনে বাজুরিয়ার মুখে ছুড়ে দিতেই সব প্ল্যান মাটি হয়ে যায় ইশার। অনেক অপমান করে বাজুরিয়াকে তাড়িয়ে দেয় গোটা দত্ত পরিবার। ইশা মৌমিতাকে খোঁজ নিতে বলে যে কার থেকে এতগুলো টাকা এত তাড়াতাড়ি পেয়ে গেল পর্ণা? এরপর রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পর্ণা স্বপ্ন দেখে, টাকাটা অনুভবের থেকে নেওয়ায় প্রত্যেকে তাকে ভুল বুঝে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এটা দেখে ঘুমের মধ্যে চিৎকার করে উঠে পর্ণা। আর তারপর কথায় কথায় সেই কথাটা সৃজনকে বলেও ফেলে সে। এটা জানা মাত্রই সৃজনও পর্ণার উপর চিৎকার করে ওঠে। তবে কি একদিক সামলাতে গিয়ে আবার নতুন বিপদে পড়ে গেল ধারাবাহিকের নায়িকা?

Back to top button