আবার ফুলশয্যা❗লজ্জায় লাল আদি আনন্দী❗সম্প্রচারের আগেই ফাঁ’স ধারাবাহিকের আগামী পর্ব

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশন জগতের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক প্রদর্শনকারী চ্যানেল হল জি বাংলা। আর এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিক গুলি বহাল তবিয়তে সম্প্রচারিত হচ্ছে এবং দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হচ্ছে তাদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো আনন্দী (Anondi)। এই ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়েই ফিরে এসেছে এক পুরনো জুটি।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, আনন্দী বুঝতে পেরেছিল সোনার হারটা এই বাড়িরই কেউ চুরি করেছে। এরপর একটু তদন্ত করে সে বুঝতে পারে এই কাজটা করেছে কাকীমণি। তারপর সবার সামনে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে আসল দোষীর পর্দা ফাঁস করে নায়িকা। যার ফল স্বরূপ সবাই কাকীমণির উপর প্রচন্ড রেগে যায়। তার স্বামী তাকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। অবশেষে এতোটুকু অনুশোচনা না নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় সে।

Anondi, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, আনন্দী, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anondi Today Episode 7 December, আনন্দী আজকের পর্ব ৭ ডিসেম্বর, আনন্দী আজকের পর্ব

আনন্দী আজকের পর্ব ৮ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 8 December)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, আনন্দী বারবার ঠাম্মিকে বলতে থাকে সে যেন একবার তার ছোট বৌমাকে ফোন করে বাড়ি ফিরে আসতে বলে। কিন্তু ঠাম্মি এসব কিছুই শুনতে চায় না। সে দিব্যি তার বড় বৌমার সাথে চাটনি নিয়ে গল্প করতে থাকে। অন্যদিকে উজালা হয়ে ওঠে আনন্দী। এমন সময় ঠাম্মি বলে আনন্দীর সবদিক ছেড়ে এবার একটু নিজের সংসারে মন দেওয়া উচিত।

লাহিড়ী বাড়িতে ফিরে এলো চৈতি

অন্যদিকে নন্দিনীর কাছে গিয়ে ওঠে চৈতি। কিন্তু নন্দিনী তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ওই বাড়িতে থেকে ওখানকার খবর দেওয়ার জন্যই নন্দিনী তাকে এত কিছু দেয়। চৈতি যদি লাহিড়ী বাড়িতে না থাকে তাহলে নন্দিনীর কাছে তার কোন মূল্য নেই। কথাটা শুনে পোষা কুকুরের মতন লেজ রাখতে নাড়তে চৈতি আবার নিজ শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যায়। চৌকাঠে পা রাখতে না রাখতেই ঠাম্মি অনেকগুলো কথা শুনিয়ে দেয় তাকে। চৈতি কিছু বলতে পারেনা সে মাথা নিচু করে নিজের ঘরের দিকে রওনা দেয়।

আরও পড়ুনঃ “ম্যাট্রিমনিয়াল সাইট থেকে কিছু হতে পারে”- ম্যাট্রিমনিয়াল সাইটে মনের মানুষ খুঁজছেন সৌমিতৃষা!

চৈতি ঘরে চলে যেতেই ঠাম্মি আর আনন্দীর শাশুড়ি মা অর্থাৎ আদির মা দুজন মিলে আনন্দীকে বলে আবার তাদের ফুলশয্যা দেওয়া হবে এবং তারা এবার থেকে একই ঘরে থাকবে। আদিকে এসব কথা বলায় সে লজ্জায় ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর পরিকল্পনা মাফিক ঘর সাজিয়ে পুনরায় দেওয়া হয় আদি আনন্দীর ফুলশয্যা।

Back to top button