আনন্দীর কাছে গো হারান হারল তিতির! স্ত্রীয়ের অধিকার ফলিয়ে নিজের জায়গাটা বুঝে নিল সে!

জি বাংলার (Zee Bangla) ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি ‘আনন্দী’ (Anondi)। একটু একটু করে ধারাবাহিকের গল্প সকলের মন জয় করে নিচ্ছে। টিআরপি তালিকায় ধীরে ধীরে জায়গা দখল করে নিচ্ছে। ধারাবাহিকের জুটি আদি আনন্দীর গল্প বেশ ভালই পছন্দ হচ্ছে দর্শকদের। প্রথম সপ্তাহের পর থেকে ধীরে ধীরে টিআরপিতে একটু একটু করে ভালো ফলাফল করছে। শুরুর সময় থেকে ভালই স্লট পাচ্ছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে বাড়িতে আদি এবং আনন্দীর নামে সত্যনারায়ণের পূজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু আনন্দীর সঙ্গে পুজোতে বসতে হবে শুনে আদি বাড়ি থেকে বেরিয়ে চলে যায়। সেদিন তার একটি সেমিনার ছিল, তার একজন সিনিয়র স্যারের সঙ্গে। সেই সবটা জানতে পেরে আনন্দী সেই স্যারের কাছে চলে গিয়ে সমস্ত কিছু বলতে থাকে। আদির স্যার আনন্দীর কাছে সবকিছু শুনে সেমিনারের ভেনু চেঞ্জ করে লাহিড়ী বাড়িতে চলে আসে। আসলে আদিকে পুজোতে বসানোর জন্যে আনন্দী এই সমস্ত প্ল্যান করেছে।

আনন্দী আজকের পর্ব ২ নভেম্বর (Anondi Today Episode 2 November)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আদি বাড়িতে এসে দেখে তার স্যারকে পাত পেরে বসে খাওয়াচ্ছে আনন্দী। এই সমস্ত দৃশ্য দেখে তো আদি অবাক হয়ে যায়। আদির সঙ্গে তিথিরও উপস্থিত ছিল লাহিড়ী বাড়িতে। সেও বুঝতে পারে না এসব কি হচ্ছে। এরপর আদিকে দেখে তার স্যার ভীষণ বকাঝকা শুরু করে।বাড়ির পুজো ছেড়ে বউয়ের কথা না শুনে আদি সেমিনারে গেছে। সেটা তার মোটেই পছন্দ হয় না। আদি বুঝতেই পারে না এসব কি হচ্ছে। এরপর আদির স্যার নানান রকম কথা বলে তাকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে পুজোতে আনন্দীর সঙ্গে বসতে বাধ্য করে।
আদি আনন্দীর ক্ষতি করতে চায় তিতির
এরপর আদি এবং আনন্দী একসঙ্গে পুজোতে বসে। এদিকে নন্দিনী এবং অনিরুদ্ধ এসব দেখে অবাক হয়ে যায়। অনিরুদ্ধর পারিবারিক বিষয় কিছুই করার থাকে না। নন্দিনী তখন তিতিরকে গিয়ে আবার উস্কে দিতে থাকে। আদি আনন্দী একসঙ্গে পুজোয় বসেছে দেখে তিতিরের কানে আবারো ভুলভাল কথা বলে তাকে উস্কে দেয়। কিন্তু আদির স্যারের জন্য তিতির আদি আনন্দীর কোন ক্ষতি করতে পারে না। এরপর পুজো সুন্দরভাবে মিটে যাবার পর আনন্দী সবাইকে প্রসাদ দিয়ে সেমিনার রুমে নিয়ে যায়। লাহিড়ী বাড়ির একটি ঘরে আনন্দী সেমিনারের সমস্ত ব্যবস্থা করে রেখেছে।
আরও পড়ুনঃ ‘বিকাও নয়…’, অভিনেত্রী থেকে রক্ষিতা হওয়ার প্রস্তাব, প্রতারণা রুক্মিণীর সাথে!
আনন্দী সবাইকে সেমিনার রুমে দিয়ে আসে। এর পরেই তিতির আনন্দীকে দাঁড় করিয়ে যা নয় তাই বলে অপমান করতে থাকে। আর আনন্দী যে এই বাড়িতে টিকতে পারবে না আদি তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেবে এই সমস্ত কথা বলতে থাকে। আনন্দীও ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়। যখন যাকে যেই পাচন দেওয়া উচিত তখন তাকে সেই পাচনটাই দেয়। তিতিরকেও বুঝিয়ে দেয় যদি তিতির বাড়াবাড়ি করে তাহলে আনন্দীও নিজের অধিকারটা বুঝিয়ে দেবে। এরপরে দেখার অপেক্ষা আনন্দীর জীবনে আর নতুন কি কি ঝড় আসে।

