মাঝরাতে আনন্দীকে বাড়ি থেকে বের করে দিল আদি! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

বর্তমান সময়ে যে ধারাবাহিকগুলি জি বাংলায় (Zee Bangla) দেখানো হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি হল ‘আনন্দী’ (Anondi)। একটু একটু করে ধারাবাহিকের গল্প সকলের মন জয় করে নিচ্ছে। টিআরপি তালিকায় ধীরে ধীরে জায়গা দখল করে নিচ্ছে। ধারাবাহিকের শুরু থেকেই আদি আনন্দীর জুটি এক্কেবারে জমজমাট। বহুদিন পর অন্বেষা ঋত্বিকের জুটি পর্দায় ফিরে আসার দর্শক তো ভীষণই খুশি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে রকেট এসে আনন্দীর নামে যা নয় তাই বলে। লাহিড়ী বাড়িতে এসে একটা ভুয়ো ভিডিও দেখিয়ে সবাইকে আনন্দীর নামে উসকে দেয়। এমনিতেই লাহিড়ী বাড়ির বেশিরভাগ মানুষ আনন্দীকে পছন্দ করেনা। তার মধ্যে রকেটের এ সমস্ত কথা ভিডিও আরো সবাইকে আনন্দীর বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলে। আর সেটাই বিশ্বাস করে সবাই। আদি প্রথমে আনন্দীকে বিশ্বাস করতে চাইলেও পরে রকেট এমনভাবে কথাগুলো বলে যে রকেটকে বিশ্বাস করে আদি। মুহূর্তের মধ্যে আনন্দীর নতুন সংসার ভেঙে যায়। সবাই আনন্দীকে পুলিশে দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু নিয় বিজয়া এবং ঠাম্মি বাধা দেয়।

আনন্দী আজকের পর্ব ৩০ অক্টোবর (Anondi Today Episode 30 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে সবাই আনন্দী কে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার কথা বলে। আনন্দী সবাইকে বলতে থাকে তাকে তার কথাটা বলার সুযোগ দেওয়া হোক। কিন্তু কেউ তার কথা শোনে না। এমনকি আদিও চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে। অনিরুদ্ধ সিকিউরিটি গার্ড ডেকে আনন্দীকে বার করার কথা বলে। কিন্তু বিজয়া এবং ঠাম্মি কিছুতেই বিশ্বাস করে না এই সমস্ত কাজ আনন্দী করতে পারে। এদিকে আনন্দী নিজের কথা বলতে চাইলে, আদি তাকে ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে দেয়।
লাহিড়ী বাড়ি থেকে আনন্দীকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা
আদি আনন্দের কোন কথাই শুনতে চায়না। তাকে একটা সুযোগ পর্যন্ত দেয় না। এই অবস্থায় আনন্দী জানায় এই অপমানের বোঝা মাথায় নিয়ে আনন্দী কিছুতেই লাহিড়ী থেকে যাবে না। চৈতি এবং আদির বোন যা নয় তাই বলতে থাকে আনন্দীকে। তার গা থেকে গয়না কেড়ে নিয়ে খুলতে থাকে। বিজয়া এবং ঠাম্মি বারবার তাদের আটকানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তারা থামেনা। এদিকে টানতে টানতে আনন্দীকে বাড়ির বাইরে নিয়ে যায়। তখন আদি বাধা দিয়ে বলে এই রাতের বেলা একটা মেয়েকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া ঠিক হবে না। আনন্দী ঠগ হতে পারে, কিন্তু আদি অকৃতজ্ঞ নয়।
আরও পড়ুনঃ ‘শু’য়ার বলে ডাকতেন’- সাক্ষাৎকারে ভানু বন্দোপাধ্যায় কে নিয়ে মুখ খুললেন শাশ্বত?
এরপরে কোনরকমে বিজয়া এবং ঠাম্মি মিলে আনন্দীকে ফুলশয্যার ঘরে পাঠায়। বিজয়া আদিকে বোঝাতে থাকে আনন্দীর সঙ্গে কথা বলার জন্য। আনন্দীর থেকে সমস্ত কথা জানার জন্য। ছলে বলে বিজয়া আদিকে ভালো মতো বোঝাতে থাকে। মায়ের কথা সমস্তটা শুনে আদি ঘরে যেতে রাজি হয়। এদিকে আনন্দী ঠিক করে নেয় তার সমস্ত কথাটা আদিকে জানিয়ে এই বাড়ি থেকে সে বেরিয়ে যাবে। কারণ অবিশ্বাসের ছাদের নিচে একসাথে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

