সুপায়নের ম’রণ ফাঁদে অসুস্থ শিশুরা! আনন্দী কি পারবে সবাইকে উদ্ধার করতে? টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল তিতির এবং নন্দিনী মিলে নানান রকম প্ল্যান করছে আদিকে ফাঁসানোর জন্য। অন্যদিকে কিভাবে টেস্টি টামির বদনাম করা যায় সেই প্ল্যান করতে থাকে সুপায়ন। চৈতি সঙ্গে প্ল্যান করতে থাকে কিভাবে আনন্দীদের এই ব্যবসা বন্ধ করা যায়। এরপর সুপায়ন চৈতিকে জানায় যদি বাচ্চাদের খাবারের কিছু মিশিয়ে দেওয়া যায় এবং তাতে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ে তাহলে এই ব্যবসা একদিনেই বন্ধ হয়ে যাবে। এরপরে চৈতি ইচ্ছে করে পড়ে যাওয়ার নাটক করে। সবার নজর কেড়ে নেয় নিজের দিকে। আর সেই সুযোগেই সুপায়ন বাচ্চাদের প্যাকেট করা খাবারের মধ্যে বিষাক্ত জিনিস মিশিয়ে দেয়।

Anondi, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, আনন্দী, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anondi Today Episode 31 December, আনন্দী আজকের পর্ব ৩১ ডিসেম্বর, আনন্দী আজকের পর্ব

আনন্দী আজকের পর্ব ৩১ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 31 December)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে সুপায়ন খাবারের মধ্যে কেমিক্যাল মিশিয়ে দিয়ে নিজের মতো করে সরে পড়ে। এদিকে রান্নাঘরে এসে সমস্ত কিছু ওলট পালট দেখে তনুশ্রীর মনে প্রশ্ন উঠলেও, সেই প্রশ্নকে বিশেষ কেউ পাত্তা দেয় না। এরপরই চৈতির পা ভেঙে গেছে শুনে আনন্দি চলে যাক তাকে দেখতে। তারপর সুমনাও বাচ্চাদের খাবার নিয়ে পৌঁছে যায় নার্সিংহোমে।

এদিকে বাচ্চারা তো বায়না করতে থাকে আনন্দী না এলে তারা খাবার খাবে না। নার্সরা সবাই মিলে জোর করতে থাকে, এমনকি সুপায়ন এসে ভীষণ চিৎকার করতে থাকে তাদের উপরে। কিন্তু কোন ভাবেই বাচ্চাদের খাওয়ানো যায় না। এরপরই সঠিক সময়ে চলে আসে আনন্দী। আনন্দী এসে বাচ্চাদের সাথে মিলে সেখানে ভর্তি একটি বাচ্চার জন্মদিনে সেলিব্রেট করে কেক কেটে। তারপর সবাইকে এক এক করে খেতে বলে।

আরও পড়ুনঃ দুই নায়িকার তুমুল ঝগড়ায় কেঁপে উঠল মিঠিঝোরার সেট! লাথি মারে খাবার থালা ফেলে দিল স্রোত!

এরপর বাচ্চাদের সাথে খেলার জন্য আনন্দী কানে কানে কিছু কথা বলে। তারপর হঠাৎ দেখা যায় বাচ্চাদের পেটে ব্যথা শুরু হয়ে যায়। আর এটা দেখে সুপায়ন তো একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়ে পুলিশকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দিতে চায়। আর তখনই বাচ্চারা চমকে দেয় এবং বলে কেমন নাটক তারা করল। এই ঘটনায় একেবারে অবাক হয়ে যায় সুপায়ন, রেগে বেরিয়ে যায় কেবিন থেকে। তারপর আনন্দীও সুপায়ন এর পিছন পিছন যায়। আসলে আনন্দী সবটাই জেনে গিয়েছিল শেষ মুহূর্তে। সেটাই বলতে যায় সুপায়নকে। আনন্দী সুপায়নকে সবটাই বলে কিভাবে একটা ইঁদুর ওই খাবার খেয়ে মরে যাওয়ার পর তার সন্দেহ হয়েছিল। কিন্তু সুপায়ন তো কিছুই শিকার করে না। এবারে দেখার অপেক্ষা আনন্দী কিভাবে এইসব প্রমাণ করে।

Back to top button