লাহিড়ী বাড়ীর নোংরামি হাতেনাতে ধরলো আনন্দী! জ্বা’লিয়ে দিল প্রতিবাদের আগুন! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বর্তমানে বাংলা টেলিভিশন জগতের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক প্রদর্শনকারী চ্যানেল হল জি বাংলা। আর এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিক গুলি বহাল তবিয়তে সম্প্রচারিত হচ্ছে এবং দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হচ্ছে তাদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো আনন্দী (Anondi)। এই ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়েই ফিরে এসেছে এক পুরনো জুটি।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, আনন্দী মেডিনসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই অনেকের কাজেই অনেক সমস্যা সৃষ্টি করছে। অনেক ভেজাল হাতেনাতে ধরে ফেলছে। নন্দিনীর সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়ে মিথ্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সত্যিটাকে টেনে বের করে আনছে। এসব অনেকেই সহ্য করতে পারছে না। কিন্তু প্রমাণ সহ সবটা সবার সামনে নিয়ে আসায়, কেউ আনন্দীকে সেখান থেকে বের করে দিতেও পারছেনা।

Anondi Today Episode 21 December

আনন্দী আজকের পর্ব ২২ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 22 December)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, আনন্দী নিজেও যেমন প্রতিবাদ করতে জানে তেমনি নিজের চারপাশের মানুষদেরকেও সে প্রতিবাদী করে তুলতে চায়। সে হাসপাতালে চৈতির ছেলেকে প্যাথলজি ডিপার্টমেন্টের একজন ডাক্তারের সাথে গাড়ির আড়ালে নোং’রামি করতে দেখে নেয়। দেখামাত্রই তেলে বেগুনের জ্বলে ওঠে ধারাবাহিকের নায়িকা। কারণ সে মোটেই এমন নোংরা অন্যায় সহ্য করতে পারে না।

সে বাড়ী ফিরে প্রথমেই তনুশ্রীকে এই সমস্তটা জানাতে কিছুটা দ্বিধাবোধ করে। কিন্তু পরে সে দেখতে পায় নিজের স্বামীর কুকীর্তি সে আঁচলের আড়ালে লুকচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে আনন্দী বলে ওঠে, এমন ভাবে চুপ করে থাকলে আর এই সমস্ত অন্যায়গুলোকে মুখ বুঝে মেনে নিলে ওরা আরো পেয়ে বসবে। দম বন্ধ হয়ে মরে যেতে হবে তখন। বাড়ির বাকি দুই বউ তখন প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। জোড় গলায় বলে ওঠে, তারা আর কোন পাপের নোংরা পরিষ্কার করতে পারবেনা।

আরও পড়ুনঃ অভাবের তাড়নায় মদের দোকানে কাজ করতেও হয়েছিলেন রাজি! সেই দুঃস্থ ছেলেটাই আজ রসিক অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু!

এরপর দেখা যায় হাসপাতালে একটি নতুন বাচ্চা ছেলে ভর্তি হয়েছে যার ফুসফুসে সমস্যা। সেজন্য সে ক্রিকেট খেলতে পারেনা। সেই নিয়ে তার খুব কষ্ট। কিন্তু মনের দুঃখে সে খাওয়া-দাওয়াও করছে না। আনন্দী রাত্রিবেলা বাচ্চাদের ওয়ার্ডে থাকার পারমিশন নিয়ে নেয় কাকুমণির কাছ থেকে। তারপর ঠিক নিজের মিষ্টি কথার পাঁচন দিয়ে খেলার ছলে সেই শিশুটিকে খাবার এবং ওষুধ দুটোই খাইয়ে দেয়। তার এই কান্ড দেখে অবাক হয়ে যায় ছোট্ট ছেলেটির বাবা এবং কাকুমণি।

Back to top button